Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ :: ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ :: সময়- ৩ : ৫৪ অপরাহ্ন
Home / নীলফামারী / জলঢাকায় ঘনু রামের আত্মহত্যাকে পুঁজি করে চালবাজীর অভিযোগ

জলঢাকায় ঘনু রামের আত্মহত্যাকে পুঁজি করে চালবাজীর অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি ৬ ডিসেম্বর॥ বিভিন্ন হত্যা ও নাশকতার মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসী ও ক্যাডারদের একের পর এক পুনর্বাসন করার অভিযোগে নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা এবার একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন হতে বঞ্চিত হয়েছে। এই আসনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি হতে দলের কোন প্রার্থীর নাম ঘোষনা করা হয়নি। এবার আসনটি মহাজোট তথা জাতীয় পার্টির ঘরে দেয়া হয়েছে।
তবে দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে সাংসদ গোলাম মোস্তফা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করে যাচাই বাছাইয়ে টিকে আছেন। দলীয় ভাবে নৌকার প্রার্থীতার জন্য লবিং করতে গোলাম মোস্তফা বর্তমানে ঢাকায় ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছে। মোস্তফাকে নৌকার মাঝির দাবি তুলে তার বেশ কিছু সমর্থকরা সম্প্রতি দুই দফায় জলঢাকা উপজেলার মীরগঞ্জ ও খুটামারা এলাকায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে। এরপর সোমবার (৩ ডিসেম্বর) গোলাম মোস্তফার সমর্থকরা জলঢাকা শহরে পুনরায় গোলাম মোস্তফার নৌকার টিকেটের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসুচি পালনের ডাক দিয়ে তোলপাড় সৃস্টি করে। জেলা রির্টানীং অফিসার অভিযোগ পেয়ে নির্বাচনী আচরন বিধি অমান্যের জন্য সেখানে ভ্রাম্যমান আদালত সহ আইনশৃঙ্গলা বাহিনীকে প্রেরন করে। কর্মসুচির জন্য জলঢাকা বাজারে জুড়ে লাগানো ৫০টি মাইকের হর্ণ নামিয়ে দেয়া হয়। ফলে ওই কর্মসুচি ভন্ডুল হয়ে যায়।
এ দিকে একটি আত্মহত্যার ঘটনাকে পুঁজি করে মোস্তফার সমর্থকদের বিরুদ্ধে চালবাজির অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, জলঢাকা উপজেলার ধর্মপাল ইউনিয়নের পাইটকাপাড়া গ্রামের মৃত. প্রহল্লাদ চন্দ্র রায়ের ছেলে ঘুনুরাম রায়(৫০) নামের এক দিনমজুর বুধবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে পরিবারের সদস্যদের অনুপস্থিতিতে নিজ বাড়িতে ঘরের চালের বাঁশের তীরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ মস্তিক বিকৃতির কারনে সে আত্মহত্যা করে। ঘনু রামের আত্মহত্যায় তার পরিবারে চলছে শোকের মাতন। অপরদিকে ঘনু রামের আত্মহত্যাকে পুঁজি করে দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত সাংসদ গোলাম মোস্তফার সমর্থকরা গুজব ছড়িয়ে দেয় নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনে নৌকার প্রার্থী না থাকায় আত্মহত্যা করেছেন দিনমজুর ঘুনুরাম রায়।
কিন্তু আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত গোলাম মোস্তফার সমর্থকদের এই ভাষ্যের সঙ্গে বাস্তবতার কোন মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি। ঘনু রামের আত্মহত্যা বিষয়টি নিয়ে পরিবারের লোকজন কোন ভাবেই বলেনি বা দাবি করেনি মনোনয়ন বঞ্চিত গোলাম মোস্তফার জন্য ঘনু রাম আত্মহত্যা করেছে।
জলঢাকা থানায় ঘনু রামের ভাতিজা শুরেস চন্দ্র লিখিত ভাবে জানায়, তার চাচা বেশ কিছুদিন থেকে মস্তিস্কে বিকৃত রোগে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্নরূপে অসংগতি কার্যক্রম করা অব্যাহত রাখে। পরিবারের লোকজন আমরা তার স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করি। এতে উপক্রম না হওয়ায় তার উন্নত চিকিৎসার উদ্যোগ নেয়া হয়। এ অবস্থায় মস্তিস্ক বিকৃত রোগের কারনে ৫ ডিসেম্বর দুপুর ১টায় ঘনু রাম নিজবাড়ির দক্ষিন দিকে উত্তর দূযারী ঘরের বাঁশের উয়ার সাথে রশি ঝুলিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। অত্র বিষয়ে আমাদের পরিবারের কারো কোন অভিযোগ নেই। এ জন্য কাউকে দায়ি করা হবেনা। এমন লিখিত কাগজ পেয়ে জলঢাকা থানার ওসি একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেন যার নম্বর ৩৫।
এ ব্যাপারে ঘনুরামের স্ত্রী মেনেকা রানী বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে আমার স্বামীর মাথা খারাপ। জ্বর আসলে আউল বাউল বকে। কয়েকদিন আগে ধান কাটাই মাড়াই ও তামাক বোপনের কাজ করেছিল। আবার জ্বর আসায় তার স্বামী বেশ কিছুদিন ধরে বাড়িতেই থাকতো। স্বামীর মাথা ব্যথা করতো খুব। ব্যথা উঠলে সহ্য করতে পারতো না।
মেনেকা রানী জানায়, ঘটনার দিন আমি সকালে কৃষি কাজের জন্য বাহিরে চলে যাই। আমার আট বছরের মেয়ে মাধবী স্কুলে যায়। মেয়ে দুপুরে স্কুল হতে বাড়ি এসে দেখতে পায় তার বাবা ফাস টাঙ্গিয়ে আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে আমি সহ এলাকাবাসী ছুটে আসি। এরপর পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে ফাস হতে লাশ নামায়। এক প্রশ্নের জবাবে মেনেকা বলেন, আমরা কোন রাজনীতি করিনা ও বুঝিনা। আমার স্বামীর মাথা খারাপের কারনে সে আত্মহত্যা করেছে।
ঘনুরামের আট বছরে মেয়ে মাধবী বলে, আমি সকাল ১১টায় স্কুল হতে বাড়ি আসি। ঘরে বই রেখে বাহিরে খেলতে যাই। দুপুরে বাড়ি এসে বাবার ঘরে ঢুকে দেখতে পাই বাবা দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে মারা গেছে। এরপর চিৎকার দেই আমি। বাবার ব্রেন খারাপ হইছিল।
ঘনু রামের মেজো ভাই কাঠু রাম বর্মন বলেন, ওর মাথা খারাপ। মাথা ব্যথা সহ্য করতে পারতো না। এই কারনেই ঘনু আত্মহত্যা করেছে।
গ্রামের পল্লী চিকিৎসক শাহিনুর আলম বলেন, ৫/৬ মাস হতে মাথায় সমস্যা ঘনুরামের। তার মাথায় প্রচন্ড ব্যথা করতো। আমি ঔষধ দিতাম। তাকে বড় ডাক্তার দেখার জন্য বলেছিলাম।
প্রতিবেশী আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, গ্রামের সবাই জানে ঘনু রামের ব্রেন সমস্যা। কখনও কখনও ঘর হতে বের হয়ে চিৎকার দিয়ে বলে টুপি দাও মসজিদ যাবো নামাজ পড়বো। তার মাথা খারাপের সঙ্গে মাথা ব্যথা ছিল খুব।
গ্রামের নাম প্রকাশ না করার সত্বে শতশত মানুষজন অভিযোগ করে সাংবাদিকদের বলেন, ব্যাক্তি স্বার্থ হাসিলে মানুষজন কত চালবাজি করে তা চোখে দেখতে পেলাম আমরা। ঘনুরামের আত্মহত্যার ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার কিছুক্ষনের মধ্যে ঘনুরামের বাড়িতে ছুটে আসে এমপি গোলাম মোস্তফার ভাতিজা হামিদুল ইসলাম ও নাতী ধর্মপাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জামিউর রহমান। ইউপি চেয়ারম্যান আবার নৌকা বিরোধী। তিনি জামায়াত সমর্থক। নৌকার চেয়ারম্যানকে পরাজিত করে এমপি তার জামায়াত সমর্থক নাতীকে চেয়ারম্যান করেছে। তাদের কাছে কোন কাজের জন্য গেলে খুঁজে পাওয়া যায়না। পাইটকাপাড়ায় তারা কোন সময় উকিও দেয়না। অথচ তারা ঘনুর আত্মহত্যায় তরিৎগতিতে এসে হাজির হয়।
এরপর ইউপি চেয়ারম্যান ঢাকায় অবস্থানরত এমপি গোলাম মোস্তফাকে মোবাইলে জানায় তিনি নৌকার মনোনয়ন না পাওয়ার দুঃখে ঘনু রাম গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এরপর তার মোবাইলের খবরে বেশ কিছু সাংবাদিক ছুটে আসে। এলাকাবাসীর অভিযোগ ঘনু রামের আত্মহত্যাকে পুঁজি করে নৌকার মনোনয়ন বঞ্চিত গোলাম মোস্তফার সমর্থকরা চালবাজী শুরু করছে। তারা ধারনা করছে এই ঘটনা ছড়িয়ে দিলে গোলাম মোস্তফাকে শেখ হাসিনা আবারো দলীয় মনোনয়ন দিবে। গ্রামবাসীর অভিযোগ গত ৫ বছরে এমপি আমাদের গ্রামে আসেনি। দিন মজুর ঘনু রামকে কোনদিন সাহার্য্য সহযোগীতা করেছে এমন কথাও শুনিনি। ঘনুর পরিবার অভাবী। দিন এনে দিন খায়। তার জন্য মোস্তফা এমপিকে কোন দিন অর্থ সাহার্য্য দিতে দেখিনি।
এমপি গোলাম মোস্তফার সমর্থক ধর্মপালের সহিদুল ইসলাম বলেন, গোলাম মোস্তফা মনোনয়ন না পাওয়ায় উনি (ঘনু) আত্মহত্যা করেছে। আপনি নিশ্চিত হলেন কি ভাবে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে সহিদুল ইসলাম বলেন মরার (আত্মহত্যা) আগে সে বলেছে এমপি গোলাম মোস্তফা মনোনয়ন পায়নি তাই আমি আত্মহত্যা করলাম। আপনি কি আত্মহত্যার সময় ঘনুরামের কাছেই ছিলেন নাকি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি ঘাবড়ে গিয়ে বলেন আরে না, কাছে থাকবো কেন। সেতো হাটবাজারে ঘুরেঘুরে এই কথা বলতো। কিন্তু ধর্মপালের হাটবাজারের কোন মানুষজন সহিদুল ইসলামের কথার সঙ্গে একমত হতে পারেননি। তারা বলছে সহিদুল হলো দালাল।
এদিকে ধর্মপাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জামিউর রহমান বলেন, নীলফামারী-৩ আসনে এবার নৌকার প্রার্থী গোলাম মোস্তফা না থাকায় তার অন্ধ ভক্ত ঘনু রাম গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরিবারের সদস্যদের কোন অভিযোগ না থাকায় পুলিশের অনুমতি নিয়ে রাতেই তার মরদেহ দাহ করা হয়। এ জন্য আমি তার পরিবারকে ৩ হাজার টাকা সহায়তা করেছি।
এ ব্যাপারে সাংসদ গোলাম মোস্তফার সঙ্গে কথা বলার জন্য কয়েক দফায় তার মোবাইলে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেনি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জলঢাকা থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ঘনু রামের মস্তিস্ক বিকৃতির কারনে সে আত্মহত্যা করেছে বলে তাদের পরিবারের পক্ষে লিখিত অভিযোগ দেয়। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষে ময়না তদন্ত ছাড়া লাশ দাহ করার অনুমতি চাইলে তা গ্রহন করা হয়।
এদিকে জলঢাকায় প্রচার আছে বিভিন্ন হত্যা ও নাশকতার মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসী ও ক্যাডারদের একের পর এক পুনর্বাসন কারার অভিযোগে নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা এবার একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন হতে বঞ্চিত হয়েছে। এই আসনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি হতে দলের কোন প্রার্থীর নাম ঘোষনা করা হয়নি। এবার আসনটি মহাজোট তথা জাতীয় পার্টির ঘরে দেয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে জলঢাকা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সহীদ হোসেন রুবেল বলেন, ঘনু রাম মস্তিস্ক বিকৃতির কারনে আত্মহত্যা করেছে এটি আমরা জানতে পেরেছি। এই আত্মহত্যাকে নিয়ে চালবাজি শুরু হয়েছে।
গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে অভিযোগ গত ৫ বছরে তিনি বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল প্যাডে প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভাপতি শেখ হাসিনার কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনছার আলী মিন্টু ও সাধারন সম্পাদক সহীদ রুবেল।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের নিয়োগে তিনি ও তার স্ত্রী মার্জিয়া সুলতানা প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে উৎকোচ গ্রহণ করছেন। নিয়োগপ্রাপ্তদের বেশির ভাগই জামায়াত-শিবিরের।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আলোচিত ছাত্রলীগ নেতা ফারুক হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি শিবির ক্যাডার আরাফাত আলীর বাড়ি নীলফামারীর জলঢাকায়। আরাফাত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র। থাকতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএম হলের ১১৮ নম্বর কক্ষে। ২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ক্যাম্পাসে নৃশংসভাবে ফারুক খুন হওয়া সংশিষ্ট মামলার তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ৮ জুলাই মতিহার থানা পুলিশ চার্জশিট (নং-১৪১) জমা দেয়। এতে ২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ফারুক হত্যার সঙ্গে আরাফাতের সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি মতিহার থানার আরও একটি বিস্ফোরক মামলার আসামি তালিকাতেও আরাফাতের নাম রয়েছে। এই চিহ্নিত শিবির ক্যাডার আরাফাতকে স্থানীয় টেংগনমারী স্কুল ও কলেজে ইসলাম শিক্ষা বিভাগে প্রভাষক পদে নিয়োগ দেওয়া হয় এমপি গোলাম মোস্তফার নির্দেশে। এর প্রতিবাদে ও তার চাকরি প্রদানের সিদ্ধান্ত বাতিলে চলতি বছরের ১৭ মার্চ এমপি গোলাম মোস্তফার কাছে লিখিত অনুরোধ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বারিত চিঠিতে আরাফাতের পরিচয় তুলে ধরে চাকরি দেওয়া থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়। সেই অনুরোধও কানে তোলেননি গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো এমপি হওয়া গোলাম মোস্তফা। অবশ্য শুধু ছাত্রলীগ নেতা ফারুক হত্যা মামলার আসামিকে পুনর্বাসন নয়, আরও জামায়াত-শিবিরের কমপক্ষে পাঁচ ক্যাডারকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দিতে সরাসরি ভূমিকা রেখেছেন জলঢাকার আওয়ামী লীগের এমপি গোলাম মোস্তফা।
জলঢাকা আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী জানায়, ওই অভিযোগের সত্যতা শতভাগ হওয়ায় গোলাম মোস্তফাকে আওয়ামী লীগ আর নৌকার মাঝির টিকেট প্রদান করেনি। অনেকে মোস্তফাকে দল হতে বহিস্কারের দাবি তোলে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful