Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০ :: ৬ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১১ : ২৩ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / রংপুরে হরতালের শেষ দিনে পথে পথে বিক্ষোভ, আগুন, ভাংচুর, ককটেল বিষ্ফোরণ

রংপুরে হরতালের শেষ দিনে পথে পথে বিক্ষোভ, আগুন, ভাংচুর, ককটেল বিষ্ফোরণ

DSCF1265ফরহাদুজ্জামান ফারুক, স্টাফ রিপোর্টার: টানা ৬০ ঘন্টার হরতালের শেষ দিনে পুর মহানগরীসহ আট উপজেলার রাজপথে হরতাল সমর্থকদের মিছিল-বিক্ষোভ সমাবেশে মুখরিত ছিলো। মহানগরীসহ আট উৃপজেলার বিভিন্নস্থানে রাস্তায় আগুন, অবরোধ, মুহুর্মুহু ককটেল বিষ্ফোরণ হয়েছে। গত দুইদিনের তুলনায় অতিরিক্ত আইন শৃংখলা বাহিনীর উপস্থিতিতে জনমনে চরম আতংক ছড়িয়ে পড়ে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরীর গ্রান্ড হোটেল মোড়ে পুলিশী বেষ্টনীর মধ্যেই ভোর থেকে ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়। ক্রমেই সেখানে বাড়তে থাকে নেতাকর্মীর ঢল। পুলিশী পাহারার মধ্য থেকেও দলীয় কার্যালয়, জাহাজ কোম্পানী মোড়, পায়রা চত্বর, কাচারী বাজার, মডার্ন মোড়, বাস স্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় হরতালের সমর্থনে পিকেটিং চলতে থাকে।
মাহিগঞ্জ-সুন্দরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের সরেয়ার তলে গাছ দিয়ে অবরোধ ও বিক্ষোভ করে যুবদল। কারমাইকেল কলেজিয়েট স্কুল এন্ড কলেজের সামনে ইসলামী ছাত্রশিবির মহানগর শাখা রাস্তায় পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে বিক্ষোভ করে। এসময় সেখানে ৪ টি ককটেল বিষ্ফোরণ হয়। এর একটু পড়ে ঢাকা কোচ স্ট্যান্ডে মহানগরীর কোতয়ালী থানা আমীর এ্যাডভোকেট কাওছার আলীর নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে জামায়াত। বেলা সাড়ে ১১ টায় সালেক পাম্প, জাহাজ কোম্পানী মোড়, সুপার মার্কেট মোড়সহ নগরীর বেশ কয়েকটি স্থানে মুহুর্মুহু ককটেল বিষ্ফোরণ হয়।
যোহরের নামাজের পর পার্টি অফিস থেকে একটি বিশাল মিছিল বের হলে নগরীতে চরম আতংক ছড়িয়ে পড়ে। মিছিলটি টাউন হল চত্বর হয়ে আবারও পার্টি অফিসে এসে শেষ হয়। মিছিল থেকে ৪ টি মোটর সাইকেল এবং বিভিন্ন স্থাপনায় ভাংচুরের চেষ্টা করা হয়। ১৮ দলীয় জোটের আহবায়ক মুক্তিাযোদ্ধা মোজাফফর হোসেনের নেতৃত্বে মিছিলে যুগ্ম আহবায়ক সামসুজ্জামান সামু, শহিদুল ইসলাম মিজু, যুবদল সভাপতি রইচ আহমেদ, সেক্রেটারী আনিছুর রহমান লাকু, সহ সভাপতি নাজমুল ইসলাম নাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক সামসুল হক ঝন্টু, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মাহফুজ উন নবী ডন, জেলা সভাপতি জহির আলম নয়ন, সেক্রেটারী মনিরুজ্জামান হিজবুল, শহর সভাপতি আতিকুল ইসলাম লেলিন, স্বেচ্ছাসেবক দল আহবায়ক আব্দুস সালাম, শহর আহবায়ক মতিউর রহমান বাবু, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি খন্দকার আবিদুর রহমান, কৃষক দলের সেক্রেটারী কাজী খয়রাত হোসেন প্রমুখ। এছাড়াও দুপুরে আদালত পাড়া থেকে কাচারী বাজার পর্যন্ত জাতীয়তাবাদি আইনজীবি ফোরামের সভাপতি এ্যাডভোকেট একরামুল হক ও ইসলামিক ল ইয়ার্স কাউন্সিলের সভাপতি এ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম প্রধানের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়।

এদিকে গত দুই দিনের চেয়ে মঙ্গলবার হরতালকারীদের তৎপরতা ছিল বেশী। পুলিশ, র‌্যাবসহ বিপুল পরিমান আইন শৃংখলা বাহিনী মোতায়েন ছিল। নগরীর সবস্থানেই ছিল আতংক। বন্ধ ছিল দোকানপাট, পিকেটিংয়ের মুখে পড়েছিল রিকশা যাত্রীরাও।

কাউনিয়া: কাউনিয়া সদর, হারাগাছ পৌরসভা, মধুপুর, নব্দীগঞ্জসহ ১৬ টি পয়েন্টে পিকেটিং ও সমাবেশ হয়েছে। হারাগাছ পৌরসভা ৫ হাজার লোকের মিছিল হয়। মিছিল শেষে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কাউনিয়া উপজেলা বিএনপি সভাপতি এমদাদুল হক ভরসা, জেলা বিএনপির যুগ্মআহবায়ক মামুনুর রশিদ মামুন, জামায়াত নেতা আবুল কাশেম জিহাদী, যুবদলের রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

পীরগাছা: এদিকে পীরগাছা উপজেলা সদর, দেউতি, তাম্বুলপুর, চৌধুরানী, মধুপুরসহ ১৫ টি স্পটে পিকেটিং ও সমাবেশ হয়েছে ১৮ দলের উদ্যোগে। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপি সভাপতি আফসার আলী, সেক্রেটারী আমিনুল ইসলাম রাঙ্গা, উপজেলা জামায়াত সেক্রেটারী বজরুল রশিদ প্রমুখ ।

গঙ্গাচড়া: সদর, বুড়িরহাট, গজঘন্টা, বড়াইবাড়ি, বেতগাড়ীসহ ১৭ টি স্থানে পিকেটিংসহ বিক্ষোভ ও সমাবেশ করে। সদরে বিএনপি সভাপতি ওয়াহেদুজ্জামান মাবু ও জামায়াত আমীর অধ্যক্ষ শফিকুল আলম ইসলামের নেতৃত্বে বিক্ষোভ ও সমাবেশ হয়।

বদরগঞ্জ: সদর, নাগেরহাট, ট্যাক্সের হাট, গোপালপুর, শ্যামপুর, লালদীঘি, শেখেরহাট, পাঠানের হাট, চেংমারী, মধুপুরসহ ১৬ টি স্পটে অবস্থান নিয়ে পিকেটিং ও সমাবেশ করে ১৮ দলীয় জোট। সদরে মিছিল ও সমাবেশ শেষে শহীদ মিনাওে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপি সভাপতি সাবেক এমপি পরিতোষ চক্রবতী, সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলী সরকার, উপজেলা আমীর শাহ রোস্তম আলী প্রমুখ।

মিঠাপুকুর: উপজেলা সদর,জায়গীরহাট, শঠিবাড়ি, দমদমা, পায়রাবন্দ, বৈরাতি, বালারহাট, ইমাদপুর, বড়বালা, শুকুরের হাট, সেরুডাঙ্গা, রানী পুকুরসহ প্রায় ৪০ টি স্পটে পিকেটিং বিক্ষোভ ও সমাবেশ করে ১৮ দলীয় জোট। সদরে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপি খাজানুর নুর আলম, সাবেক এমপি সোলায়মান আলম ফকির, উপজেলা আমীর গোলাম রব্বানী,সেক্রেটারী এনামুল হক, শাহ মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

পীরগঞ্জ: উপজেলা সদর, মাদরাগঞ্জ, ভেন্ডাবাড়ি, বড় দরগা, খালাসপির, ধাপেরহাটসহ ২৩ টি স্পটে পিকেটিং ও সমাবেশ হয়েছে। উপজেলা সদরে বিএনপি একাংশের সভাপতি সাবেক এমপি নুর মোহাম্মদ মন্ডল ও অপরাংশের সভাপতি সাইফুল ইসলাম, জামায়াত সেক্রেটারী মাওলানা মোকছেদ আলীর নেতৃত্বে পৃথ পৃথক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

তারাগঞ্জ: উপজেলা সদরের চৌপথি, ইকরচালী, বুড়িরহাট, ডাঙ্গিরহাটসহ ১০ টি স্পটে পিকেটিং মিছিল ও সমাবেশ হয়। এতে ১৮ দলীয় জোট নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
নগরীর বাইরেও এসব স্থানের পিকেটিং, সমাবেশে বিক্ষোভে বিপুল পরিমান মানুষ অংশ নেন।

পুলিশ সুপার আব্দুর রাজ্জাক জানান, আইন শৃংখলাবাহিনীর সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার কারনে হরতালে কোন সহিংসতার ঘটনা ঘটে নি।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful