Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২০ :: ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ৮ : ২৬ পুর্বাহ্ন
Home / রংপুর / গঙ্গাচড়ায় তিস্তার ভাঙ্গনে ৫ শতাধিক ঘরবাড়ী বিলীন

গঙ্গাচড়ায় তিস্তার ভাঙ্গনে ৫ শতাধিক ঘরবাড়ী বিলীন

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি: রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তা ও ঘাঘট নদীর পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। তবে বন্যা কবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, শিশু খাদ্য, গোখাদ্য ও খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। প্রয়োজনের তুলনায় বানভাসিদের জন্য মিলছে না প্রয়োজনীয় ত্রাণ। অপরদিকে তিস্তার ভাঙ্গন অব্যহত রয়েছে। সম্প্রতি বন্যায় একদিনের ব্যবধানে উপজেলার নোহালী ইউনিয়নে ৩শ ৫০, আলমবিদিতর ইউনিয়নে ১০, কোলকোন্দ ইউনিয়নে ১০, লক্ষ্মিটারী ইউনিয়নে ১শ ১৭, মর্ণেয়া ইউনিয়নে ৪০টি ঘরবাড়ীসহ ৩০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ঘরবাড়ী ভাঙ্গনে পরিবারগুলো বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উচুঁ জায়গা, বাঁধের উপর ও আত্মীয় স্বজনদের বাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছে। পরিবার পরিজন নিয়ে তারা অর্ধাহারে অনাহারে দিনাতিপাত করছেন।

 শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নোহালী ইউনিয়নের চর নোহালী গ্রাম সম্পর্ণ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বাঘা মোকলেছ, শহিদুল, আকতারুল, ওহাব, কাল্টু, মুন্সি, এজারুল, ওয়ারেছ, বাটুল, দুখু, শুখু, মোসলেম, মিনার, জলিল, আলম, টুটুল, ফরিজন, জাহানারা, নুরজাহানসহ ৩শ ৫০ পরিবার, কোলকোন্দ ইউনিয়নের সাউদপাড়া গ্রামের আছাদুল হক আনছারী, আলেফ উদ্দিন, রাশেদা বেওয়া, রুহুল ইসলাম, রেয়াজুল ইসলাম, আবু ছায়েদ, আবু তালেব ও আতিয়ারসহ ১০টি পরিবার, লক্ষ্মিটারী ইউনিয়নের চল্লিশসার গ্রামের ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর, তবারক, আনিছুর, রফিকুল, নুর ইসলাম, মশিয়ার, নবীর, এনতাদ, ছালাম, কান্দুরা মুন্সিসহ ১শ ১৭ পরিবার, মর্ণেয়া আলেমার বাজার গ্রামের বাবুল, তাজাম্মল, আজহারুল, জাহানারা, বাবর আলী, নয়া মিয়াসহ ২০ জনের ঘরবাড়ী ও আশেকুলসহ ৪০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

নোহালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ টিটুল জানান, সম্প্রতি বন্যায় ১ দিনের ব্যবধানে নোহালী ইউনিয়নের চর নোহালী এলাকার ৩শ ৫০ পরিবারের ঘরবাড়ী নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। দেখা দিয়েছে খাদ্য সংকট। লক্ষ্মিটারী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম জানান, বন্যায় চল্লিশসাল গ্রামের ১শ ১৭ জনের ঘরবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এদিকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে সরকারি ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমিনুল ইসলাম ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বাবুল চন্দ্র রায় নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful