Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ১৭ অগাস্ট, ২০১৮ :: ২ ভাদ্র ১৪২৫ :: সময়- ৯ : ৪০ অপরাহ্ন
Home / রংপুর / অব্যাহত শৈত্যপ্রবাহে কাহিল রংপুরের জনজীবন

অব্যাহত শৈত্যপ্রবাহে কাহিল রংপুরের জনজীবন

 রঞ্জিত দাস ॥ অব্যাহত শৈত্য প্রবাহ, কনকনে হিমেল হাওয়া ও সূর্যের দেখা না মেলায় হাড় কাপানো শীতে কাহিল হয়ে পড়েছে রংপুরের জনজীবন।

রবিবার দিনভর কুয়াশার চাদরে ঢেকেছিল রংপুরের রাস্তা-ঘাট। সেই সাথে বইছে কনকনে হিমেল হাওয়া। প্রধান সড়কে দুরপাল্লার যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। এর ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন ছিন্নমুল ও খেটে খাওয়া মানুষজন। দিনভর দেখা মিলেনি সূর্যের। দুপুরে খুলতে শুরু করে রংপুর মহানগরীর দোকান-পাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, রবিবার রংপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৫ এবং ১১ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এদিকে একই অবস্থা বিরাজ করছে রংপুরের ৮ উপজেলাসহ বিভাগের দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, পঞ্চগড় ও নীলফামারী জেলাতেও। শীত জেঁকে বসতে শুরু করায় পর্যাপ্ত গরম কাপড়ের অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন বিভাগের লাখ লাখ দরিদ্র ও হতদরিদ্র মানুষ। বিশেষ করে চরাঞ্চল ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। ছিন্নমূল মানুষগুলো খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। হাড় কাপানো শীতে মানুষের পাশাপাশি কাবু হয়ে পড়ছে গবাদী পশু-পাখিও। সন্ধ্যার পরপরই কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে বিস্তীর্ণ জনপদ। এদিকে রংপুর বিভাগে শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিক্রি বেড়েছে গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে। বিশেষ করে পুরাতন গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে মধ্যরাত পর্যন্ত থাকছে ক্রেতাদের সমাগম। ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়ে হাঁসি ফুটেছে বিক্রেতাদের মুখে।
জানা গেছে, এখানকার বেশির ভাগ মানুষ নি¤œ শ্রেনীর হওয়ায় বর্তমান চলমান শীতে এখানকার মানষের জীবনযাত্রায় নেমে এসেছে স্থাবিরতা। এখানকার খেটে খাওয়া মানুষগুলো অতি কষ্টে দিন পার করছে, অনেকেই সারা দিন কাজের আশায় থেকে কাজ না পেয়ে না খেয়ে দিন পার করছে।
জেলা সদরের বিভিন্ন এলাকায় কয়েকদিন থেকে ঘুরে দেখা যায়, কয়েকদিনের হার কাপানে শীতে এখানকার মানূষরা অনেকেই কাজে বের না হয়ে ঘরে বসে আছে। বিশেষ করে সিটি এলাকার উন্নয়ন বঞ্চিত এলাকাগুলোতে এখনও মানুষের জীবন চলা গ্রামের আদলে হওয়ায় এখানকার মানুষগুলো এই শীতের মধ্যে আসতে পারছেনা কাজের জন্য শহরে না পারছে এলাকায় কাজ করতে। তাদের সাথে কথা বললে তারা জানায়, হামার গ্রামোত কাজ না থাকায় এবং ঠান্ডাত শহরোত যাবার না পেয়া বাড়িত বসি আছি।
মহানগরীর লালবাগ, শাপলা চত্তর, চেকপোষ্ট, সিওবাজার, মডার্ণমোড়, সাতমাথাসহ বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে দেখা যায়, মানুষ সমবেত হয়ে আগুনের পাশে থেকে নিজের শরীরকে ঠান্ডার হাত থেকে সাময়িক ভাবে মুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করছে। কেউ কেউ ঘন্টার পর ঘন্টা আগুনের পাশে অবস্থান করছে খাওয়া-দাওয়ার চিন্তা বাদ দিয়ে। তাদের মধ্যে অনেকে বলেন, যে ঠান্ডা পড়ছে তাতে করে না খেয়ে ঠান্ডা থেকে বাচাঁই এখন দায় পড়েছে।
শীতের মাঝে রাস্তায় দাড়িয়ে থাকতে দেখে কথা হয় রিক্সা চালক আলম মিয়ার সাথে, তিনি বলেন কি করমো বাহে এই ঠান্ডাত মানুষ রিক্সাত চইরবার চায় না আবার অনেকে বাড়ি থেকে বাহির হয় নাই তাই ভাড়া কম। ঠান্ডা কেমন এ কথা তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, রিক্সা যখন চলাই তখন ঠান্ডা লাগেনা কিন্তু যখন বসি থাকি তখন বুঝবার পাই ঠান্ডা কেমন নামছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful