Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২১ অগাস্ট, ২০১৮ :: ৬ ভাদ্র ১৪২৫ :: সময়- ১২ : ৫১ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / রংপুরের ওসিকে প্রত্যাহারে ১২ ঘন্টার আল্টিমেটাম

রংপুরের ওসিকে প্রত্যাহারে ১২ ঘন্টার আল্টিমেটাম

স্টাফ রিপোর্টার: তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আওয়ামীলীগ সভানেত্রী ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেফতারে নেতৃত্ব দেয়া রংপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বাবুল মিঞাকে আজ বুধবার রাত ১২ টার মধ্যে প্রত্যাহারের আল্টিমেটাম দিয়েছে রংপুর জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগ।

বুধবার (১৮ জুলাই) বেলা ১টায় পুলিশের রংপুর রেঞ্জ ভারপ্রাপ্ত ডিআইজি বশির আহমেদের সাথে সাক্ষাত করে এই আল্টিমেটাম দেন দলটির নেতারা।

এদিকে ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই শেখ হাসিনাকে গ্রেফতারের সময়কার একটি ছবিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। ওই ভাইরাল ছবি ও ফেসবুকের বিভিন্ন মন্তব্যে ফুঁসে উঠেছেন রংপুরের আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীরা।

দুপুরে জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহম্মেদ ও মহানগর সাধারণ সম্পাদক বাবু তুষার কান্তি মন্ডল, মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আসিফের নেতৃত্বে শতাধিক নেতাকর্মী রংপুর ডিআইজি কার্যালয়ের সামনে ওসি বাবুল মিঞার অপসারনের জন্য বিক্ষোভ নিয়ে আসেন। পরে তারা বেশ কিছু অভিযোগ নিয়ে ডিআইজি বশির আহমদের সাথে সাক্ষাত শেষে আল্টিমেটামের কথা সাংবাদিকদের জানান।

মহানগর আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক বাবু তুষার কান্তি মন্ডল জানান, অনির্বাচিত তত্তাবধায়ক সরকারের সময় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে অবৈধভাবে গ্রেফতারের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রংপুর কোতয়ালী থানার বর্তমান ওসি বাবুল মিঞা। ওই সময় তিনি আওয়ামীলীগ সভানেত্রীর সাথে খারাপ আচরণ করেছেন। এ সংক্রান্ত বিভিন্ন ছবি ও তথ্য প্রমান আমরা ডিআইজিকে দিয়েছি।

তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হসিনা রংপুরের পুত্রবধু। সজিব ওয়াজেদ জয় রংপুরের সন্তান। রংপুর আওয়ামীলীগের ঘাঁটি। সে কারনে তার মতো একজন ওসিকে আমরা আর রংপুরের মাটিতে দেখতে চাই না। এজন্য আমরা আজ বুধবার রাত ১২টার মধ্যে ওসিকে প্রত্যাহার করতে ডিআইজিকে আল্টিমেটাম দিয়েছি।

অন্যদিকে জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ জানান, এই ওসির বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিময় , দুর্নীতি, ঘুষগ্রহন, আসামীকে ধরে এনে ছেড়ে দিয়েআর্থিক বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অভিযোগ আমরা দীর্ঘদিন থেকে শুনে আসছিলাম। আজ আমরা বেশ কিছু প্রমাণসহ তার ব্যাপারে ডিআইজিকে জানিয়েছি। শুধু তাই নয়, এই ওসি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গ্রেফতারে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। আমরা তাকে রংপুরে দেখতে চাই না।

এ ব্যপারে ভারপ্রাপ্ত ডিআইজি বশির আহম্মেদ সাংবাদিকদের জানান, আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ কোতয়ালী থানার ওসির বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ এবং অভিযোগের স্বপক্ষে কিছু ছবিসহ বিভিন্ন প্রমানপত্র দিয়েছেন। আমি বিষয়গুলো সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ সুপারকে বলেছি ও এসব ভেরিফাই করার জন্য নির্দেশ দিয়েছি। ভেরিফাই করার পর যদি অভিযোগ প্রমানিত হয়, তিনি যদি আইন বহিভর্ভূত কাজ করেন, তিনি যদি ক্ষমতার অপপ্যবহার করে থাকেন, অনিয়ম, দুর্নীতি করে থাকেন। তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ছবি ও পোস্ট নিয়ে রংপুর কোতয়ালী থানার ওসি বাবুল মিঞা সাংবাদিকদের জানান, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদ ২০০৭ সালে তৎকালীন সরকার কর্তৃক মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়ার সময়ে আমাকে ঘিরে কয়েকটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করা হয়েছে। ছবিটির সত্যতা থাকলেও যে ভাষায় ফেসবুকে ষ্ট্যাটাস দেয়া হয়েছে তা আদৌ সত্য তথ্য নির্ভর নয়।

তিনি বলেন, আমি ১৯৯৬ সাল থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ডিউটিতে তাঁর দেহরক্ষী হিসেবে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। ২০০৭ সালেও ঢাকা কোর্টে তাঁর নিরাপত্তায় আমরা নিয়োজিত ছিলাম।

এ বিষয়ে গতকাল উত্তরবাংলা ডটকম এ একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।

রংপুরের ওসির ছবি ভাইরাল

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful