Today: 28 Apr 2017 - 08:05:02 pm

বীরগঞ্জে দেবর-ভাবীর বিয়ে, অতঃপর—-

Published on Monday, January 9, 2017 at 11:48 am

 মোঃ নজরুল ইসলাম খান বুলু, বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি ॥ বীরগঞ্জে দেবর-ভাবীর বিয়ে অতঃপর বরকে মেরে আহত ও বৌ-তালাক করিয়ে জোর পূর্বক অন্যত্র বিয়ে করিয়েছে পরিবারের অন্য সদস্যরা।

উপজেলা সদর থেকে ২৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সাতোর ইউনিয়নের শালবাড়ী খাটিয়া দিঘি গ্রামের মৃত্যু খলিলের বিধবা স্ত্রীর সাথে দেবর সাহেব আলী বড় ভাইয়ের ছেলে-মেয়েকে লালন-পালনে সহযোগিতার করার এক পর্যায় উভয়ে প্রেমে পরে যায়। বিষয়টি পরিবারের নজরে আসলে তাদেরকে নানা ভাবে শাসন-গর্জন ও ঘরে আটকিয়ে মার-পিট করতে থাকে পরিবারের লোকেরা।

প্রেমিক যুগল প্রেমের বন্ধন মজবুত করতে ঠাকুরগাঁও জেলা সদরে গিয়ে নোটারী পাবলিকে এফিডেফিট ও কাজী অফিসে গিয়ে রেজিষ্ট্রি করে বিবাহ বন্ধনে আবব্ধ হয়। তারা বিষয়টি গোপন রাখলেও কিছুদিন পর ফাসঁ হয়ে যায়। দেবর-ভাবী তারা স্বামী-স্ত্রী পরিবারের অত্যাচারে ঢাকায় গিয়ে অবস্থান নেয়। নাছোর বান্ধা পরিবারের লোকেরা তাদের বিবাহ মেনে নেওয়ার লোভ-লালসা দেখিয়ে ঢাকা থেকে গ্রামে ফিরিয়ে এনে তাদের বিচ্ছিন্ন করার অনেক চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়। তদুপরি গোপনে রাতের আধাঁরে তারা মিলিত হয়।

জেধ এর বসে পরিবারের লোকেরা সাহেব আলীকে বৌ-তালাক করিয়ে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে পার্শ্ববর্তী ভোগনগর ইউনিয়নের দিস্তাপাড়া গ্রামের আজিজুলের নাবালিকা মেয়ে জেসমিনের সাথে জোর পূর্বক ২য় বিয়ে দেয়। কিন্তু প্রেমে মজিলে মন কিবা হারী কিবা ডোম প্রবাদটি বাস্তবে রূপ দিয়েছে দেবর সাহেব আলী ও ভাবী মনো। সাহেব আলী নববধুকে ঘরে রেখে রাতের আধারে দেবর-ভাবী গোপনে মিলিত হয়।

অবশেষে প্রেমের সর্ম্পক বিচ্ছিন্ন করতে সাহেব আলীর বড় ভাই-দুলাল হোসেন, মেঝো ভাই-তোফাজ্জল হোসেন ও ছোট ভাই-লায়েব আলীসহ ৫/৬ জন মিলে ও পরিবারের অন্যরা গত শনিবার একটি ঘরে আটকিয়ে লাঠি দিয়ে বেদম মার-পিট করে এবং ধারাল অস্ত্র দিয়ে সাহেব আলীর হাত ২টি কেটে রক্তাত্ত ও জখম করে এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি না করে বাড়ীতে আটক রেখেছে। সাহেব আলী ১ম স্ত্রী মনো ও ২য় স্ত্রী জেসমিন জানায় তারা দু’জনে অন্তঃসত্ত্বা।

মতামত