Today: 28 Apr 2017 - 08:05:13 pm

নাগেশ্বরীর চরাঞ্চলে মরিচের বাম্পার ফলন : কৃষকের মুখে হাসি

Published on Tuesday, January 10, 2017 at 9:00 am

আব্দুল কুদ্দুস চঞ্চল , নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম): কুড়িগ্রামের নগেশ্বরীর চরাঞ্চলে শতশত একর জমিতে আবাদ হয়েছে মরিচ। অনুকূল পরিবেশ ও কৃষি পরামর্শে বাম্পার ফলন হয়েছে ক্ষেতগুলোতে। বন্যায় ধান এবং ভাইরাসে মাশকলাই নষ্ট হলেও মরিচের ভালো ফলনে হাসি ফুটেছে চরাঞ্চলের কৃষকের মুখে। এখন মরিচ সংগ্রহ ও বিক্রীর সময় তাই পরিবারের ছোটবড় সকলে মিলে কাজ করছে মরিচ ক্ষেতে। ব্যস্ত সময় পার করছে চরাঞ্চলের কৃষক কৃষাণী।
স্থানীয় জাতের এসব মরিচের স্বাদ ও ঝাঁল বেশী থাকায় কদর রয়েছে দেশজুড়ে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে এই মরিচ।

মরিচের পাশাপাশি সাথী ফসল হিসেবে মিষ্টি কুমড়ো চাষ হয়েছে মরিচের ক্ষেতে। মিষ্টি কুমড়োর ফলনও হয়েছে বাম্পার। বাড়তি আয় হিসেবে যোগ হয়েছে কৃষকের তহবিলে।

উপজেলার কচাকাটা ইউনিয়নের কৃষক মাহাতাব জানান, এবারে ১০বিঘে জমিতে মরিচ চাষ করেছেন তিনি। খরচ বাদ দিয়ে বিঘে প্রতি ১০হাজার টাকা লাভ হবে তার। চাষী মহিফুল, আজিজার রহমান জানান, গতবছরের চেয়ে এবারে মরিচের ফলন হয়েছে দ্বিগুন, তিন দফা একই গাছ হতে মরিচ সংগ্রহ করা যাবে। দাম কিছুটা কম হলেও ফলন ভালো হওয়ায় লাভ পাচ্ছেন তারা।
বন্যা পরবর্তি আগাম মরিচ চাষ এবং পরিচর্যা করার পরামর্শ দেয়া হয়েছিলো এসব চরের কৃষকদের। প্রতিনিয়ত তদারকী এবং সঠিক সময়ে পরিমানমত সার, ঔষধ প্রয়োগ করায় ভাল উৎপাদন হয়েছে বলে মনে করেন কেদার ইউনিয়নের কৃষি উপসহকারী দীনমোহাম্মদ ও কচাকাটা ইউনিয়নের রফিকুল ইসলাম।

উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা কৃষিবিদ মসিুদার রহমান জানান, এবারে উপজেলায় ১হাজার ২শ একর চরাঞ্চলের জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। দেশী ও হাইব্রিড জাতের মরিচ আবাদে কৃষকেরা লাভবান হয়েছে। বন্যার ক্ষতি কিছুটা হলেও লাঘব হয়েছে কৃষকদের।

মতামত