Templates by BIGtheme NET
আজ- সোমবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৯ :: ৯ বৈশাখ ১৪২৬ :: সময়- ১০ : ০০ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / রসিক নিবার্চনঃ যে কারনে এগিয়ে আছেন ঝন্টু

রসিক নিবার্চনঃ যে কারনে এগিয়ে আছেন ঝন্টু

মাহতাব হোসেনঃ যতই দিন ঘনিয়ে আসছে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ততই তোড়জোড় বেড়েই চলেছে প্রার্থীদের। সাধারণ মানুষের ধারণা রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিযোগিতা হবে মূলত ৪ জনের মধ্যে। তারা হলেন, এরশাদ সমর্থিত জাপার প্রার্থী মশিউর রহমান রাঙ্গা, জাপার বিদ্রোহী প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, অপর বিদ্রোহী প্রার্থী একে এম আব্দুর রউফ মানিক এবং নাগরিক কমিটির ব্যানারে শরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু। ভোটারদের নিজের করে নিতে সব প্রার্থীরাই চষে বেড়াচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে।

জাপার দুর্গ হিসেবে পরিচিত রংপুরে জাপার প্রার্থীকেই এগিয়ে রাখবেন সকলেই এটাই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে মশিউর রহমান রাঙ্গারই এগিয়ে আছে। রাঙ্গা পরিবহণ মালিক সমিতির নেতা হওয়ার ফলে পরিবহণ মালিক ও শ্রমিক সংগঠন এর বেশ কিছু ভোট তার পক্ষে যাবে। এছাড়া তিনি গঙ্গাচড়ার সাবেক সাংসদ হওয়ায় এই এলাকার ভোট তার পক্ষেই যাবে বলে সবার ধারণা।

তবে বিভিন্ন সমীকরণে বাস্তব চিত্র অনেকটাই ভিন্ন। জাপার ভোট ব্যাংকে সরাসরি ভাগ বসাবেন অপর দুই হেভি-ওয়েট প্রার্থী জাপা থেকে নির্বাচিত সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা এবং জাপার সাবেক নেতা ও সদ্য বিলুপ্ত পৌর মেয়র একেএম আব্দুর রউফ মানিক। রংপুরের তৃনমূল ভোটাররা দ্বিধার মাঝে রয়েছেন ভোট কাকে দেবেন?

তৃনমূল পর্যায়ে সর্বাধিক ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার। তার দাবী জনগণ দলকে নয় ব্যক্তিকেই চায়। এদিকে লালবাগ হাটে আসা কয়েকজন হাটুরের সাথে কথা হলে তারা জানান গরীব মানুষের নেতা মোস্তফা তাই তারা তাকেই ভোট দেবেন। এক্ষেত্রে এরশাদের দুর্গে তার ব্যক্তিগত ইমেজে যে ফাটল ধরেছে তা সুস্পষ্ট।

ধাপ এলাকার বাসিন্দা জোবায়ের জানান, এরশাদ যাকে মনোনয়ন দেবেন শেষ পর্যন্ত তারপক্ষেই ভোট পড়বে। তিনি আরও জানান, নির্বাচনের আগ মুহূর্তে এরশাদ রংপুরে আসলে রংপুরের জনগণের দ্বিধা দূর হয়ে যাবে। এরশাদই হচ্ছে রংপুরের মানুষের শেষ কথা।

অপরদিকে আব্দুর রউফ মানিকের সমর্থকদের দাবী মানিক অতি পরিচিত এবং সফল পৌর মেয়র অতএব মানিকই মেয়র নির্বাচিত হবেন। সমর্থকদের দাবী পৌর মেয়র থাকাকালীন মানিকের আমলে যে উন্নয়ন হয়েছে তা অন্য কোন মেয়রের সময় হয়নি।

 তবে এ কথা মানতে নারাজ কেরানি পাড়ার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক ব্যবসায়ী। তিনি বলেন শ্যামাসুন্দরী খালের বাজেট অনুযায়ী শ্যামাসুন্দরী খালের উন্নয়ন হয়নি, তড়িঘড়ি করে ল্যাম্পপোস্ট বসাতে গিয়ে দুর্বল মানের ল্যাম্পপোস্ট বসানো হয়েছে নগর-জুড়ে, যার অনেক বাতিই এখন নষ্ট।

এদিকে স্বতন্ত্র অবস্থানে রয়েছেন শরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু। তার ধারনা পৌর মেয়র থাকা অবস্থায় রংপুরের ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন তিনি। এছাড়াও তিনি গঙ্গাচড়ার সাংসদ ছিলেন। বর্তমানে গঙ্গাচড়ার ৩ টি ইউনিয়ন উত্তম, পরশুরাম, হরিদেবপুর ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এখানে ভোটার রয়েছে ১লক্ষ। ঝন্টুর সমর্থকদের দাবী এই ১ লক্ষ ভোটার ঝন্টুকেই ভোট দেবেন কারণ তারা রংপুর সদরের কোন প্রার্থীকেই ভোট দেবেন না। যদি তাই হয় তবে ঝন্টু অনেকটাই এগিয়ে যাবেন।

তবে রাঙ্গাও এই আসনের সাংসদ ছিলেন তাই তিনি এখানে ঝন্টুর পথের কাটা হয়ে দাঁড়াবেন।

আর একটি দিক দিয়ে ঝন্টু এগিয়ে আছেন, সেটা হলো সিটি করপোরেশন আন্দোলনে কোন নেতাই তার মত মুখ্য ভূমিকা পালন করেন নি। ঝন্টু ছিলেন সিটি করপোরেশন বাস্তবায়ন আন্দোলন কমিটির সভাপতি। সেই সময় তিনি ২০৩ বর্গকিঃমিঃ লংমার্চে সদ্য যুক্ত হওয়া রংপুরের ইউনিয়নগুলোতে সাধারণ মানুষের মাঝে নিজেকে বিস্তৃত করতে পেরেছিলেন। ঝন্টু ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জনসভা গুলোতে বলেছিলেন এই আন্দোলনের মধ্য যদি বুলেট বর্ষণ করা হয় তাহলে সেই বুলেট সর্বপ্রথম তিনিই বুকে নেবেন। এই ধরনের বক্তব্য তখন সাধারণ জনগণের মাঝে ব্যাপক আলোড়িত হয়েছিল। অপরদিকে ঝন্টু নাগরিক কমিটির ব্যানারে নির্বাচন করলেও তিনিও যেহেতু আওয়ামীলীগ নেতা সেহেতু আওয়ামীলীগের ভোট তিনিই পাবেন।

তবে এ কথা সর্বজননভাবে গৃহীত হচ্ছে যে জাপার মধ্যে ঐক্য না আসলে কিংবা একক প্রার্থী না দেয়া হলে সে ক্ষেত্রে জাপার পরাজয়ের সম্ভাবনা থেকে যাবে। আর তাই যদি হয় তবে শেষ হাসিটি ঝন্টুই হাসবেন।

লেখক: ব্লগার ও সাংবাদিক

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful