Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০ :: ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ৩ : ১৮ অপরাহ্ন
Home / খোলা কলাম / এরশাদ কি বর্তমান রাজনীতির বিকল্প হতে পারেন?

এরশাদ কি বর্তমান রাজনীতির বিকল্প হতে পারেন?

বিভুরঞ্জন সরকার

 সাবেক স্বৈরশাসক এবং জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মতিগতি বোঝা সহজ কাজ নয়। কেউ বলেন তিনি রাজনীতির এক ঘোরেল খেলোয়াড়, কারো ধারনা নীতিহীনতার মূর্ত প্রতীক এরশাদ রাজনীতির এক আবর্জনা। আবর্জনা রিসাইক্লিং করে যেমন বিদ্যুৎ থেকে শুরু করে অন্য উপকরণ তৈরি করা যায়, তেমনি এরশাদেরও রিসাইক্লিং দরকার ছিল। তা না হওয়ায় রাজনীতিতে দুর্গন্ধ ছড়ানো থেকে তাকে বিরত রাখা যাচ্ছে না।

বন্দুকের জোরে ক্ষমতা দখল করে এরশাদ দেশের প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন। প্রবল গণআন্দোলনের মুখে তার পতন হয়েছিল। পতিত শাসকরা সাধারণত রাজনীতিতে আর পুনর্বাসিত হওয়ার সুযোগ পান না। বাংলাদেশ সব সম্ভবের দেশ বলেই এরশাদ এখনও রাজনীতি করছেন এবং বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ক্যারিকেচার করে আলোচনায় থাকার চেষ্টা করছেন।

তিনি বিরোধী দলের নেতার মতো বক্তৃতা দেন, আবার মন্ত্রীর মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর দূত হিসেবেও আছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর হয়ে কোথায় কি দূতিয়ালি করেন সেটা আমার মতো আম পাবলিকের জানার কথা নয়। খামোখা তিনি ওই পদে আছেন। প্রধানমন্ত্রী রুষ্ট হয়ে বাদ না দিলে তিনি ওই পদ ছাড়বেন না। তার পদের লোভ প্রবল।

ইদানীং হু মু এরশাদ বলতে শুরু করেছেন , ‘আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ওপর মানুষের আস্থা নেই।’ তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টি এককভাবে অংশগ্রহণ করবে। এরশাদ ৫৮ দলীয় একটি জাম্বু সাইজের জোট গঠনের ঘোষণা দিয়ে রাজনীতিতে বিরাট ঢেউ তোলার যে আশা করেছিলেন, তা হয়নি।

৫৮ দল থেকে ২১+১১ দল বের হয়ে যাওয়ার কথাও জানা গেছে। রাজনীতিতে নিজের উপস্থিতি দৃশ্যমান করতে এরশাদ ভবিষ্যতে যে আরও কিছু করবেন না, সে নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারবে না। এরশাদের আশা, আগামী নির্বাচনে দেশের মানুষ জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় বসাবে।

এরশাদ সাহেব ছাড়াও সিপিবিসহ কয়েকটি বামপন্থী দল বা দলাংশও ‘নতুন’, ‘তৃতীয়’ বা ‘বিকল্প’ রাজনৈতিক শক্তির কথা অনেকদিন ধরেই বলে আসছে। সিপিবি এবং বাসদ মিলে একটি ‘বাম বলয়’ গড়ে তোলার জন্য উদ্যোগী হয়েছে। কিছু কিছু রাজনৈতিক কর্মসূচিও তারা পালন করছে, তবে তাদের পেছনে ব্যাপক জনসমর্থনের কোনো প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না।

বেশ কিছুদিন ধরে সিপিবি নেতারা আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে দেশের জন্য ‘আপদ’-‘বিপদ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বক্তৃতা করছেন। মানুষ তাদের এই বক্তৃতা শুনে ‘আপদ-বিপদ’ থেকে দূরে থাকার জন্য সচেষ্ট হয়েছে, দৃশ্যত এমন কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

মানুষ কেন বিপদ-আপদ থেকে বেরিয়ে আসছে না— সেটা এক বড় প্রশ্ন। বামপন্থী দলগুলো দেশের ক্ষমতার রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করার মতো শক্তি কবে অর্জন করবে— সে প্রশ্নের জবাব কোনো রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ কিংবা রাজনৈতিক জ্যোতিষীর পক্ষেই দেওয়া সম্ভব নয়।

সাবেক তুখোড় ছাত্র নেতা, ডাকসুর সাবেক সহসভাপতি, আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ঢুকে যিনি খুব সুবিধা করতে পারেননি, সেই মাহমুদুর রহমান মান্নাও নতুন রাজনৈতিক শক্তির স্বপ্ন দেখে মাঠে নেমেছেন।

প্রশ্ন হচ্ছে, দেশের মানুষ কি সত্যি আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তির উন্মেষ দেখতে চাইছে, না রাজনীতি যে বিপজ্জনক বৃত্তের মধ্যে বন্দি হয়ে ঘুরপাক খাচ্ছে, সেই বৃত্ত ভাঙতে চাইছে? বৃত্ত ভাঙার জন্য জরুরি কি নতুন একটি দল, না নতুন ধারার রাজনীতি এবং সময়োপযোগী ও বাস্তবভিত্তিক রাজনৈতিক কর্মসূচি?

আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারছে না, তারা রাজনীতিকে বিবাদ ও সংঘাতের বিষয়ে পরিণত করে ফেলেছে— এ সব কথা নতুন নয়। বিভিন্ন মহল থেকে অনেকদিন থেকেই এসব কথা নানাভাবে বলা হচ্ছে।

নতুন রাজনৈতিক শক্তি অথবা বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি কিংবা রাজনীতিতে তৃতীয় ধারা ইত্যাদি কথাগুলো গত কয়েক বছর ধরেই আমরা শুনে আসছি। আওয়ামী লীগ-বিএনপির বাইরে তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে কিছু উদ্যোগও বিভিন্ন সময় নিতে দেখা গেছে ।

সেসব উদ্যোগের পরিণতি কী হয়েছে তাও আমরা জানি। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইনজীবী, স্বাধীনতার পর দেশের সংবিধান প্রণয়নে যিনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্নেহধন্য হিসেবে মনে করা হয়, সেই ড. কামাল হোসেনও অনেক ঢাকঢোল পিটিয়ে বিকল্প রাজনীতি বা ভালো রাজনীতি উপহার দেয়ার জন্য নতুন দল গঠন করেছিলেন।

প্রথম দিকে কিছুটা আলোড়ন সৃষ্টি করতে পারলেও বর্তমান সময়ে ‘গণফোরাম’ সম্পর্কে ড. কামাল হোসেন নিজেও নিশ্চয়ই কোনো আশাবাদী মন্তব্য করবেন না। তবে ‘ভালো’ রাজনীতির কথা তিনি বলা অব্যাহত রেখেছেন— যা মানুষের মনে তেমন একটা দাগ কাটে না। মানুষ এখন তাকে বরং হাসিনাবিরোধী এবং খালেদাদরদি বলেই মনে করে।

বিএনপি-জামায়াত জোট শাসনের শেষ দিকে দেশে রাজনৈতিক সঙ্কট প্রকট হয়ে উঠলে ‘মাইনাস টু থিওরি’ নিয়ে অনেক কথা শোনা গিয়েছে। নানা মহল থেকে নানাভাবে এটা প্রচার করা হয় যে, আমাদের দেশের রাজনীতিতে যে-সব সঙ্কট মাঝে-মধ্যে তীব্র হয়ে ওঠে বা মাথাচাড়া দেয় তার জন্য প্রধানত দায়ী হচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

কাজেই রাজনীতি থেকে হাসিনা-খালেদাকে বাদ দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। রাজনীতি স্বচ্ছ ধারায় এগিয়ে যেতে থাকবে। দেশ দুর্নীতিমুক্ত হবে। সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। সকল পর্যায়ে জবাবদিহি নিশ্চিত হবে। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিকাশ ঘটবে। স্বজনপ্রীতি-গোষ্ঠীপ্রীতি-দলীয়করণ বন্ধ হবে। সব ধরনের দুঃশাসনের অবসান ঘটবে।

এ সব প্রত্যাশা থেকেই সম্ভবত হাসিনা-খালেদাকে রাজনীতি থেকে বাদ দেয়ার উদ্যোগ সাড়ম্বরে নেয়াও হয়েছিল। গ্রামীণ ব্যাংক খ্যাত নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে দিয়ে নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের চেষ্টাও হয়েছিল। চারদিকে সাজ সাজ রব পড়ে গিয়েছিল।

ড. ইউনূসের নেতৃত্বে নতুন দল গঠন সম্পন্ন হলেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে সুবাতাস বয়ে যাবে, আর কোনো সঙ্কট-সমস্যা থাকবে না— এমন প্রচারণা দানা বেঁধে ওঠার আগেই আঁতুরঘরে মৃত্যু হয় সেই উদ্যোগের। বীতশ্রদ্ধ হয়ে ড. ইউনূস আর রাজনীতি না করারও ঘোষণা দেন।

এক-এগারোর পর সেনা-তত্ত্বাবধানে গঠিত জরুরি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় ফেরদৌস আহমদ কোরেশী এবং লে. জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীমের নেতৃত্বেও নতুন রাজনৈতিক দল জন্মলাভ করেছিল। রাজনীতির নদীতে ঢেউ তোলা তো দূরের কথা তা সামান্য বুদ্বুদও সৃষ্টি করতে পারেনি।

অর্থাৎ আমরা আমাদের নিকট অতীতের অভিজ্ঞতা থেকেই দেখছি যে, রাজনৈতিক দল গঠন করা এবং সেই দলের পক্ষে জনসমর্থন আদায় করাটা খুব সহজ কাজ নয় । কেবল বিশেষ কোনো শূন্যতা পূরণের তাগিদ থেকেই একটি রাজনৈতিক দলের জন্ম দিয়ে সেটাকে জনপ্রিয় করে তোলা যায় না।

অনেকেই বলে থাকেন যে, বাঙালি চরিত্রের একটি বিশেষ প্রবণতা হচ্ছে হুট করে কিছু করে বসা। রাজনৈতিক দল গঠন করাটাও কিছুটা সে রকম হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের দেশে অনেকগুলো রাজনৈতিক দল আছে। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত দলের সংখ্যাই ৪০।

এত দল-অনুদল থাকার পর আরও নতুন দলের জন্ম দেয়ার চিন্তাভাবনার কথাও শোনা যায়।  ব্যাধি দূর না করে নতুন ব্যাধি তৈরিতে আমাদের আগ্রহ বেশি। সব সমাজেই কিছু অসৎ বা দুর্নীতিপরায়ণ মানুষ থাকে, কিন্তু কোনো সমাজেই ওই ধরনের মানুষেরা নেতৃত্বে আসীন হয় না। আমাদের দেশে হয়, হচ্ছে। দুর্জন যদি সুজনের বেশ ধরে তাহলে তো বিড়ম্বনা না বেড়ে পারে না।

ক্ষমতা হাতে পেয়ে তার সদ্ব্যবহার করার মতো সংযম ও সুবুদ্ধি যাদের নেই তাদের হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়ে তারপর আমরা আফসোস করি, ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে কিংবা ক্ষমতাসীনদের গোষ্ঠীসংযোগ ও দলবাজি দেখে। আমরা রাজনীতিতে নানা অসুস্থ প্রবণতা দেখে হাহুতাশ করি, অথচ খারাপ মানুষেরা রাজনীতিতে যুক্ত হলে তাদের প্রতি পৃষ্ঠপোষকতা অব্যাহত রাখি।

এটা কেউ কেউ বলে থাকেন যে রাজনীতি থেকে সৎ মানুষেরা যে বিদায় নিতে বাধ্য হচ্ছেন, তার জন্য দেশের নাগরিকদের বা ভোটারদের দায় কম নয়। ভোটার কি সৎ ও যোগ্যতা বিবেচনা করে প্রার্থীদের ভোট দেন? নাকি মার্কা এবং প্রার্থীর টাকার জোর দেখে ভোট দেন? সৎ মানুষ বা ভালো মানুষ ভোটে দাঁড়িয়ে যে জিততে পারেন না— তার অসংখ্য উদাহরণ দেয়া সম্ভব।

আমরা সবাই মিলেই এমন অবস্থা তৈরি করি যে, আমাদের দেশের রাজনীতিতে সৎ মানুষ বেশিদিন সৎ থাকতে পারেন না। টাকাপয়সা নেই অথচ মানুষ হিসেবে সৎ এমন কেউ যদি নির্বাচনে প্রার্থী হন, তাহলে তাকে ভোটাররা ভোট দেন না।

নানা কারণে বিতর্কিত, নানা ধরনের অভিযোগে অভিযুক্ত, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে শুরু করে নানা কেলেঙ্কারিতে জড়িত ব্যক্তিদেরও যদি বিপুল পরিমাণ টাকা থাকে তাহলে নির্বাচনে জিতে আসতে তার অসুবিধা হয় না। আমরা ভোট দিয়ে যাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করি আমরা কি তার সততার খোঁজ নেই, নাকি তার টাকা-পয়সার জোর কত বেশি সেটাই দেখে থাকি?

ভোটারদের মানসিকতার যতক্ষণ পরিবর্তন না হবে, ততক্ষণ ভোটের রাজনীতিতে নতুন হাওয়া তৈরি হবে না। গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে যেহেতু ভোটের বিকল্প নেই, তাই ভোটাররা চাইলেই কেবল নতুন অথবা তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তির শক্ত ভিত্তি পাবে, অন্যথায় নয়।

এটা ঠিক যে, নানা ঘটনায় সাম্প্রতিক সময়ে দেশের মানুষের কোনো কোনো অংশ আওয়ামী লীগ ও বিএনপির রাজনীতির ওপর বিরক্ত-বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়েছেন। তা সত্ত্বেও এখনই দেশে এদের বিকল্প হিসেবে একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তি দাঁড়িয়ে যাবে বলে মনে হয় না। আমাদের সমাজে বিভিন্ন ক্ষেত্রেই দলবাজি এত প্রবল হয়ে উঠেছে যা রাতারাতি দূর হওয়া সম্ভব নয়।

এ এক বিস্ময়ের ব্যাপার যে, আওয়ামী লীগ যতই খারাপ করুক তার সমর্থকরা ওই দলের ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে না। আবার বিএনপির সব অপকর্মকেই সমর্থন করে ওই দলের সমর্থকরা।

যদি সত্যি সাধারণ মানুষ বড় দল দুটির প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন করতো, তাদের ভোট দানে বিরত থাকতো অথবা অন্য কোনো উপায়ে তাদের বিরাগের বিষয়টি প্রকাশ করতো, তাহলে তারা হয়তো এভাবে স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠতে পারতো না।

আমাদের দেশে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির বাইরে একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তি গড়ে ওঠার বাস্তবতা অবশ্যই রয়েছে। সময়ের দাবি পূরণ করার যোগ্যতা এই দল দুটি ক্রমেই হারিয়ে ফেলছে। তা সত্ত্বেও রাজনীতিতে নতুন শক্তির উত্থান না হওয়ার পেছনে বড় কারণ সম্ভবত এটাই যে, যারা বিকল্প শক্তির কথা বলেন তাদের প্রতি মানুষের আস্থা-বিশ্বাস নেই।

এরা মানুষের কাছে কোনো পরীক্ষায় পাস করেননি। মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠতে হলে কথা ও কাজে মিল থাকতে হবে। শতভাগ সততা ও আন্তরিকতা নিয়ে, সব ধরনের সুবিধাবাদ ও দোদুল্যমানতা পরিহার করে একদল নিষ্ঠাবান মানুষ যদি উদ্যোগী হন তাহলে বিকল্প রাজনৈতিক ধারা তৈরি করাটা কঠিন না হওয়ারই কথা।

প্রশ্ন হলো, মানুষের মধ্যে থেকে, মানুষের জন্য কাজ করবেন— এমন আত্মপ্রত্যয়ী একদল মানুষ কোথায়? বাংলা ভাষায় একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ হলো— নতুন বোতলে পুরনো মদ। মানুষ কেবল বোতলের পরিবর্তন নয়, বোতলের ভেতরের মাল-মসলাও নতুন দেখতে চায়। সেটা না পেলে পুরনোটা ছাড়বে কেন?

এরশাদ কোনো বিবেচনাতেই বর্তমান রাজনীতির বিকল্প হতে পারেন না।

লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট।
bibhu54@yahoo.com

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful