Today: 22 Feb 2017 - 11:25:14 pm

রোকেয়া ভার্সিটির সাবেক ভিসির বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়ার সুপারিশ

Published on Tuesday, January 3, 2017 at 3:42 pm

ফাইল ছবি- উত্তরবাংলা ডটকম

জামিউল আহসান সিপু: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) পলাতক সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুল জলিল মিয়ার বিরুদ্ধে রংপুর আঞ্চলিক দুদকের দায়ের করা মামলায় চার্জশিট প্রদানের জন্য দুদক সদরদপ্তর থেকে সুপারিশ করা হয়েছে।

এই মামলায় দুদক সাবেক উপাচার্যের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অনুমোদন ব্যতিরেকে নিয়োগ প্রদান ও কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে।
মামলায় বেরোবি’র সাবেক ভিসি ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের আরো চার কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে। এরা হলেন, সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার শাজাহান আলী মণ্ডল, উপ-পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) এটিজিএম গোলাম ফিরোজ, সহকারী রেজিস্ট্রার মোর্শেদুল আলম রনি ও সহকারী পরিচালক (হিসাব) খন্দকার আশরাফুল আলম। ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দণ্ডবিধি ৪০৯ ও ১০৯ ধারায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদক রংপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক আকবর আলী বলেন, মামলাটি তদন্ত করে এর চার্জশিট অনুমোদনের জন্য দুদকের রংপুর কার্যালয়ের উপ-পরিচালকের মাধ্যমে ঢাকায় দুদক কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন রংপুর কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আব্দুল করিম বাদী হয়ে রংপুর কোতোয়ালি থানায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আবদুল জলিল মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করেন। এর আগে ঐ বছরের ৪ মে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে উপাচার্য পদত্যাগ করে গোপনে দেশত্যাগ করে কানাডায় চলে যান। প্রায় চার বছরের দায়িত্বকালে তার বিরুদ্ধে নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। তিন বছর ধরে মামলাটি তদন্ত করার পর গত ডিসেম্বর মাসে উপাচার্যসহ ঐসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার অভিযোগ এনে চার্জশিট প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক রংপুর কার্যালয়।
খবর- দৈনিক ইত্তেফাক

মতামত