Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ১৮ অগাস্ট, ২০১৮ :: ৩ ভাদ্র ১৪২৫ :: সময়- ২ : ৪২ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / ভালোবাসায় আসক্তি আপনার যে ১৯টি ক্ষতি করবে

ভালোবাসায় আসক্তি আপনার যে ১৯টি ক্ষতি করবে

ডেস্ক: কথায় বলে যে, ভালোবাসা দিয়ে পৃথিবীর সবকিছু জয় করা যায়। কিন্তু এই ভালোবাসায় যদি আসক্ত হয়ে পরেন তাহলে তা আপনার অনেক ক্ষতি করবে। এমনই ১৯টি ক্ষতির বিষয়ে আজ জেনে নিন।

১) আপনি তাদের সাথে এতটাই থাকতে চান যা আপনার ব্যক্তিগত জীবনে চলে আসে: আপনি যখন ভালবাসা অথবা ভালবাসার মানুষটির ওপর আসক্ত হয়ে পরেন তাহলে আপনি তাদের সাথে অনেক বেশি সময় থাকতে চান। এর ফলে আপনার ব্যক্তিগত জীবনের অন্যান্য কাজের ওপর প্রভাব পরে। কোন একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ না করে আপনি সেই মানুষটিকে নিয়েই ত্থাকেন অথবা তার চিন্তায় ডুবে থাকেন। এমনকি তার কথাই আপনার মুখ দিয়ে বেশি বের হয়। আপনি যদি আপনার বন্ধুদের সাথে কোন আড্ডায় থাকেন সেখানেও আপনি তার বিষয়েই কথা বলবেন। আপনার বন্ধুরা বিরক্ত হলেও আপনি তা করে যাবেন।

২) আপনার যৌন জীবন আপনার দৈনন্দিন কাজে সমস্যা তৈরি করবে: সম্পর্কে থাকলে দুই জন ব্যক্তি খুব কাছে চলে আসবেন এটা স্বাভাবিক। আর সেই কাছে আসা থেকে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে যাওয়ার মত ঘটনা আরও স্বাভাবিক। কিন্তু আপনি যদি এই বিষয়েও আসক্ত হয়ে পরেন তাহলে এটা আপনার দৈনন্দিন কাজে বাঁধা সৃষ্টি করবে। অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ কাজ আপনি ফাকি দিবেন শুধু আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সাথে কিছু নিবিড় মুহুর্তা কাটানোর জন্য। এমনকি যেসব জায়গায় এমন কাজ করা উচিত নয় আপনি সেসব জায়গায় এবং ভুল সময়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করবেন।

৩) একে অপরের সাথে কথা বা দেখা না করে থাকতে পারবেন না: সঙ্গী বা সঙ্গিনীর ওপর অতি মাত্রায় আসক্ত থাকলে খুব ঘন ঘন আপনাদের মধ্যে কথা হবে। দেখা করতে চাওয়ার প্রবণতাও অনেক বেড়ে যাবে। এটা এতটাই বেড়ে যেতে পারে যে, আপনি তা নিয়ন্ত্রণেই রাখতে পারবেন না।

৪) অর্থের অপচয়: যেহেতু ঘন ঘন দেখা করবেন তখন তো ফাস্টফুডে খাওয়া আর শপিং হবেই। এছাড়াও ঘন্টার পর ঘন্টা আলাপের জন্য লাগবে মোবাইল অথবা ইন্টারনেট বিল। এতে কিন্তু আপনার অনেক অর্থের অপচয় হবে। এছাড়াও বিভিন্ন দিবস বা উপলক্ষ্যে অথবা উপলক্ষ্য ছাড়াই প্রিয়জনকে উপহার কিনে দিবেন। তার দৈনন্দিন খরচে নিজের অর্থও ব্যয় করবেন। অর্থ্যাত আপনার আয়ের একটা বড় অংশই এ খাতে ব্যয় হবে। এতটাও ব্যয় হতে পারে যা আপনাকে দেনায় ফেলে দিতে পারে।

৫) তাদের ছাড়া খুশি হতে পারবেন না: পছন্দের মানুষটির সাথে আপনার থাকতে ভালো লাগবে এটাই স্বাভাবিক। তবে এর মানে এই না যে, তারা আপনার আশেপাশে না থাকলে আপনি খারাপ থাকবেন। যদি আপনার জীবনে এমন কোন ব্যক্তি বা বস্তু না থাকে যা আপনাকে খুশি করতে পারে তাহলে এটা আপনার জন্য ভালো কিছু না।

৬) নিজেকে সময় দিতে ভয় পাবেন: আসক্তি আপনাকে এতটাই অসহায় আর নির্ভরশীল করে দিতে পারে আপনি নিজে নিজেকে সময় দিতে ভয় পাবেন। যেমন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় যখন আপনি একা থাকবেন তখন আপনার খারাপ লাগবে।

৭) তাকে ছাড়া যে কাজ করবেন তা আপনার ভালো লাগবে না: আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে ছাড়া আপনি যখন কোন কাজ করবেন তখন তা আপনার ভালো লাগবে না। যেমন ধরুণ, বন্ধুদের সাথে কোথাও বের হয়েছেন কিন্তু মোবাইলে চ্যাট করছেন আপনার পার্টনারের সাথে। এতে করে সবার সাথে থেকেও একা হয়ে থাকবেন আপনি। বন্ধু মহল থেকে আস্তে আস্তে ছিটকে পরবেন।

৮) তাকে হাড়ানোর চিন্তা করলেও আতংকিত হয়ে যাবেন: কেউ যদি আপনার জীবনে আসতে পারে তাহলে আপনার জীবন থেকে চলেও যেতে পারে। কোন সম্পর্কই চিরজীবন থাকবে এমনটা নয়। আর এই বাস্তব চিন্তা আপনার মাথায় আসলেই আপনি আতংকিত হয়ে পরবেন। সন্দেহ করতে শুরু করবেন আপনার সঙ্গীকে। সে যদি অন্য কারও সাথে প্রয়োজনেও কথা বলে আপনার মনে হবে সেই ব্যক্তিটি আপনার সঙ্গীকে আপনার থেকে ছিনিয়ে নিবে।

৯) তাদের অনুমতি লাগবে আপনার: আসক্তি আপনাকে এতটা নির্ভরশীল করে দিতে পারে যে, তাদের অনুমতি ছাড়া আপনি আপনার নিজের থেকে কিছু করতে পারবেন না। এমনকি পার্টনারের অনুমতি ছাড়া জুতাও কিনতে পারবেন না আপনি!

১০) একটু নজর পেতে ঝগড়া করবেন: আপনি হয়তো ভালবাসার মানুষটির জন্য কাজবাজ করেন না। কিন্তু তার তো কাজ থাকে। এর ফলে হয়তো সেভাবে সময় দেয় না সে আপনাকে। আর তাই ঐ মানুষটির একটু নজড় বা খেয়াল পেতে আপনি মাঝেই মাঝেই ঝগড়া বাধিয়ে বসবেন। এমনসব বিষয়ে ঝগড়া করবেন যে আপনারই পরে মনে হবে এগুলো কোন কারণই ছিল না ঝগড়ার জন্য।

১১) তিনি থাকলে ভালো না থাকলে খারাপ: সেই মানুষটির সাথে থাকলে আপনার ভালো লাগে। সাথে না থাকলে খারাপ লাগে। এমনটা মনে হলেই বুঝবেন যে, আপনি তার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছেন। তাই শুধরে নিন নিজেকে। আর তাও সময় থাকতে।

১২) পার্টনারের কাজ দিয়ে ভালবাসা পরিমাপ করেন আপনি: আসক্তির পর্যায় এমন হতে পারে যে, আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনী আপনার প্রতি যেসব আচরণ করে তা দিয়ে আপনি আপনার প্রতি তার ভালবাসা পরিমাপ করা শুরু করবেন। যেমন আপনার পছন্দ গোলাপ ফুল। কিন্তু একদিন সে আপনার জন্য বেলী ফুল। আপনার কাছে এর অর্থ এমন হতে পারে যে, সে আপনাকে আর আগের মত ভালবাসে না।

১৩) তাদের ব্যস্ত সময়ে আপনি মানিয়ে থাকতে পারেন না: যখন আপনার ভালবাসার মানুষটি কোন কাজে ব্যস্ত থাকবে আর আপনাকে যদি সময় দিতে না পারেন তখন আপনিও আর একা থাকতে পারবেন না। খুব অসহ্য লাগবে সময়টাকে। এমন সময় উচিত নিজেকে কোন কিছুতে ব্যস্ত রাখা।

১৪) সে বন্ধুদের সাথে বাইরে সময় কাটাক এটা আপনার ভালো লাগবে না: আপনার পছন্দের মানুষটি তার কোন বন্ধুদের সাথে সময় কাটালে বা কোন পার্টিতে গেলে আপনার তা ভালো লাগবে না। আপনার শুধু মনে হবে যে, সে কেন সবসময় আপনাকে নিয়ে থাকে না।

১৫) যৌনতা দিয়ে ভালবাসাতে পারবেন না: কখনও কখনও মনোমালিন্য হতে পারে নিজেদের মধ্যে। তখন অনেকে মনে করেন যে, শারীরিকভাবে কাছাকাছি আসলে দূরত্ব কমতে পারে। অনেক সময় এটা কাজ করলেও সবসময় না। যৌনতা দিয়ে কাউকে আপনি ভালবাসতে পারবেন না। অন্য কেউ আপনাকে ভালবাসবে এমনটা ভাবাও ঠিক হবে না।

১৬) আপনার জীবনে আর কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজ নেই: ঐ মানুষটিকে সময় দেওয়া ছাড়া আপনার জীবনে আর কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজ থাকবে না।

১৭) আপনি শুধু তার সঙ্গই পছন্দ করবেন: আপনি হয়তো আগে বন্ধু বা আত্মীয় স্বজনদের সাথে সময় কাটাতে পছন্দ করতেন। কিন্তু এখন আপনি তার সঙ্গ ছাড়া আর কিছুই বোঝেন না। এমন অবস্থা আপনাকে সবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিবে।

১৮) তাদের কারণে কর্মক্ষেত্রে খারাপ করবেন আপনি: সম্পর্কে মশগুল থেকে আপনি আপনার কর্মক্ষেত্রের কাজে ক্ষতি করতে পারেন। অফিস থেকে দেওয়া কাজ অসম্পূর্ণ থাকবে আপনার। চাকরিও খোয়াবেন আর নয়তো ব্যবসায় ক্ষতি হবে কিন্তু আপনার!

১৯) তাদের ছাড়া আপনার জীবন অর্থহীন: আপনার মনে হবে যে, তারা আপনার জীবনে না থাকলে আপনার জীবন অর্থহীন। যা আসলে একটা মিথ্যা ধারণা। তাই ভালবাসুন। ভালবাসা থেকে দূরে থাকবেন না। আগে নিজেকে ভালবাসুন। তবে ভালবেসে আসক্ত হবেন না।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful