Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ১৮ অগাস্ট, ২০১৯ :: ৩ ভাদ্র ১৪২৬ :: সময়- ৬ : ৩১ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / বিশ্লেষণ: কে হচ্ছেন প্রথম নগর পিতা?

বিশ্লেষণ: কে হচ্ছেন প্রথম নগর পিতা?

মুরাদ মাহমুদ, সিইও, উত্তরবাংলা ডটকম

রংপুরে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসীল ঘোষণার পর থেকেই চলছে নানা সমীকরণ। কে হচ্ছে প্রথম নগর-পিতা তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা কল্পনা।

দলীয় কোন্দলের কারণে দুর্গ হারানোর আশংকায় দলীয় প্রার্থী মশিউর রহমান রাঙ্গার মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছে জাতীয় পার্টী। যার ফলে এখন চলছে নতুন সমীকরণ। নির্বাচনে ত্রি-মুখী লড়াই হবে বলে ধারণা করছে সাধারণ ভোটাররা।

ধারণা করা হচ্ছে মূল লড়াই হবে নাগরিক কমিটির ব্যানারের প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক সংসদ সদস্য শরফুদ্দিন আহম্মেদ ঝন্টু, সদ্য-বিলুপ্ত রংপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র মেয়র আবদুর রউফ মানিক এবং সদ্য সাবেক রংপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার মধ্যে।

আ’লীগ এখন পর্যন্ত দলীয় ভাবে কোন প্রার্থী মনোনয়ন না দিলেও মনোনয়ন সংগ্রহ করে নির্বাচনের প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে সাবেক ছাত্রনেতা ও রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়ার রহমান সফি। তবে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নাগরিক কমিটির ব্যানারে আওয়ামী লীগ নেতা শরফুদ্দিন আহম্মেদ ঝন্টুর পক্ষে কাজ করবে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আ’লীগ নেতা জানান।
জাপার ঘরে জ্বলছে আগুন। আর এ সুযোগে উৎফুল্ল ঝন্টুর সমর্থকরা। তাদের মতে নগর পিতা হতে সামনে কোন বাধা মনে করছেন না শরফুদ্দিন আহম্মেদ ঝন্টু। রাঙ্গা মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় গঙ্গাচড়ার লক্ষাধিক ভোটের বড় অংশ এখন তার পকেটে। কারণ ঝন্টু এই আসনের সাবেক এমপি ছিল। ঝন্টুর সমর্থকদের দাবী এই ১ লক্ষ ভোটার রংপুর সদরের কোন প্রার্থীকেই ভোট দেবেন না। যদি তাই হয় তবে ঝন্টু অনেকটাই এগিয়ে যাবেন। এছাড়া সিটি করপোরেশন আন্দোলনে বাস্তবায়ন আন্দোলনে তার মুখ্য ভূমিকা রয়েছে। ঝন্টু ছিলেন সিটি করপোরেশন বাস্তবায়ন আন্দোলন কমিটির সভাপতি। সেই সময় তিনি ২০৩ বর্গকিঃমিঃ লংমার্চে সদ্য যুক্ত হওয়া রংপুরের ইউনিয়নগুলোতে সাধারণ মানুষের মাঝে নিজেকে বিস্তৃত করতে পেরেছিলেন।

এদিকে সাবেক পৌর মেয়র আবদুর রউফ মানিক এর সমর্থকরা নিজেদের এগিয়ে থাকার কথা দাবী করেছেন। তাদের দাবী পৌর মেয়র থাকাকালীন মানিকের আমলে যে উন্নয়ন হয়েছে তা অন্য কোন মেয়রের সময় হয়নি। এছাড়া জাপা থেকে বহিষ্কার হলেও জাপার ভোট মানিকের পক্ষেই যাবে বলে তাদের ধারণা।

তবে পৌর মেয়র থাকা অবস্থায় তার অনেক কাজেই অখুশি হয়েছে নগরবাসী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক এক ব্যবসায়ী বলেছেন, শ্যামাসুন্দরী খালের বাজেট অনুযায়ী শ্যামাসুন্দরী খালের উন্নয়ন হয়নি, তড়িঘড়ি করে ল্যাম্পপোস্ট বসাতে গিয়ে দুর্বল মানের ল্যাম্পপোস্ট বসানো সহ বিভিন্ন অনিয়ম এর অভিযোগ রয়েছে তার দিকে।

জাতীয় পার্টী থেকে বহিষ্কৃত, সদ্য সাবেক রংপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার অবস্থান বেশ শক্তিশালী বলে দাবী করেছে তার সমর্থকরা। তাদের দাবী বার জন প্রার্থীর মধ্যে নগরবাসীর কাছে মোস্তফার গ্রহণযোগ্যতা সব থেকে বেশী।

সরে জমিনে গিয়ে তার প্রমাণও পাওয়া গেছে। তৃনমূল ভোটাররা চায় নগর পিতা হোক নীট এন্ড ক্লিন চরিত্রের মোস্তফা। তবে দুই বিত্তশালী প্রার্থীর মাঝে তার আর্থিক সঙ্গতি তাকে পিছিয়ে দিচ্ছে।

বিগত নির্বাচনগুলোর পরিসংখ্যানে দেখা গেছে এখানে জামায়াতের ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ আর বিএনপির ৭ থেকে ৮ শতাংশ সমর্থন রয়েছে। অন্যদিকে জাতীয় পার্টির ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ আর আওয়ামী লীগের রয়েছে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ সমর্থন।

সে হিসেবে জাপার ভোট দুই ভাগ হলে আর আ’লীগের ভোট ঝন্টু পেলে গেলে বদলে যেতে পারে দৃশ্যপট। এ ক্ষেত্রে গঙ্গাচড়ার ভোট কে ট্রাম-কার্ড করে এগিয়ে যেতে পারে ঝন্টু।

তবে জটিল এ সমীকরণের ফলাফলের জন্য ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত যে নগরবাসীকে অপেক্ষায় থাকতে হবে তাতে কোন সন্দেহ নেই।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful