Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২০ :: ১২ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১০ : ০৬ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / মরণফাঁদ: ১৩৮ কিঃ মিঃ মহাসড়কে ৩৭ টি বাঁক ও ৯ টি রেল ক্রসিং

মরণফাঁদ: ১৩৮ কিঃ মিঃ মহাসড়কে ৩৭ টি বাঁক ও ৯ টি রেল ক্রসিং

LALMONIRHAT - 30-10-13-NEWS-1আসাদুজ্জামান সাজু, অতিথি লেখক: লালমনিরহাটের মোস্তফিরহাট থেকে বুড়িমারী স্থলবন্দর পর্যন্ত জাতীয় মহাসড়কের ১৩৮ কিলোমিটারে রয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ ৩৭ টি বাঁক। প্রতিটি বাঁক যেন এক একটি মরণফাঁদ। বিপদজনক এসব বাঁকে প্রায়ই ঘটছে কোনো না কোনো দুর্ঘটনা। অপরিকল্পিত এসব বাঁকের কারণে গত এক বছরে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত অর্ধশত মানুষ। এত গেল বাঁকের কথা। এ ছাড়া প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের কর্মীরা মহাসড়কের দু’পাশ দখল করে গড়ে তুলছেন দোকানপাট। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরো বেড়ে গেছে।

এ অবস্থায় যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মহা সড়কের দুই ধার থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দিলেও লালমনিরহাট-বুড়িমারী স্থলবন্দর পর্যন্ত ১০৬ কিলোমিটার রাস্তায় উচ্ছেদের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। উল্টো মহাসড়কের ফুটপাতে অবৈধ দখল চলছেই।

সরে জমিন দেখা গেছে, বুড়িমারী স্থলবন্দর থেকে লালমনিরহাট তিস্তা সড়ক সেতু পর্যন্ত ২০০ ছোট-বড় বাঁক রয়েছে। এর মধ্যে বুড়িমারী স্থলবন্দর থেকে উঠেই ১০০ গজের মধ্যে তিনটি, পাটগ্রাম মহিলা কলেজ থেকে বাউরা প্যারাগন পর্যন্ত ১৭ টি, বড়খাতা হাইওয়ে থেকে পারুলিয়া শিমুলতলা পর্যন্ত ৭ টি, কবি শেখ ফজলুল করিমের বাড়ির সামনে থেকে তুষভান্ডার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় পর্যন্ত ৬ টি, তুষভান্ডার থেকে মোস্তফিরহাট রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়কের সংযোগ স্থল পর্যন্ত ১১টি বাঁক রয়েছে। এ গুলোর মধ্যে ৩৭ টি বাঁক মারাত্মক বিপদজনক। এ ছাড়া লালমনিরহাট-বুড়িমারী পর্যন্ত মোট ৯ টি অবৈধ রেলক্রসিং রয়েছে। এ গুলো হচ্ছে পাটগ্রামের আন্ত: জেলা বাইপাস ক্রসিং, বাসস্ট্যান্ড ক্রসিং, বাউরা ক্রসিং, বাউরা প্যারাগন ক্রসিং, বড়খাতা কৃষি কলেজ ক্রসিং, হাতীবান্ধা মেডিকেল ক্রসিং, ভোটমারী ক্রসিং, কালীগঞ্জ তেলের পাম্প ক্রসিং ও কাকিনা ক্রসিং। এসব রেল ক্রসিংয়ে অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

মহাসড়কের দুই ধারে রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীদের দখলে রয়েছে কয়েক হাজার দোকানপাট। গড়ে ওঠে অর্ধশতাধিক বাজার। ফুটপাত দখল হওয়ায় পথচারী কিংবা ছোট ছোট যানবাহন গুলো চলাচলে মারাত্মক দূর্ঘটনার কবলে পড়ছে।

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

লালমনিরহাটের জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান জানন, রাস্তাটি’র অনেক জায়গার মোড় গুলো যেন এক একটি মরণফাঁদ। মহা সড়কের দুই ধারে রীতিমতো অবৈধ দোকানপাট গড়ে উঠেছে। এ গুলো সরানো সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। তবে ফোর লেন কাজের সময় মরণ ফাঁদ বলে পরিচিত বাঁক গুলো সোজা করা হবে। রেল লাইনের ওপর দিয়ে যেন রাস্তা পারাপার না হয়, সেদিকেও নজর দেয়া হবে।

লালমনিরহাট সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী সুরুজ মিয়া জানান, রংপুর পায়রা চত্বর থেকে লালমনিরহাট-বুড়িমারী ল্যান্ডপোর্ট পর্যন্ত ১৩৮ কিলোমিটার মহা-সড়ক চারলেনে উন্নতির জন্য এরই মধ্যে জরিপকাজ শেষ হয়েছে। এখন অন্যান্য কার্যক্রম চলছে। এরপর প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হবে। প্রকল্পটি পাস হলে রাস্তাটি সোজা হবে। কোথাও কোনো অনাকাঙ্গিত মোড় থাকবে না। তবে রেল ক্রসিং যেখানে থাকবে, সেখানে ফ্লাইওভার থাকবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful