Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৯ :: ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ :: সময়- ১ : ০১ অপরাহ্ন
Home / ক্যাম্পাস / ভর্তি জালিয়াতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ায় শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি

ভর্তি জালিয়াতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ায় শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি

নিজস্ব প্রতিনিধি: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) ১ম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি বিতর্ক থামছেইনা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে তিন সদস্য বিশিষ্ট তথ্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করা হলেও ভর্তি জালিয়াতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ব্যাক্তিদের প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তির ঘটনা উন্মোচনকারী দুই শিক্ষককে ভর্তি কার্যক্রম থেকে বাদ দেয়ার রেশ না কাটতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মুখতার এলাহী হলের প্রভোস্ট পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে ভর্তি জালিয়াতির বিরুদ্ধে সোচ্চার বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও নীল দলের সভাপতি ড.শফিক আশরাফকে। রবিবার (৭ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার স্থলে নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হয় মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষক ফেরদৌস রহমান কে। ভুক্তভোগী ঐ শিক্ষকের অভিযোগ, সহকারী প্রক্টর হিসেবে ভর্তি জালিয়াতি চক্র ধরায় বিশেষ ভূমিকা রাখায় এ দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে বলে ধারণা করছি। কেননা অব্যাহতি পত্রে এ ব্যাপারে পষ্ট কারণ উল্লেখ নেই। শিক্ষকদের একটি গ্রুপ চায় না ভর্তি জালিয়াতরা ধরা পরুক। তাই কৌশলে আমাকে সরিয়ে দেয়া হলো।
এর আগে জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তির ঘটনা উন্মোচনকারী দুই শিক্ষককে ভর্তি কার্যক্রম থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অব্যাহতি পাওয়া লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মন্ডল। অন্য শিক্ষক হলেন একই বিভাগের প্রভাষক সামান্থা তামরিন।
‘বি’ ইউনিটের সাক্ষাৎকার বোর্ডে থাকা এই দুই শিক্ষকই ভুয়া পরীক্ষার্থী ও ভর্তি পরীক্ষার ওএমআর শিট পরিবর্তনের ঘটনাটি উন্মোচন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে গত ২৬ থেকে ২৯ নভেম্বর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার ও ভর্তির জন্য ১৭ ডিসেম্বর নির্ধারিত দিন ছিল। ওই দিন মৌখিক পরীক্ষার বোর্ডে ছয় শিক্ষার্থীর আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির কথা স্বীকার করেন শিক্ষার্থীরা। এরপর তাঁদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এই ছয়জন হলেন ‘বি’ ইউনিটের শামস বিন শাহরিয়ার, রিফাত সরকার ও সাদ আহমেদ, ‘সি’ ইউনিটের আহসান হাবীব ও শাহরিয়ার আল সানি এবং ‘এফ’ ইউনিটের রোকসান উজ্জামান।
একই দিন ক্যাম্পাসে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরার সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকেও আটক করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর(চলতি দায়িত্ব) আবু কালাম মো. ফরিদ উল ইসলাম কোতোয়ালি থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।আটক শিক্ষার্থীদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী রাহেল চৌধুরী পিন্টুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‘বি’ ইউনিটের সাক্ষাৎকার বোর্ড থেকে অব্যাহতি পাওয়া দুই শিক্ষকের একজন লোকপ্রশাসন বিভাগের আসাদুজ্জামান মণ্ডল।তিনি বলেন, ভর্তি পরীক্ষায় অংশ না নিয়ে ওএমআর শিট পরিবর্তন করে ‘বি’ ইউনিটের শামস বিন শাহরিয়ার। সে জালিয়াতির কথাও অকপটে স্বীকার করল। অথচ উল্টো আমাদেরই কোন কারণ উল্লেখ ছাড়া পরবর্তী সাক্ষাৎকার বোর্ড থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।
কথা বলতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful