Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯ :: ৭ কার্তিক ১৪২৬ :: সময়- ১১ : ৪০ পুর্বাহ্ন
Home / ক্যাম্পাস / প্রশাসনের বাধায় বেরোবিতে ভর্তি জালিয়াতি বিরোধী মানববন্ধন পন্ড

প্রশাসনের বাধায় বেরোবিতে ভর্তি জালিয়াতি বিরোধী মানববন্ধন পন্ড

নিজস্ব প্রতিনিধি: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির ঘটনা উন্মোচনের পরিবর্তে তা ধামাচাপা দিতে উঠে পরে লেগেছে প্রশাসন। তারই অংশ হিসেবে তদন্ত ও জালিয়াতদের বিচারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ডাকা মানববন্ধন ছাত্রলীগের সহায়তায় পন্ড করে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থী সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে ক্যাম্পাসে পূর্বঘোষিত মানববন্ধনে সুশৃঙ্খল ভাবে সাড়িবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছিলো শিক্ষার্থীরা। এতে বিভিন্ন বিভাগের প্রায় সাড়ে তিনশো শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এসময় সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান নোবেল কয়েকজন নেতাকর্মীসহ সেখানে উপস্থিত হন। এর কিছুক্ষণ পরেই মানববন্ধনস্থলে আসেন প্রক্টর আবু কালাম মো: ফরিদ উল ইসলাম এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাবিউর রহমান। তাঁরা কেন মানববন্ধন? কিসের মানববন্ধন? ইত্যাদি বলে প্রত্যেকেই মানববন্ধন বন্ধ করতে বলেন।
এ সময় অনুমতি না নেওয়ার অযুহাত দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করতে চাইলে তাতেও বাধা দেওয়া হয়।পরে বাধ্য হয়ে তা বন্ধ করেন তারা।
মানববন্ধনের সঞ্চালক বিশ্ববিদ্যালয়ের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান বলেন, ভর্তি জালিয়াতি করে একটি চক্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম নষ্ট করছে। আর এই জালিয়াত চক্রের শাস্তির দাবিতে যখন আমরা মানববন্ধন করছি তখনই প্রশাসন বাঁধা দিচ্ছে। এটা সত্যি দুঃখজনক।
বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী অনিক অভিযোগ করে বলেন, তাবিউর রহমান স্যার কেন আসবেন এখানে? উনি প্রশাসনের কে? কোন প্রটোকলে তিনি কারণ জানতে চাইবেন? আর আমরা তো দেশ বা প্রশাসনের বিরুদ্ধে কিছু করছিনা। তাহলে বাধা কেন? কেঁচো খুঁড়তে সাপ বের হওয়ার ভয় নাতো?
আরেক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, লোক দেখানো অনুসন্ধান কমিটির কোন কাজ লক্ষ করা যাচ্ছেনা। যাদের গ্রেফতার করা হলো তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তো মূল হোতাদের বের করা যায়। উলটা ধামাচাপা দিতে জোর প্রচেষ্টা কেন চালানো হচ্ছে? জালিয়াতির বিরুদ্ধে কথা বললেই বাধা নয়তো পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে কেন?

বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষার্থী পোমেল বডুয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মানববন্ধনে বাঁধা দেয়া হবে এমনটি আমরা চিন্তাই করতে পারিনি। এর তীব্র নিন্দা জানাই।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নীল দলের সাধারণ সম্পাদক আপেল মাহমুদ বলেন, প্রশাসনের ভেতরে ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠান করার বিষয়ে অনুমতির একটা ব্যাপার থাকতে পারে। কিন্তু আমরা বিভিন্ন সময়ে অনেক অনুষ্ঠানের অনুমতি নিতে দেখিনি। সাধারণ শিক্ষার্থীদের এ যৌক্তিক দাবির সাথে প্রশাসনের একমত থাকা নৈতিক দায়িত্ব ছিল। কিন্তু প্রশাসন তা না করে এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এতে তাঁরা কি প্রমাণ করতে চাচ্ছেন তা বোধগম্য নয়।
এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান নোবেল জানান, যেহেতু তাঁরা (মানববন্ধন আয়োজকরা) মানববন্ধনের অনুমতি নেয়নি তাই তা স্থগিত করতে বলেছি। আমরা চাই সব কিছু একটা সিস্টেমে আসুক।
বাধা দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তাবিউর রহমান বলেন, অনুমতি না নেওয়ায় আমি জানতে চেয়েছি। আর প্রত্যেক শিক্ষক সহকারী প্রক্টরের ক্ষমতা ধারণ করেন।
প্রক্টর (চলতি দায়িত্ব) ড. ফরিদ উল ইসলাম বলেন, যেহেতু মানববন্ধনের অনুমতি নেওয়া হয়নি তাই তা বন্ধ করতে বলা হয়েছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful