Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৯ :: ৩ শ্রাবণ ১৪২৬ :: সময়- ১ : ৪৩ অপরাহ্ন
Home / জাতীয় / রংপুরে ২১ বাল্য বিয়ের ঘটনা ধামা-চাপা দিতে মরিয়া কাজীরা!

রংপুরে ২১ বাল্য বিয়ের ঘটনা ধামা-চাপা দিতে মরিয়া কাজীরা!

ballo beyeবদরগঞ্জ প্রতিনিধি: রংপুরের বদরগঞ্জে বাল্য বিয়ের ঘটনা ধামা-চাপা দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন উপজেলার কাজীরা। তারা গত রোববার স্থানীয় এমপি আনিছুল ইসলাম মন্ডলের বাসভবনে গিয়ে তাঁর সাথে দেখা করেছেন। তারা এমপি’র কাছে অভিযোগ করেন, অযথা কাজীদের হয়রানী করছেন ইউএনও ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার।

হয়রানী থেকে মুক্তি না পেলে তারা উপজেলায় বিবাহ নিবন্ধন থেকে বিরত থাকার ঘোষনা দেন এমপিকে। পরে এমপি কাজীদের পক্ষ নিয়ে ইউএনও’র সাথে কথা বলেন। ফলে ছয় মাসে এক মাদ্রাসার ২১ জন ছাত্রীর বিয়ে নিবন্ধনের ঘটনার সঠিক তদন্তে ব্যাঘাত সৃষ্টি হওয়ার আশংকা রয়েছে।

জানা গেছে, বদরগঞ্জ উপজেলার ৯নং দামোদরপুর ইউনিয়নের আফতাবগঞ্জ দাখিল মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেনীর ২১জন ছাত্রীর বিয়ে হয় ছয় মাসে । এনিয়ে গত ২২ জুলাই কয়েকটি জাতীয় পত্রিকায় খবর প্রকাশ হলে উপজেলায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ওই দিনেই ইউএনও খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার রোকসানা বানু হাবীবকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন । ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন ইউএনও অফিসে জমা দেওয়ার কথা ছিল।

তদন্ত অফিসার রোকসানা বানু হাবীব জানান, সঠিক তদন্তের স্বার্থে আরো এক মাস সময় নেওয়া হয়েছে ইউএনও স্যারের কাছ থেকে। সোমবার পৌর শহরের তিনজন কাজীকে তাদের নিবন্ধন রেজিষ্টার নিয়ে অফিসে ডাকা হয়ে ছিল। কিন্তু তারা আসেননি। তারা হলেন, পৌর শহরের কাজী আজহারুল ইসলাম, মোকছেদুল হক ও খাদিমুল ইসলাম।

একটি সূত্র জানায়, কাজী আজহারুল ও মোকছেদুল হকও ওই ২১ জন ছাত্রীর মধ্যে কয়েকটি বিয়ে নিবন্ধন করেছেন। একারনে তারা তাদের নিবন্ধন রেজিষ্ট্রার নিয়ে তদন্ত অফিসারের কাছে যেতে ভয় পাচ্ছেন। ফলে উপজেলার সকল কাজী একহয়ে সঠিক তদন্তের ব্যাঘাত সৃষ্টির যড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন।
উপজেলা জামায়াতের প্রচার সম্পা‌দক ও উপজেলা কাজী সমিতির সাধারণ সম্পা‌দক আব্দুল মাবুদের নেতৃত্বে উপজেলা কাজীরা রোববার দুপুরে এমপি আনিছুল ইসলাম মন্ডলের বাসভবনে গিয়ে তাঁর সাথে দেখা করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কাজী জানান, যাতে গতকাল তিনজন কাজীকে তাদের রেজিষ্ট্রার নিয়ে তদন্ত অফিসারের কাছে যেতে না হয়, সে জন্য আগেরদিন এমপির সাথে দেখা করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আর যেন কোন কাজীকে হয়রানী করা না হয় এজন্য এমপিকে অনুরোধ করা হয়। তার পরও যদি হয়রানী করা হয়, তাহলে উপজেলা কোন বিবাহ নিবন্ধন করা হবে না বলে এমপিকে জানানো হয়। এর পর এমপি আনিছুল ইসলাম আমাদের সামনে মুঠোফোনে ইউএনও স্যারের সাথে কঠোর ভাষায় কথা বলেছেন।

তবে ইউএনও খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ বলেন, পত্রিকায় খবর প্রকাশ হওয়ায় উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ২১জন ছাত্রীর বাল্য বিয়ের তদন্ত চলছে। এঘটনাকে ধামা-চাপা দিতে কাজীরা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন। ইউএনও বলেন, এমপি স্যারকে ভূল বুঝিয়ে কোন লাভ হবে না। তদন্তে বাল্য বিয়ে নিবন্ধনে প্রমানিত পাওয়া গেলে অভিযুক্ত কাজীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এব্যাপারে এমপি আনিছুল ইসলাম মন্ডলের সাথে সোমবার দুপুরে মুঠেফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কাজীরা আমার সাথে দেখা করে তদন্ত অফিসারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। আমি বিষয়টি দেখতে চেয়েছি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পত্রিকায় প্রকাশিত ২১জন ছাত্রীর বিয়ে নিবন্ধনের সাথে যারা জড়িত, আমিও তাদের শাস্তি চাই। যাতে উপজেলায় আর কোন বাল্য বিয়ের ঘটনা না ঘটে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful