Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০ :: ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ৯ : ০১ পুর্বাহ্ন
Home / নীলফামারী / নীলফামারীর পল্লীতে কনেকে ঘরে তুলে বরের আত্মহত্যা

নীলফামারীর পল্লীতে কনেকে ঘরে তুলে বরের আত্মহত্যা

ইনজামাম-উল-হক নির্ণয়, নীলফামারী ১৮ আগষ্ট॥ কণেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘরে তুলেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বর হামিদুল ইসলাম(২৭)। আজ শুক্রবার সকাল ১১টার নীলফামারীর ডোমার উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিন জোড়াবাড়ী ফকিরপাড়া গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ বিকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে।
জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাচান আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার (১৭ আগষ্ট) সন্ধ্যার পর উপজেলার ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের নিজ ভোগডাবুড়ী গ্রামের রুহুল আমীনের মেয়ে রিপা আক্তার (২২) এর সাথে চার লাখ ৫০ হাজার টাকা দেন মোহরে জোড়াবাড়ি ইউনিয়নের দক্ষিন জোড়াবাড়ী গ্রামের ফকিরপাড়ার মৃত. ইউনুস আলীর ছেলে হামিদুল ইসলামের আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের রাতে বরপক্ষ নববধু কনেকে তাদের বাড়ি নিয়ে আসে। আজ শুক্রবার ছিল বরের বাড়িতে বৌভাত অনুষ্ঠান। বৌ ভাতের অনুষ্ঠানের জন্য গরু খাঁসী জবাই করে রান্নার কাজ শুরু করা হয়। বৌভাতের অনুষ্ঠানের পরিবারের লোকজনের যখন উৎসব আনন্দ চলছিল ঠিক সে সময় সকাল ১১টায় বাড়ির লোকজন দেখতে পায় সকলের অগোচরে বর হামিদুল ইসলাম গ্রামের প্রতিবেশী মফিজুল এর বাড়ির মালখানা ঘরের তীরে গলায় রশি দিয়ে ঝুলছে। এই ঘটনায় বৌভাত অনুষ্ঠানের আনন্দ শোকে পরিনত হয়। আনন্দ উৎসবের স্থলে পরিবারের লোকজন সহ গ্রামবাসী কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। স্বামীর আত্মহত্যার কথা শুনে কনে চিৎকার করে কান্না কাটি সহ বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলছিল। খবর দিয়ে কনের বাবা ও বড়ভাইকে নিয়ে আসা হয়।

মফিজুলের স্ত্রী রাহেনা বেগম জানান, আমরা সকলে বৌভাতের অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। বর হামিদুলও কাজ করার ফাকে তার খুব ঘুম পেয়েছে জানিয়ে তাদের বাড়িতে কখন চলে গেছে সেটি বলতে পারেনা। বাড়ির লোকজন তার খোঁজ নিতে গিয়ে লাশ ঝুলতে দেখে।

পারিবারিক সুত্র মতে, বর হামিদুল গত দুই বছর আগে বিএ পরীক্ষা দিলেও সে পাস করতে পারেনি। ফলে সে বাড়িতে কৃষি কাজের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। দুই ভাই দুই বোনের মধ্যে হামিদুল ছিল তৃতীয়। তার আর কনে রিপা আক্তার চিলাহাটি সরকারী কলেজের বিএ প্রথম বর্ষের ছাত্রী।

এ বিষয়ে কনে রিপা আক্তার কান্না জড়িত কন্ঠে জানায়, সে (হামিদুল) নিজেই পছন্দ করে প্রস্তাব দিয়ে পারিবারিক আলোচনার আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৭ আগষ্ট) রাতে তাদের বাড়িতে নিয়ে আসে। রিপা আরো জানায় রাতে স্বামীর সঙ্গে অনেক গল্প হয়েছে। সে সময় স্বামী তার কিছু শারিরিক সমস্যার কথা তাকে খুলে বলে। সে চিকিৎসায় ভাল হবে এই কথা বলে স্বামীকে আশ্বস্ত করে। সকালে হাসিখুশীতে বৌভাতের আয়োজনের সহযোগীতার কাজেও ব্যস্ত ছিল স্বামী। কিন্তু কেন কি কারনে তার স্বামী আত্মহত্যা করলো তা কনে রিপাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে বার বার।
হামিদুলের মা বৃদ্ধা ছালেমা বেওয়া কান্না বিজরিত কন্ঠে বলেন, ছেলের পছন্দ করা মেয়ের সঙ্গে বিয়ে দিলাম। তারপরেও এমন কি হলো যে ছেলে গলায় দঁড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করলো?

ডোমার থানার ওসি মোকছেদ আলী জানান, দুপুর পর খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে এসে বিকাল ৫টায় গলায় ফাঁস লাগানো দঁড়িতে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful