Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০ :: ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ১২ : ৪৩ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / দিনাজপুরে উপমহাদেশের সর্ব বৃহত্তম ঈদ জামাতের প্রস্তুতি

দিনাজপুরে উপমহাদেশের সর্ব বৃহত্তম ঈদ জামাতের প্রস্তুতি

 শাহ্ আলম শাহী, স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর থেকেঃ উপমহাদেশের সর্ব বৃহত্ত ঈদ-উল-আযহা’র প্রধান জামাত এবার অনুষ্ঠিত হবে দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানের । ঈদের দিন সকাল সাড়ে ৮টায় এ জামাত অনুষ্ঠিত হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসনের গঠিত সমন্বয় কমিটি।

সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদ-উল-আযহা’র আদায়ের লক্ষে ইতো মধ্যে মাঠ পরিচর্যার কাজ শুরু হয়েছে। মাঠের মাটি ও বালু’তে লাগানো হচ্ছে ঘাস।

দিনাজপুর জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল আযহা উদযাপন প্রস্তুতিমূলক এ সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ঈদ-উল-আযহা’র প্রস্তুতিমূলক সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম। বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ গোলাম রাব্বী, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইমাম চৌধুরী, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মোঃ মাসুদ রানা, দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান মিজান, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলতাফুজ্জামান মিতা, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম, দিনাজপুর চেম্বারের সভাপতি রেজা হুমায়ুন ফারুক চৌধুরী শামীম, সাবেক সভাপতি মোঃ মোসাদ্দেক হুসেন, দিনাজপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ ওয়াহেদুল আলম আটিষ্ট, সাধারণ সম্পাদক শাহিন হোসেন, জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সাখাওয়াত হোসেন সরকার, দিনাজপুর জেলা চামড়া ব্যবসায়ী মালিক গ্রুপের সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের যুব-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক তৈয়ব উদ্দীন চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ জহির শাহ্, চ্যানেল আই’র স্টাফ রিপোর্টার শাহ আলম শাহী, ইউনিটি ফর এনজিওস দিনাজপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহাদৎ হোসেন শাহ্, কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ রাহিনুর ইসলাম, দিনাজপুর ফটো জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নুর ইসলাম, ছাত্র সংগঠক আহসানুজ্জামান চঞ্চল, আওয়ামী লীগ নেতা হাজী মোঃ আখতারুজ্জামান পলাশ প্রমূখ। উক্ত প্রস্তুতিমূলক সভায় আসন্ন ঈদ-উল-আযহার নামাজসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। এ সময় দিনাজপুরের সরকারী-বেসরকারী দপ্তরের প্রধানগণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, ইমাম, এনজিও প্রতিনিধি, বিজিবি প্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদ-উল-আযহা’র আদায়ের লক্ষে ইতো মধ্যে মাঠ পরিচর্যার কাজ শুরু হয়েছে। মাঠের মাটি ও বালু’তে লাগানো হচ্ছে ঘাস।

ঈদ উল-ফিতরে এ মাঠে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মুসল্লির সমাগমে অনুষ্ঠিত হয় উপমহাদেশের সর্ববৃহত্তম ঈদের জামাত।উপমহাদেশের সর্ববৃহত এই ঈদের জামাত কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেল সরাসরি সম্প্রচার করে।

এটা নিশ্চিত যে বাংলাদেশের বৃহত্তম মাঠ, দিনাজপুরে। পুরো মাঠের মোট আয়তন ৭৮ একর। মহারাজা প্রাণনাথের নামানুসারে প্রাণনাথপুর ও খামার ঝাড়বাড়ী মৌজায় এর অবস্থান। দ্বিতৃীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর উত্তর ফ্রন্টের বৃহৎ সমাবেশ এখানে ঘটেছিল বলে সি এস রেকর্ড এ ভারত স¤্রাট পক্ষে মিলিটারি ডির্পাটমেন্ট এর নামে প্রায় ৬২ একর এবং ১৬ একর ভারত স¤্রাট নামে প্রকাশিত হয়। ইংরেজ আমলে উত্তর দিকে নির্মিত হয় খাদ্য গুদাম। যা অবিভক্ত দিনাজপুরের খাদ্য গুদাম ছিল। এ মাঠের মাঝ ভাগে চেহেলগাজীর সমসাময়িক ইসলাম প্রচারক শাহ আমির উদ্দীন ঘুরী ( র:) মাজার আছে যিনি ঘোড়ায় চড়ে দিনাজপুরে ইসলাম প্রচার করেন এবং সেজন্য এ মাঠের নামকরণ হয় গোর এ শহীদ ময়দান। উনিশ শতকের মাঝামাঝি এখানে ইউরোপিয়ান সাহেবদের জন্য স্টেশন ক্লাব স্থাপিত হয়। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় হতে এ মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১৯৬২ সালে এ মাঠে হেলিকাপ্টার সার্ভিসের জন্য হেলিপোর্ট নির্মিত হয়। দেশ স্বাধীনের পর জেলার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ নির্মিত হয় এখানেই। ১৯৮৬ সালে এ মসজিদের পাশে তেভাগা আন্দোলনের নেতা দিনাজপুরের কৃতি সন্তান হাজী মোহাম্মদ দানেশ সমাহিত হন। কোম্পানি আমলে এ মাঠে ঘৌড় দৌড় অনুষ্ঠিত হতো এবং পাক আমলে নর নারায়ণ শীল্ড ফুটবল প্রতিযোগিতা হতো বলে জানা গেছে। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনের পর ২০ ডিসেম্বর এ মাঠে দিনাজপুরে প্রথম পতাকা উত্তোলন করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহচর,মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও সংবিদান প্রনেতা মরহুম এম.আব্দুর রহিম। ঐতিহাসিক এ মাঠের পশ্চিম পার্শ্বে রাজদের নির্মিত হয় জুলুম সাগর প্রসাদ, সার্কিট হাউজ এবং কালেক্টর বাসভবন যা দিনাজপুর ভবন নামে পরিচিত। সুতরাং ইতিহাস আর ধর্মীয় দিক থেকে সমৃদ্ধ এ মাঠ। দিনাজপুরের জিরো পয়েন্ট এটি। নির্মল বাতাস, খোলা আকাশ আর সবুজের সমারোহে দৃষ্টি নন্দন এটি পরিনত হয়েছে “লিভার অব দি টাউন” হিসেবে। আর এ মাঠেই অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদ-উল-ফিতরে এশিয়ার বৃহত্তম ঈদের জামাত।এবারো ঈদ-উল-আযহা’য় হবে এশিয়ার বৃহত্তম জামাত। হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি’র নেতৃত্বে এর আগাম প্রস্তুতিও নেয়া হয়েছে।

 

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful