Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ৪ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৫ : ৪৪ পুর্বাহ্ন
Home / বগুড়া / বগুড়ায় ১০ তলা থেকে পড়ে ছাত্রীর মৃত্যু!

বগুড়ায় ১০ তলা থেকে পড়ে ছাত্রীর মৃত্যু!

বগুড়া: বগুড়া টিএমএসএস মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের (ম্যাটস) এক ছাত্রী ১০ তলা থেকে পড়ে মারা গেছেন। তার নাম ইসমেতারা পারভীন মুন (২০)।

সোমবার রাতে শহরতলির ঠেঙ্গামারা এলাকায় নির্মাণাধীন টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজ ভবনের দশম তলা থেকে তিনি পড়ে যান। তবে তার বাবা বিজিবি সদস্য গাজিউল ইসলাম দাবি করেছেন, তার মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারে না, তাকে কেউ ফেলে দিয়ে হত্যা করেছে।

সদর থানার ওসি (অপারেশন) আবুল কালাম আজাদ জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও স্বজনদের এজাহার না পাওয়া পর্যন্ত ওই ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে, নাকি কেউ তাকে হত্যা করেছে সে ব্যাপারে মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

টিএমএসএসের স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী পরিচালক রফিকুল ইসলাম জানান, বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার হলিদাবগা গ্রামের বিজিবি সদস্য গাজিউল ইসলামের মেয়ে মুন টিএমএসএস ম্যাটস থেকে চুড়ান্ত পরীক্ষা দিয়েছেন। তিনি ফলাফলের অপেক্ষায় ছিলেন। মুন ঠেঙ্গামারা এলাকায় জনৈক মন্টুর মেসে থাকতেন। শরিফা ইয়াসমিন নামে এক নার্স সোমবার রাত ১১টার দিকে মুনকে টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজ ও রফাতুল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালের নির্মানাধীন ১৬ তলার ১০ম তলায় পায়চারি করতে দেখেছেন। হাসপাতালের ম্যানেজার আবদুর রহিম রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিকট শব্দ পান। পরে নিচে নেমে লিফটের সামনে ফাঁকা জায়গায় তাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। তাকে উদ্ধার করে জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক মুনকে মৃত ঘোষণা করেন। তখন নিহত ছাত্রীর বাবা-মা ও সদর থানায় অবহিত করা হয়। রাত ৩টার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

মঙ্গলবার (৩০ মে) দুপুরে মুনের বাবা গাজিউল ইসলাম জানান, তিনি চট্টগ্রামে বিজিবিতে চাকরি করেন। ছুটিতে বাড়ি এসেছেন। তার মেয়ে মুন ফাইনাল পরীক্ষা দেওয়ার পর টিএমএসএস হাসপাতালে অস্থায়ী ভিত্তিতে নার্সের কাজ করছিল। মেয়ের বিয়ে হয়েছিল।  সমস্যা হওয়ায় মামলা চলছে। সোমবার রাত ১টার দিকে মিজান নামে এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে তার স্ত্রী রওশন আরাকে বলেন, তার মেয়ে হাসপাতালের ছাদ থেকে পড়ে মারা গেছেন। খবর পেয়ে রাত আড়াইটার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছেন।

তিনি আরও জানান, তার মেয়ের ব্যবহৃত দু’টি মোবাইল ফোন পাওয়া যাচ্ছে না। কানে দুল ও গলায় স্বর্ণের চেইন পাওয়া যায়নি। গাজিউল ইসলাম আরও দাবি করেন, তার মেয়েকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।

বগুড়া সদর থানার ওসি (অপারেশন) আবুল কালাম আজাদ জানান, লাশ উদ্ধারের সময় মোবাইল ফোন বা স্বর্ণের কিছু পাওয়া যায়নি। ছাত্রীর হাত-পা ভাঙা এবং মাথা ও পায়ে আঘাত রয়েছে।

এদিকে বগুড়া টিএমএসএস ম্যাটসের ছাত্রী ইসমেতারা পারভীন মুনের মৃত্যুর ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও সহপাঠীরা মেস মালিক মন্টুর বাসা ঘেরাও এবং বিক্ষোভ  করেন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful