Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২০ :: ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ৪ : ৪৩ অপরাহ্ন
Home / ক্যাম্পাস / রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সমিতির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি চিঠি

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সমিতির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি চিঠি

 স্টাফ রিপোর্টার: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির বেশিরভাগ সদস্যের আপত্তির পরেও সভা অনুষ্ঠিত হওয়ায় তাকে কেন্দ্র করে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর কাছে পাল্টাপাল্টি দুইটি চিঠি পাঠিয়েছে শিক্ষক সমিতির দুই অংশ।

বুধবার দুপুরে শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. আবু ছালেহ মোহাম্মদ ওয়াদুদুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত ছয়টি দাবি সম্বলিত একটি চিঠি উপাচার্য বরাবর প্রেরণ করা হয়। একই দিন সমিতির কার্যনির্বাহী সংসদের সভা পুনরায় করার দাবি জানিয়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ, রেজিস্ট্রার এবং উপাচার্য বরাবর অন্য একটি চিঠি পাঠিয়েছেন সমিতির সহ-সভাপতি পরিমল চন্দ্র বর্মণসহ নির্বাহী কমিটির অন্য আট সদস্য। ফলে ১৩ আগস্ট ২০১৭ তারিখে অনুষ্ঠিত সভার বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

জানা যায়, অধিকাংশ সদস্যের আপত্তি সত্ত্বেও গত ১৩ আগস্ট শিক্ষক সমিতির কার্যকরী সংসদের সভা করায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে কার্যকরী সংসদের ১৫ সদস্যের মধ্যে আট জন শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর ১৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত সভা পুনরায় ডাকার আহবান জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন। গত বুধবার সভাপতি/সাধারণ সম্পাদককে দেয়া ওই চিঠির অনুলিপি তাঁরা উপাচার্যের পিএস এবং রেজিস্টারকেও দেন। ১৬ আগস্টের চিঠিতে স্বাক্ষর করেন শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি ড. পরিমল চন্দ্র বর্মণ, যুগ্ম-সম্পাদক আতিউর রহমান, কার্যকরী সদস্য প্রফেসর ড. আর এম হাফিজুর রহমান, ড. নুর আলম সিদ্দিক, ছদরুল ইসলাম সরকার, মুহাম্মদ শামসুজ্জামান, মোঃ হান্নান মিয়া ও আসিফ আল মতিন।

চিঠিতে তারা জানান, বিগত ১৩ আগস্ট শিক্ষক সমিতির সদস্য ও কম্পিউটার এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক প্রদীপ কুমার সরকার এর বিয়ের অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকের দাওয়াত থাকায় উক্ত শিক্ষকবৃন্দ ওই দিন সমিতির সভা আহবান না করার অনুরোধ জানান। এবিষয়ে সমিতির সভাপতি সদস্যদের সম্মতিও জানিয়েছিলেন। কিন্তু গত ৯ আগস্ট তারিখে আকষ্মিকভাবে ওই তারিখে সভা আহবান করলে উক্ত সদস্যবৃন্দ সাধারণ সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং তিনি বিয়ের দাওয়াতের বিষয়টি ভুলে গিয়েছিলেন বলে সদস্যদের জানান এবং সভার তারিখ পরিবর্তনের জন্য মৌখিকভাবে আশ্বস্থ করেন। সে অনুযায়ী সমিতির অধিকাংশ সদস্য ১৩ আগস্ট তারিখে নাটোরে বিয়ের দাওয়াতে অংশ নিতে গেলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ১৫ সদস্যের মধ্যে আট জনের অনুপস্থিতিতে সভা করেন।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সমিতির যুগ্ম-সম্পাদক আতিউর রহমান বলেন, ‘শিক্ষক সমিতির অধিকাংশ সদস্যের আপত্তি সত্ত্বেও সভা করা ঠিক হয় নি। তাছাড়া শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মোবাইল ফোনে তারিখ পরিবর্তনের আশ্বাস প্রদান করার পরেই আমরা বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। তার পরেও সমিতির অর্ধেকের কম সদস্যকে নিয়ে সভা করা উদ্দেশ্যমূলক। শিক্ষক-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কেন কার্যকরী সংসদের বেশিরভাগ সদস্যের মতামত উপেক্ষা করা হলো সেটা ভেবে দেখার বিষয়।’

দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. তুহিন ওয়াদুদ বলেন, শিক্ষকদের আপগ্রেডেশন/প্রমোশনের বিষয়টি দীর্ঘদিন থেকে ত্রুটিপূর্ণ রয়েছে। নিয়মানুযায়ী যোগ্যতা অর্জনের দিন থেকে সুযোগ সুবিধা পাওয়ার কথা থাকলেও ২৭ জন শিক্ষককে তা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। বিষয়টি সমাধানে আমরা নির্ধারিত সময় বেধে দিয়েছি। আশা করি শিক্ষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন আন্তরিক হবে। তবে সমিতির কিছু সদস্যের অনুপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেয়ার বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বলেন, শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে প্রথমে একটি চিঠি পেয়েছি। চিঠিতে যে দাবিগুলো উল্লেখ করা হয়েছে তার বেশ কয়েকটি বাস্তবায়নে পূর্বেই কাজ শুরু হয়েছে। তবে সমিতির ওই সভার প্রতিবাদে আট জন সদস্য স্বাক্ষরিত আরো একটি চিঠি এসেছে। যার কারনে মনে হয়ে হয়েছে প্রথম চিঠিতে সমিতির সবার মতামতের প্রতিফলন হয়নি। সেক্ষেত্রে সেগুলোকে শিক্ষক সমিতির দাবি হিসেবে মনে করছি না।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful