Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২০ :: ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ১ : ১৯ অপরাহ্ন
Home / রংপুর / কাউনিয়ায় বন্যায় ২০ হাজার পরিবার পানিবন্দি

কাউনিয়ায় বন্যায় ২০ হাজার পরিবার পানিবন্দি

সারওয়ার আলম মুকুল,কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি ঃ তিন দিনের টানা প্রবল বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে কাউনিয়া উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের বন্যা দেখা দিয়েছে। বন্যায় প্রায় ২০ হাজার পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। ভেঙ্গেগেছে রাস্তাঘাট,তলিয়ে গেছে আমন ধান ও মাছের খামার। তিস্তার পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুই করছে যে কোন সময় অতিক্রম করতে পারে।

সরেজমিনে বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে উপজেলার চর চতুরা, চর নাজিরদহ, পল্লীমারী, চর গদাই, পাঞ্জরভাঙ্গা, গুপিডাঙ্গা, আরাজি হরিশ্বর, প্রাননাথচর, চর ঢুসমারা, হয়বত খাঁ, চর গনাই, টাপুর চর, বিশ্বনাথ চর, আজম খাঁ, হরিচরন শর্মা, রাজিব অংশ ৪,নিজপাড়া, তালুকশাহবাজ গ্রামে তিস্তা নদীর পানি ঢুকে বন্যা কবলিত হয়ে হাজার হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। সেই সাথে বিভিন্ন ইউনিয়নের রাস্তা ঘাট ভেঙ্গে গেছে, তলিয়ে গেছে আমন ধান, বীজতলা, সবজি ক্ষেত, নার্সারী বাগান, মাছের খামার ও পুকুর। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির অভাব সেই সাথে গোখাদ্য সংকট তীব্র আকার ধারন করেছে। বন্যা কবলিত এলাকায় এখন পর্যন্ত সরকারী কোন ত্রান সামগ্রি পৌছায় নাই। উপজেলা কৃষি আফিসার শামিমুর রহমান জানান উপজেলায় এ পর্যন্ত ১২ হাজার হেক্টর আমান ধান ও ১০ হেক্টর বীজতলা তলিয়ে গেছে,সেই সাথে কিছু কিছু নার্সারী ও সবজি ক্ষেত তলিয়েগেছে। যে হারে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতেকরে আরও ১০ হাজার হেক্টর ধান ক্ষেত তলিয়ে যেতে পারে। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহাবুব উল আলম জানান টানাবৃষ্টি ও নদীর পানি বৃদ্ধিপাওয়ায় জলবদ্ধতায় উপজেলার শতাধিক ছোট বড় মাছের খামার ও ২শতাধিক পুকুর তলিয়ে গেছে ভেসে গেছে খামারের মাছ।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আমিনুল আসলাম জনান, তিস্তা সেতু পয়েন্টে নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম না করলেও ১সেন্টি মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে যে হারে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে করে রাতের মধ্যে অতিক্রম করতে পারে।

টেপামধুপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম জানান, নদীর পানি বৃদ্ধিপেয়ে ইতি মেধ্যে চরাঞ্চলসহ বেশ কিছু গ্রামে বন্যা দেখা দিয়েছে এবং ৫০০০ হাজার পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। সেই সাথে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙ্গন। ইতি মধ্যে ইউনিযন পরিষদ থেকে অল্প কিছু শুকনা খাবার ব্যবস্থা করা হয়েছে, উপজেলা পরিষদ থেকে কোন বরাদ্দ পায়নি।

বালাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আনছার আলী জানান, ইউনিয়নের ৮টি গ্রামে বন্যা দেখা দিয়েছে। ঢুসমারা চরে সবকটি পরিবার পানির নিচে এবং ইউনিয়নের প্রায় ৩০০০ পরিবার পানি বন্দি হয়ে পরেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপঙ্কর রায় জানান, বন্যা কবলিত এলাকার জন্য পূর্বের যে বরাদ্দ দেয়া ছিল তা দেয়া হবে এবং নতুন করে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসক বরাবরে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful