Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৮ :: ৩০ কার্তিক ১৪২৫ :: সময়- ৫ : ১৫ পুর্বাহ্ন
Home / নীলফামারী / সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় এয়ার ব্রেক সেকশনের উদ্ধোধন

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় এয়ার ব্রেক সেকশনের উদ্ধোধন

বিশেষ প্রতিনিধি ১২ মে॥ আধুনিকায়নের রূপ রেখায় সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার ক্যারেজ সপে স্থাপিত এয়ার ব্রেক সেকশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন রেলপথ মন্ত্রী মুজিবুল হক।
এ সময় তিনি বলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে রেলওয়ের উন্নয়নের জন্য পৃথক একটি রেলপথ মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার রেলওয়ের প্রতি বিশেষ নজর দিয়েছেন। সারাদেশের রেলওয়ের নতুন নতুন লাইন স্থাপন করা হচ্ছে। এতে করে গোটা দেশে রেল যোগাযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর যাত্রীসেবা বাড়াতে বিদেশ থেকে আমদানি করা হচ্ছে নতুন নতুন কোচ ও ইঞ্জিন। কারণ রেলপথ হচ্ছে নিরাপদ ও সাশ্রয়ী। তাই দেশের মানুষ ট্রেনে ভ্রমন করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। কিন্তু এখন ট্রেনের যাত্রী সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
অথচ এক সময় বিগত বিএনপির সরকারের আমলে বাংলাদেশ রেলওয়ে ছিল একেবারে অবহেলিত। সে সময় রেলওয়ের উন্নয়নে কোন রকম উদ্যোগ গ্রহন করা হয়নি। বরঞ্চ সে সময় ১৩ হাজার শ্রমিক কর্মচারীকে গোন্ডেল হ্যান্ডশেকের নামে চাকুরিচ্যূত করা হয়েছিল।
আজ শনিবার বেলা ১১ টায় দেশের বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার ওই ব্রেক সেকশনের উদ্ধোধন ও কারখানা পরিদর্শন শেষে কারখানার সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভায় রেলপথ মন্ত্রী এ কথা বলেন। এ সময় বাংলদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক (জিএম) আমজাদ হোসেন, অতিরিক্ত মহা-পরিচারক (আরএস) সামসুজ্জোহা, জিএম (পশ্চিমাঞ্চল) রমজান আলী, প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (পশ্চিমাঞ্চল) বেলাল হোসেন সরকারসহ রেলওয়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সীমিত সম্পদের মধ্যেও সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীদের পারফর্মেন্স অনেক ভাল উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, গত ঈদে এ কারখানার ৮৫টি বগি মেরামত করা হয়। এ বছর সে সংখ্যা ৯০ টির বেশি ছাড়িয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। অতি শীঘ্রই সৈয়দপুর কারখানায় মেরামত করা ১৪টি কোচ দিয়ে আরো একটি আন্তঃনগর লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেন চালু করা হবে। আর ইঞ্জিন ও বগির স্বল্পতা কেটে গেলে যত তাড়াতাড়ি আরও একটি আন্তঃনগর নীল সাগর এক্সপ্রেস ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। ভারতীয় ঋণে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার আরো আধুনিকায়ন করাসহ একটি নতুন কোচ তৈরির কারখানা নির্মাণ করার কথা জানিয়ে মন্ত্রী আরো বলেন আগে রেলওয়ে খাতে বার্ষিক বরাদ্দ ছিল ৫ শ’ কোটি টাকা। এখন এ বরাদ্দ দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ১৩২ কোটি টাকায়।
মন্ত্রী ‘৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকবাহিনীর হাতে কারখানার অভ্যন্তরে নিহত শহীদদের স্মরণে নির্মিত ‘অদম্য স্বাধীনতা’ শহীদবেদীতে শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পমাল্য অর্পন করেন। পরে মন্ত্রীর সামনে ভিডিওচিত্রের মাধ্যমে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা প্রতিষ্ঠার অতীত ইতিহাস, সার্বিক কার্যক্রম ও বর্তমানে বিদ্যমান নানা সমস্যা ও সম্ভাবনাসমূহ তুলে ধরা হয়। এটি উপস্থাপনা করেন সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) মুহাম্মদ কুদরত-ই-খুদা।
পরে মন্ত্রী কারখানার ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা মিলিত হন। এতে নেতৃত্ব দেন রেলওয় শ্রমিক লীগ সৈয়দপুর কারখানার কারখানা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোখছেদুল মোমিন। এর আগে সকালে রেলপথ মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক ঢাকা থেকে আকাশপথে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে আসেন। পরে তিনি দিনাজপুরের পাবর্তীপুরে অবস্থিত কেন্দ্রীয় লোকোমেটিভ কেলোকা) পরিদর্শন করেন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful