Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ :: ৭ আশ্বিন ১৪২৫ :: সময়- ৭ : ৫৮ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / আবেগের সীমানায় মিলিত হলো দুই বাংলার মানুষ

আবেগের সীমানায় মিলিত হলো দুই বাংলার মানুষ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: প্রতি বছরের মতো এ বছরও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে পঞ্চগড়ের অমরখানা সীমান্তের নোম্যান্সল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দুই বাংলার মানুষদের ব্যাতিক্রমী মিলনমেলা।

পঞ্চগড় সীমান্তের এই নোম্যান্সল্যান্ডে আবেগের সীমানায় মিলিত হলো দুই বাংলার লাখো মানুষ কিছু সময়ের জন্য। দৃষ্টির সীমানায় একাকার হয়ে গেলো ভালবাসার নিংড়ানো উৎসর্গ। পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানা সীমান্ত সংলগ্ন প্রায় ৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে প্রতিবছর বৈশাখে মিলন ঘটে ভারত-বাংলাদেশের হাজার হাজার মানুষের।

পঞ্চগড় ছাড়াও পার্শ্ববতী জেলা ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী জেলার কিছু অংশের নারী-পুরুষ শিশু-যুবক-যুবতী ও বৃদ্ধের উপচেপড়া ভিড় জমে। সীমান্তে বাংলাদেশি বিজিবি ভারতের বিএসএফের কঠোর পাহারা এবং কাঁটাতারের বেড়ার বাধা উপেক্ষা করে দুদেশের মানুষের ক্ষণিকের এই মিলন মেলা এলাকার আকাশ-বাতাসকে আবেগ আপ্লুত করে তোলে।

আপনজনদের খুঁজে পাওয়ার জন্য সীমাহীন উৎকণ্ঠা কাজ করছিল সবার মাঝে। স্পর্শ দিয়ে আপনজনদের কাছে যাওয়ার প্রবল ইচ্ছে থাকলেও প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করে কাঁটাতারের বেড়া, শুধুই দৃষ্টি দিয়ে প্রাণের উচ্ছ্বাসে স্বল্প সময়ে একে অপরকে একনজর দেখা, কুশল বিনিময়, আবেগ আপ্লুত হয়ে চোখের পানি ফেলে আপনজনদের কাছ থেকে ফিরলো অমরখানায় জড়ো হওয়া হাজার হাজার মানুষ। এরা অধিকাংশই নিম্ন আয়ের মানুষ। এদের ভিসা পাসপোর্ট করে আত্মীয় স্বজনদের সাথে দেখা করার মতো সামর্থ্য নেই। তাই বছরজুড়ে এই পহেলা বৈশাখের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করা।

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলা হতে আগত শ্রী বীরেন চন্দ্র তার পরিবার নিয়ে পঞ্চগড়ের এই মিলন মেলায় এসে ভারতের জলপাইগুড়িতে থাকা তার আত্মীয়স্বজনরা কাঁটাতারের বেড়ার পাশে এসে দেখা করেছেন। এতে বীরেন চন্দ্র খুবই খুশি। তিনি জানান, আমি গরিব মানুষ পাসপোর্ট ভিসা করার মতো তার সামর্থ্য নেই। এই মিলন মেলায় এসে আপনজনদের সাথে দেখা করতে পারায় খুব খুশি আমি।

এবছরও ভারত-বাংলাদেশের নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোর জড়ো হয় সীমান্তের নোম্যান্সল্যান্ডে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি-বিএসএফ সদস্যদের হিমশিম খেতে হয়। সকাল ১০টায় বিএসএফ কাঁটাতারের বেড়ার কাছে আসার অনুমতি দিলে বাঁধভাঙ্গা জোয়ারের মতো উভয় দেশের বিভিন্ন বয়সী মানুষজন নোম্যান্সল্যান্ডে প্রবেশ করে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিল হাজার হাজার বাংলাদেশি নাগরিক। বিজিবি-বিএসএফ যৌথভাবে দুই বাংলার আত্মীয়-স্বজনদের দেখা-সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful