Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ২৪ মার্চ, ২০১৯ :: ১০ চৈত্র ১৪২৫ :: সময়- ২ : ৩৯ অপরাহ্ন
Home / জাতীয় / রংপুর মহানগরীর নামীদামী হোটেলে খাসীর মাংসের নামে ভেড়ার মাংস বিক্রি

রংপুর মহানগরীর নামীদামী হোটেলে খাসীর মাংসের নামে ভেড়ার মাংস বিক্রি

metস্টাফ রিপোর্টার: রংপুর মহানগরীর নামীদামী হোটেল গুলোতে খাসীর মাংসের নামে ভেড়ার মাংস বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খাসীর মাংসের দাম নেয়া হলেও তেল মসলা দিয়ে ভেড়ার মাংস রান্নার ফলে এর স্বাদ বুঝতে পারছেন না ক্রেতারা, ফলে প্রতিনিয়ত খাবার খেতে এসে ঠকছেন তারা।

বিকেলে নগরীর সেন্ট্রাল রোডে ১৪টি ভেড়ার সাথে ১টি খাসী ক্রয় করে যাচ্ছিলেন জনৈক কসাই। পরে কসাইকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি অকপটে স্বীকার করেন শহরের কয়েকটি উন্নতমানের হোটেলগুলোতে তাদের নির্দিষ্ট চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করার জন্য এই ভেড়াগুলো খরিদ করা হয়েছে।

জবাইয়ের পর রাতে মাংসগুলো আলাদা করে সকালে সেগুলো হোটেলে হোটেলে সরবরাহ করা হবে। পরদিন জনৈক কসাইয়ের হিসাবের চোতা থেকে বেরিয়ে আসে ৫টি হোটেলের নামসহ হিসাব বিবরনী।

হোটেল ৫টির মধ্যে কাচারী বাজার এলাকার ২টি নামকরা হোটেল ও মেডিকেল মোড় এলাকার হোটেল পট্টির ৩টি হোটেলের নাম জানা যায়। হোটেল মালিকগণ জেনে শুনেই ভেড়ার মাংস প্রতি কেজি ৩১০ টাকা দরে খরিদ করছেন এবং ৫টি হোটেলে মাংস বিক্রির মোট পরিমাণ ৭২ কেজি।

রংপুরের লালবাগ হাটে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আট কেজি ওজনের একটি খাসীর দাম ৩ হাজার ৩০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা ও একই ওজনের একটি ভেড়ার দাম ২ হাজার ২০০ থেকে ২হাজার ৪০০ টাকা। কেজি প্রতি পার্থক্য ৮০ থেকে ১ শত টাকা। হোটেল শ্রেণী ভেদে খাসীর মাংস ৭০ থেকে ৯০ টাকার মধ্যে বিক্রয় হয়। খাসীর মাংসের নামে ভেড়ার মাংস বিক্রি করে হোটেল মালিকগণ অতিরিক্ত মুনাফা করছেন বলে জানা গেছে।

পুষ্টিবিদ ডাঃ হামিদুরল ইসলাম বলেন, ভেড়ার মাংস খেতে নরম ও সুস্বাদু তাছাড়া খাসীর মাংসের থেকে ভেড়ার মাংসে তেল চর্বি যেমন কম, তেমনি পুষ্ঠিগুনে ভরা। ভেড়ার মাংসকে ভেড়ার মাংস বলে বিক্রয় করলে দোষের কিছু নেই। শুধু দু’টি বাড়তি পয়সা আয় করবার জন্য এমন প্রতারনা করা ঠিক নয়।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful