Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৮ :: ৩০ কার্তিক ১৪২৫ :: সময়- ৫ : ১৯ পুর্বাহ্ন
Home / ঠাঁকুরগাও / ঠাকুরগাও-৩: নৌকা প্রতিক না থাকলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ঘোষনা অধ্যক্ষ গোপালের

ঠাকুরগাও-৩: নৌকা প্রতিক না থাকলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ঘোষনা অধ্যক্ষ গোপালের

রাণীশংকৈল প্রতিনিধি: আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ঠাকুরগাও-৩ আসনে বাংলাদেশ আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশি সনাতন ধর্মাবল্বী শক্তিধর নেতা অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র নির্বাচনী এলাকায় মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। এই নির্বাচনী এলাকায় বিগত ১৮ বছর ধরে আ’লীগের দলীয় প্রার্থী ছিল না। যদি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে নৌকা প্রতিক না থাকে তবে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবেন বলে ঘোষনা দেন।
গত ২৭ অক্টোবর স্বারদীয় দুর্গা পুজা উপলক্ষে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে ঠাকুরগাঁও-৩ নির্বাচনী এলাকা রাণীশংকৈল পীরগঞ্জ’র হিন্দু বৌদ্ধ, খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ ও পুজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সুধিমহল জমায়েত হন। দুই উপজেলার নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে নির্বাচনী ইস্যুটিকে বার বার তুলে ধরেন। এ সময় জেলা ও দুই উপজেলার নেতৃবৃন্দ এই আসনে নৌকা প্রতিকের জোর দাবি জানান। আর যদি নৌকা প্রতিক না থাকে তবে অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ গ্রহণ করবেন। বক্তারা আরো বলেন, এই আসনে লক্ষাধিক হিন্দু ভোটার। আমরা সবাই আ’লীগ করি, নৌকা প্রতিকে ভোট দিই। আমাদের মূল্যায়ন করা না হলে আগামী একাদশ জাতীয় নির্বাচনে আমরা আমাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হব।
অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র সুসংগঠিত করে রেখেছেন হিন্দু সম্প্রদায়কে। শুধু তাই নয় দলমত নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে তিনার প্রচুর ভক্ত রয়েছে। অনেকে দলীয়ভাবে পাশে দাঁড়াতে চান আবার অনেকে গোপাল বাবু মানুষটির ভালবাসায় মুগ্ধ হয়ে পাশে থাকতে চান। তিনার দৈনন্দিন জীবন চলার মাঝে পরিলক্ষিত হয় এসব। তিনি মানুষের সুখে দুঃখে ভুক্তভোগীদের পাশে গিয়ে দাঁড়ান। মানুষের সুখ দুঃখকে নিজের মত করে নেন। তিনি যেন মানুষের অনুপ্রেরণা। সকল স্তরের মানুষের ভালবাসার পাত্র হয়ে গেছেন তিনি। তিনার মুখের মিষ্টি হাসি আর গঠনমূলক কথা যেন মানুষকে বাঁচার অনুপ্রেরণা যোগায়। মানুষের জীবনে কর্মশক্তিকে উদ্জীবিত করে তোলে। ২০১০ সালের পর থেকে নির্বাচনী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকার ফলে মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছেন তিনি। ইতিপুর্বে তিনি নির্বাচন না করলেও নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে তিনার নির্বাচনে অংশ গ্রহণের বিষয়টি।
জাবরহাট এলাকার সতেন চন্দ্র বলেন, গোপাল দাদা আমার প্রাণের একজন মানুষ। আমরা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ কোথাও ঠাঁই না পেলে তিনার কাছে গিয়ে দাঁড়ায়। আমাদের সুখে দুঃখে উনাকে আমরা পাই। রাণীশংকৈল উপজেলার হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ ও পুজা উদ্যাপন কমিটির নেতা অমল কুমার রায়, প্রাণ গোবিন্দ সাহা, সাধন বসাক জোর দাবি তুলে বলেন গোপাল বাবু আমাদের সুখে দুঃখে পাশে থাকেন। আমরা আ’লীগ করি ঠিক তবে আমাদের মূল্যায়ন করা হয়। পদে পদে আমরা অবহেলিত হই। তারপরও আমরা ঠাকুরগাও-৩ আসনে নৌকা প্রতিক না পাই তবে গোপাল বাবুকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করাব। এবং এটা আমাদের সম্প্রদায়ের সিদ্ধান্ত।
২০০১ সালের দিকে উপজেলা আ’লীগের দুর্দিন থাকা কালীন সময় তিনি তৃণমুল পর্যায়ের নেতা কর্মীদের শক্ত হাতে ঐক্যবদ্ধ করে তোলেন। তিনার ভালবাসা আর বুদ্ধিমত্তায় মানুষের কাছে গ্রহণ যোগ্যতা বাড়ে। তিনার কর্মতৎপরতা দেখে উপজেলা নেতৃবৃন্দ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক পদে অন্তর্ভ‚ক্ত করেন। আ’লীগের কাউন্সিলে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোনিত হন। বর্তমানে তিনি পুজা উদ্যাপন পরিষদের পীরগঞ্জ উপজেলার সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর হয়ে নির্বাচনে সক্রিয় ভুমিকা রেখে দলীয় নেতা কর্মীসহ সাধারণ মানুষের মন জয় করে প্রিয় পাত্র হয়ে উঠেন। স্থাণীয় সরকার নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী না হওয়ায় নেতৃবৃন্দ’র সাথে বাক বিতন্ডা হয় তিনার। এবং ভ‚ল সিদ্ধান্তের কারনে প্রার্থী হেরে যায়।
গোপাল চন্দ্র জানান, আমি নোংরা রাজনীতিকে সুস্থ রাজনীতিতে রুপান্তরিত করতে চায়। নোংরা রাজনীতির বেড়াজাল থেকে সাধারণ মানুষকে মুক্ত করার মন মানষিকতা নিয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করার অনুপ্রেরণা পেয়েছি। তিনি আরো বলেন, ১৯৯৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর থেকে যারা জয়ী হয়েছেন তারা জনগণকে সবচেয়ে বেশি প্রতারণা করছেন। মানুষের দুঃখ দুর্দশা, কষ্ট তিনাকে হতবাক করেছে। মানুষ তাদের নায্য অধিকার থেকে পদে পদে বঞ্জিত হচ্ছে। এসব মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সুস্থ রাজনীতির প্লাটফর্ম তৈরী করার কথায় ভাবছেন এই নেতা। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি আমার অনুপ্রেরনা জোগায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নমূখী কর্মকান্ডেকে আরো বেগবান করার লক্ষেই তিনি রাজনীতির আরো ভাল জায়গায় অবস্থান করতে মরিয়া হবে উঠেছেন।
সামাজিক, অর্থনৈতিক, পারিপার্শিক পরিবর্তন ঘটিয়ে বাংলাদেশ আ’লীগের রাজনীতিতে মডেল তৈরী করতে চান এই বর্ষিয়ান নেতা।
তিনি আরো জানান, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের নির্বাচনী এলাকায় প্রায় এক লক্ষ হিন্দু ভোটার আছে। আমরা আ’লীগ ছাড়া নৌকা প্রতিক ছাড়া ভোট দেয় না অথচ আমাদের সব চেয়ে বেশি অবহেলিত হতে হয়। আমাদের মূল্যায়ন করা হয়না। ঠাকুরগাও-৩ নির্বাচনী এলাকায় যদি নৌকা প্রতিকের প্রার্থী না থাকে তবে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করবেন।
ঠাকুরগাঁও-৩ নির্বাচনী এলাকায় প্রাপ্ত তথ্যমতে, সকল ধর্মীয় উৎসবে তিনি সকলের খোজ খবর নেন। ঘর বাড়ি আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের সাহায্য সহযোগিতা করেন তিনি। অসহায় দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা, খেলাধুলা, চিকিৎসা জনিত বিষয়ে যথা সম্ভব সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। অন্যের সুখ দুঃখকে নিজের সুখ দুঃখ ভেবে পাশে দাঁড়ান।
আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচনে অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্রের দিকে দৃষ্টি রেখেছেন দলের সিংহভাগ নেতাকর্মী ও ভক্তকুল। এটি উনার প্রথম নির্বাচন কলেও ছোট করে দেখার সময় নেই কারো এমন আভাস নির্বাচনী এলাকায়। দলীয় সিদ্ধান্ত সঠিক না হলে নৌকা প্রতিক না থাকলে আসনটি হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার আশংকায় রয়েছেন স্থাণীয়রা।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful