Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৭ :: ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ :: সময়- ১০ : ২৬ অপরাহ্ন
Home / উত্তরবাংলা স্পেশাল / রংপুরে এখন বিআরটিসি’র শতাধিক লক্কর-ঝক্কর বাস

রংপুরে এখন বিআরটিসি’র শতাধিক লক্কর-ঝক্কর বাস

 স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানী ঢাকায় চলাচলকারী বিআরটিসির লক্কর-ঝক্কর মার্কা দোতলা বাসসহ প্রায় শতাধিক বাস এখন রংপুরে।

এছাড়াও অন্যান্য কোম্পানির বাসসহ প্রায় ৫ শতাধিক চলাচল অনুপযোগী বাস এখন রংপুরে। ঈদ উপলক্ষে ঢাকার বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা এ বাসগুলো  রিজার্ভ করে বাড়ি এসেছেন।তারা আবার এগুলোতে করেই ঢাকায় ফিরে যাবেন বলে জানিয়েছেন বাসে হেলপার ও ড্রাইভাররা। এ বাসগুলো আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভাড়া করা হয়েছে বলে তারা জানান। সব কিছু জেনেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পোশাক শ্রমিকরা শুধু মাত্র ঈদ উদযাপন করতে এসেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে রংপুর জেলার পীরগাছা, কাউনিয়া, গঙ্গাচড়া, মিঠাপুকুর ও সদর উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় দেড় লাখ পোশাক শ্রমিক রাজধানী ঢাকা, সাভারের ইপিজেড, গাজিপুর, বাইপাইলসহ বিভিন্ন পোশাক কারখানায় কাজ করে।

সরেজমিন রংপুর নগরীর আরকে রোড এলাকা ঘুরে দেখা যায় ট্রাক স্ট্যান্ডের পুরো এলাকা জুড়ে শুধু বিআরটিসির দোতলা আর একতলা বাস রাখা হয়েছে। বিআরটিসি ছাড়াও ঢাকার আশে-পাশে  চলাচলকারী অনেক বাসও সেখানে রাখা হয়েছে। প্রতিটি বাসে কাগজ দিয়ে ‘রির্জাভ’ লিখে রাখা হয়েছে। বিআরটিসির দোতলা বাসগুলোতে ঢাকার বনানী, মীরপুর, মহাখালি, সাভারের ইপিজেডসহ চলাচলকারী রুটের নাম উল্লেখ করা আছে।

দোতলা বাসের এক ড্রাইভার মমতাজ উদ্দিন জানান, ১ লাখ ২০  হাজার টাকায় ৫ দিনের চুক্তিতে ঈদের আগের দিন এসেছেন। যাত্রীরা সবাই পোশাক শ্রমিক। এ বাসে করেই তারা বৃহস্পতিবার ঢাকায় ফিরে যাবেন।

তিনি আরও জানান, ঈদের ৩ দিন আগে থেকে পরবর্তী ৭ দিন ঢাকায় তেমন লোকজন থাকে না। এ সময়টা অলস সময় কাটাতে হয়। তাই তারা যাত্রী নিয়ে রংপুরে এসেছেন।

আরেকটি বাসের হেলপার নকিব জানান, তারা সাভারের ইপিজেড এলাকায় দোতলা বাস চালান। তারা যাওয়া –আসা মিলিয়ে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা চুক্তিতে এসেছেন। যাত্রীরা রংপুরে নেমে তাদের বাড়ি চলে গেছে। বৃহস্পতিবার সকালে সবাই রংপুর আসলে তারা ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিবেন। একটু বেশি টাকা রোজগারের আশায় স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন না করে তারা চলে এসেছেন বলে জানান।

একটি দোতলা বাসে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় লেখা দেখা গেল। বাসটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মীরপুর পর্যন্ত যাতায়াত করে বলে হেলপার মানিক জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস কেন ভাড়া নিয়ে রংপুরে আসলো জানতে চাইলে তিনি কোনও উত্তর দিতে পারলেন না ।

একইভাবে লেদার ইঞ্জিনিয়ানিং কলেজ লেখা একটি একতলা বিআরটিসি বাস দেখা গেলেও অনেক খোঁজাখুজি করেও বাসের হেলপার বা ড্রাইভারকে পাওয়া গেল না।

দোতলা বাসের এক ড্রাইভার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এই বাসগুলো নিয়ে ঢাকা নগরীতেই চলাচল করা দুরূহ। কেন না ইজ্ঞিনের অবস্থা খুবই করুন। এ কারণে এ বাসগুলো নিয়ে ঢাকার বাইরে আসার জন্য কর্তৃপক্ষের কোনও অনুমতি লাগে না। এসব বাস ৫ শ’ কিলোমিটার দূরে আসতে পারবে এটা কর্তৃপক্ষ বিশ্বাসই করেন না। ফলে তারা বাড়তি রোজগারের আশায় যাত্রী নিয়ে এসেছেন।

মমিনা বেগম, আসমা বেগমসহ কয়েকজন পোশাক শ্রমিক জানান, ঈদের সময় ঢাকা থেকে রংপুরে আসার টিকিট যেমন পাওয়া যায় না, তেমনি ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সময়ও টিকেট পাওয়া যায় না। এ কারণে তারা বিআরটিসির দোতলা, একতলা আর বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী বাস রিজার্ভ করে আসেন। ফলে তারা নিশ্চিন্তে স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করে আবার কর্মস্থলে ফিরে যেতে পারেন।

এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোতোয়ালী থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, গাড়ি না পেলে পোশাক শ্রমিকরা কি করবে? তারা ঈদ করতে বাড়িতে আসেন। এ কারণে আমরা কিছু বলি না।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful