Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৭ :: ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ :: সময়- ১২ : ৩২ পুর্বাহ্ন
Home / উত্তরবাংলা স্পেশাল / ‘লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে ধান লাগাই’

‘লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে ধান লাগাই’

নিয়াজ আহমেদ সিপন, লালমনিরহাট: লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কতো নয় এটা একটি মরণ ফাঁদ। এ ফাঁদে পুরো জেলার মানুষ পরেছে। কেউ দেখার নেই। লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে মনে হয় গাছ অথবা ধান লাগাই।

এভাবেই বুধবার(১২জুলাই) লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক দিয়ে যাওয়া এক মোটরসাইকেল আরহী এভাবেই ক্ষিপ্ত হয়ে এসব কথা বলেন।

লালমনিরহাট বুড়িমারী মহাসড়কের মাত্র কোয়াটার কিলোমিটার পথ। পুরো মহাসড়কের মাত্র ৫ মিনিটের পথ হলেও কাদা মাড়িয়ে যেতে সময় লাগে প্রায় দুই ঘন্টা। আর ঘটছে নানা ধারণের র্দঘটনা।

সামন্য বৃষ্টিতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে এ অঞ্চলে হাজারো মানুষ। নামে জাতীয় মহাসড়ক হলেও দেখে বুঝার উপায় নেই যে এটা কোন সড়ক। যানবাহন তো দুরের কথা পায়ে হেঁটে যাওয়াই দুস্কর লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলা ব্র্যাক অফিস থেকে স্বর্নামতি ব্রীজ পর্যন্ত। পায়ে হেটে মাত্র ৫ মিনিটে অতিক্রম করার পথ হলেও দুই/ আড়াই ঘন্টা লাগছে যানবাহনে।

জানা গেছে, লালমনিরহাট বুড়িমারী মহাসড়টি সংস্কার করতে কয়েকটি ৪টি প্যাকেজে দরপত্র অনুযায়ী কাজ শুরু করে সড়ক ও জনপদ বিভাগ। গত ৫ মাস ধরে কাজ চলছে আদিতমারী উপজেলার অংশে।

পুরাতন কংক্রিট তুলে নতুন করে বসানোর কথা কংক্রিট। পুরাতন কংক্রিট তুলে ফেলতে খুড়ে ফেলা হয়েছে সড়কটি। বৃষ্টির পানি জমে তৈরী হয়েছে কাদা আর গর্ত। ফলে যানবাহন তো দুরের কথা পায়ে হেটেও যাওয়ার উপায় নেই। ভাড়ি যানবাহনগুলো এক এক করে অতিক্রম করছে। তৈরী হচ্ছে দীর্ঘ যানজটের। এ কারণে বুড়িমারী স্থলবন্ধরের ব্যবসা যাচ্ছে মন্দা।

একদিকে বৃষ্টি অন্যদিকে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটির কাজের মন্থর গতিতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে এ মহাসড়কের যাত্রীরা। কাজের মান নিয়েও এলাকাবাসী বিস্তার অভিযোগ। পুরাতন কংক্রিট তুলে নতুন করে দেয়ার কথা থাকলেও দেয়া হচ্ছে বাজেয়াপ্ত ওই সব পাথর। বালু দেয়া কথা থাকলেও মাটি দিয়ে ঢেকে দেয়া হচ্ছে। ফলে সামান্য বৃষ্টির পানিতেই কাদামাক্ত হচ্ছে এ সড়ক। অভিযোগ রয়েছে রাতে অাঁধারেও চলে এ সড়কের সংস্কার কাজ। মহাসড়কে দুই পাশ্বে মাটি ভরাট করা হচ্ছে সড়কের নিচের মাটি দিয়ে। যা সামান্য বৃষ্টিতে ধুয়ে নিচেই পড়ে যাচ্ছে।

আব্দুর রহিম নামে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানান, বাজেয়াপ্ত পুরাতন কংক্রিট দিয়ে রাতের আঁধারে কাজ করায় স্থানীয়রা বাঁধা প্রদান করেছিল। কিন্তু ঠিকাদার পুলিশ পাঠিয়ে উল্টো এলাকাবাসীকে মামলার ভয় দেখিয়েছে। এরপর এলাকাবাসী আর প্রতিবাদ করে নি। ঠিকাদার তার ইচ্ছামত কাজ করছে। কাজ তদারকি করার কোন কর্মকর্তা কাজের সময় থাকেন না বলেও জানান তিনি।

ট্রাক চালক আব্দুল হাই জানান, এটুক রাস্তা পাড় হতে এক দেড় ঘন্টা যায়। বড় বড় গর্তে পড়ে প্রায় ট্রাক/বাস বিকল হচ্ছে। এ সড়কে ট্রাক পাঠাতেও চান না মালিকরা।

বাস চালক রশিদ মিয়া জানান, এ মহাসড়ক হচ্ছে মৃত্যু ফাঁদ। পুরো বছরই কোন কোন স্থানে সমস্যা লেগেই থাকে। এক মিনিটের এটুকু পথের জন্য দুই/আড়াই ঘন্টা ধরে অপেক্ষা করছেন তিনি।

লালমনিরহাট সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজেদুর রহমান জানান, আইন সংশোধনের কারনে এ মহাসড়কের দরপত্র ২/৩ বার পুনদরপত্র করতে হয়েছে। যার জন্য কাজ শুরু হয়েছে কিছুটা বিলম্বে। আর এ বছর বৃষ্টিও অগ্রীম শুরু হওয়া এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। কাজের মানের বিষয়ে তিনি বলেন, শুরুতে বালুর মান নিয়ে সমস্যা ছিল। তা এখন আর নেই। সংস্কার কাজ চললে যাত্রীদের যাত্রীদের কিছুটা কষ্ট হয় যা মেনে নিতে হয় এবং হবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful