Today: 30 Apr 2017 - 07:17:02 am

কথা না রাখায় লজ্জিত মন্ত্রী, হতাশ হলেন ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ

Published on Tuesday, April 11, 2017 at 3:29 pm

 ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল বিমান বন্দর চালু হবে। চালু হলে দেশ বিদেশের অনেক উদ্যোক্তা এ অঞ্চলে ভারী শিল্প কারখানা গড়ে তুলতে আগ্রহ প্রকাশ করবে।

যোগাযোগের উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে অবদান রাখবে বিমান বন্দরটি। গত বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি বিমান বন্দরটি পরিদর্শনে এসে চালুর উপযোগী বলে বিমান চালুর ঘোষনা দেন বে-সামরিক বিমান ও পর্যটন বিষয়ক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

সেই আশায় বুক বেধে ছিল ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়ের মানুষ। সবাই মনে করেছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঠাকুরগাঁও আগমন উপলক্ষ্যে বিমান বন্দরটি চালু ঘোষনা দিবেন এ মাসেই।

কিন্তু মঙ্গলবার দুপুরে (১১ এপ্রিল) বে সামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন ঠাকুরগাঁওয়ে বিমান বন্দর পরিদর্শন কালে সরকারের একক ভাবে বিশাল অর্থের বিনিময়ে বিমান বন্দরটি পুনরায় চালু করা সম্ভব না বলে জানিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, আমি কথা দিয়ে রাখতে পারিনি বলে লজ্জিত। তবুও চালুর লক্ষ্যে একনেকের সভাপতি প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনায় বসে আবারো সিদ্ধান্ত গ্রহন করবো বলে জানান।

তার বক্তব্যে ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের "আশায় যেন মরিচিকায়" পরিণত হয়েছে। হতাশ হয়েছেন জেলার মানুষ।

আবারো চালুর উদ্যাগ গ্রহন করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানিয়েছেন জেলার মানুষ ।

পরির্দশন উপলক্ষ্যে শিবগঞ্জ বিমান বন্দরে জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়ালের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দবিরুল ইাসলাম এমপি, জেলা ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি ইয়াসিন আলী, পুলিশ সুপার ফারহাত আহমেদ, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ সাদেক কুরাইশী।

পরে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন পীরগঞ্জ উপজেলার ওয়ার্কাস পার্টির এক সভায় যোগ দেন।

উল্লেখ্য, স্বাধীনতার পর ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত রাজধানী ঢাকার সঙ্গে এর যোগাযোগ ছিল। সে সময় ঢাকা-ঠাকুরগাঁও রুটে নিয়মিত বিমান সার্ভিস চালু ছিল। তখন থেকেই ঠাকুরগাঁও বিমান বন্দরটি উত্তরের প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনপদ সমুহের সাথে ঢাকার বিমান যোগাযোগের একমাত্র অবলম্বন হয়ে পড়ে। তিনি আরো জানান, ১৯৮০ সালে লোকসানের অজুহাতে এ বিমান বন্দরটিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

মতামত