Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ :: ৪ আশ্বিন ১৪২৪ :: সময়- ৭ : ৪০ অপরাহ্ন
Home / উত্তরবাংলা স্পেশাল / সাপের ভয়ে ঘুমাতে পারে না বন্যাদুর্গতরা

সাপের ভয়ে ঘুমাতে পারে না বন্যাদুর্গতরা

নিয়াজ আহমেদ সিপন, লালমনিরহাট: কয়কদিন থেকে পানিতে পড়ে আছি,ঠিক ভাবে ঘুমও আসে না।রান্না করতে পারছি না। বাচ্চাদের নিয়ে বড় কষ্টে পানি মাঝেই আছি। আবার এদিকে সাপের ভয়ে ঘুমাতে পারি না। গত রাতে সাপ আমার ঘরে সারারাত ঝুলে ছিল।নড়তে পারি না সড়তেও,‘কখনজানি আমাকে এসে কামড় দেয়।

এভাবে বুধবার(১২জুলাই) সকালে কথা গুলো বলছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলার শৌলমারী তিস্তা চরের রহমান মিয়া। রহমান মিয়ার দুই ছেলে এক মেয়ে।ও স্ত্রী আছমা বেগমসহ সারারাত সাপের ভয়ে এক ঘরে ছিলেন।

ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা জানিয়েছে, ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তার পানি। এর ফলে লালমনিরহাটের প্রায় ৪০ হাজার পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছে । দীর্ঘস্থায়ী বন্যা দেখা দেওয়ায় মূলত এসব প্রাণীর উপদ্রব বেড়েছে।

এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ও অতিবৃষ্টির কারণে লালমনিরহাটের বিভিন্ন স্থানে বন্যা দেখা দিয়েছে। বন্যায় এলাকার ঝোপ ও বনজঙ্গল তলিয়ে যাওয়ায় সাপের নিরাপদ আবাস নষ্ট হচ্ছে। এ কারণে নানা প্রজাতির বিষধর ও নির্বিষ সাপ খাদ্য ও বাসস্থানের জন্য লোকালয়ে চলে আসছে।তারা এটা ধারনা করছে ভারত থেকে এসব সাপ আসতে পারে।

শৌলমারী চরের আকবর মিয়া বলেন,‘লোকালয়ে এসে সাপ কোথাও ডিম ফোটাচ্ছে কি না, সে চিন্তায় আমরা অস্থির। সাপের দংশন এড়াতে কী করণীয়, সেটাও তো ঠিকমতো জানি না। চর অঞ্চলের মানুষ হয়ে সারারাত ভয়ে রাত কাটাতে হয়। কখন যেন সাপ এসে আমার ঘরে থাকে ।আমাদের কখন দংশন করে চলে যায়।

বন্যাদুর্গত এলাকার দুজন বাসিন্দা জানিয়েছেন, বন্যাকবলিত অধিকাংশ উপজেলা পাশেই ভারতীয় সীমান্ত এলাকা। এ কারণে সেখান থেকে বন্যার জন্য অতি বিষধর প্রজাতির সাপও প্রচুর পরিমাণে তিস্তা দিয়ে  এ অঞ্চলে ঢুকেছে। বিচরণকারী সাপের মধ্যে ঢোঁড়া ও গোখরা সাপ লোকালয়ে প্রচুর পরিমাণে দেখা যাচ্ছে। সাপের ভয়ে অনেক জায়গায় জেলেরা পানিতে মাছ ধরতেও সাহস পাচ্ছেন না। এমনকি পানিতে ভেসে ভেসে এসব সাপ জনবসতিতেও ঢুকে পড়েছে।

বহুল আলোচিত বিলুপ্ত ছিটমহল আঙ্গোরপোতা-দহগ্রাম, হাতীবান্ধা উপজেলার  সানিয়াজান, গড্ডিমারী, সিঙ্গিমারী, সির্ন্দুনা, পাটিকাপাড়া ও ডাউয়াবাড়ী,  আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা, দুর্গাপুর, সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, রাজপুর,  কুলাঘাট ও কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার, কাকিনা ইউনিয়নের চর এলাকার গ্রামে বন্যার পানিতে ভেসে আসা সাপ মারার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। এসব এলাকায় জোঁকের বিচরণও বেড়েছে।

লালমনিরহাট সিভিল সার্জেন্ট আমিরুজ্জামান বলেন,‘সাপের উপদ্রব এড়াতে বন্যাকবলিত এলাকার লোকজনকে সাবধানে থাকার জন্য সচেতন করা হচ্ছে।  এ ছাড়া যদি এ-সংক্রান্ত কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে, তাহলে সহায়তা দিতে সংশ্লিষ্ট উপজেলার হাসপাতাল এবং ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিমও তৎপর রয়েছে। ‘আর উচ্চ পার্যয়ে সাপের কামড়ের ঘটনা ঘটতে পারে এমন তথ্য দিয়ে ভেকসিনের জন্য বলা হয়েছে। ভেকসিন আসলে বন্যাকবলিতএলাকার লোকজনকে সু-চিকিৎসা দিতে পারবো।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful