Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০ :: ৯ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১২ : ৩১ অপরাহ্ন
Home / আলোচিত / “প্রধানমন্ত্রী ছাড়া দেশে এখন আর কোন মন্ত্রী নেই”

“প্রধানমন্ত্রী ছাড়া দেশে এখন আর কোন মন্ত্রী নেই”

cabinetডেস্ক: পদত্যাগপত্র জমা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে মন্ত্রীদের পদ শূন্য হয়ে গেছে বলে মত দিয়েছেন শীর্ষস্থানীয় সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক এবং অধ্যাপক আসিফ নজরুল। তারা বলেছেন, ঠিক এই মুহূর্তে দেশে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া আর কোন মন্ত্রী নেই। বাংলাভিশনের টকশো ফ্রন্টলাইনে আলোচনায় অংশ নিয়ে তারা এই মত দেন।

সাংবাদিক মতিউর রহমান চৌধুরীর উপস্থাপনায় দুই আলোচক প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক বলেন, ৪২ বছর ধরে আমাদের দেশে মন্ত্রীদের পদত্যাগের ঘটনা তেমন একটা ঘটেনি। এ কারণে পদত্যাগ নিয়ে এত আলোচনা হচ্ছে। আমি মন্ত্রিপরিষদ সচিবের বক্তব্য শুনেছি। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নিজের ইচ্ছানুযায়ী পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠাবেন। অনিচ্ছুক হলে গ্রহণ করবেন না। কিন্তু আমি স্পষ্ট করে বলি এটা সংবিধানের বক্তব্য নয়। সংবিধানের ৫৮ অনুচ্ছেদ একেবারেই স্পষ্ট। ওই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোন মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিলেই তার পদ শূন্য হয়ে যাবে। পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা না করার কোন এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রীর নেই। এটা কোন সরকারি চাকরি নয়। এটা সাংবিধানিক পদ। সব সাংবিধানিক পদেই পদত্যাগের এটাই নিয়ম।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেন, সাংবিধানিকভাবে শাহদীন মালিকের বক্তব্য সঠিক। সংবিধান অনুযায়ী দেশে এখন প্রধানমন্ত্রী ছাড়া কোন মন্ত্রী নেই। কিন্তু সংবিধানের এ ব্যাখ্যা তো সরকার মানে না। তাদের কাছে প্রধানমন্ত্রী যা চান তাই সংবিধানের ব্যাখ্যা। অন্য কোন ব্যাখ্যা তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। এর আগে সোহেল তাজ পদত্যাগ করলেও দুই বছর তার পদত্যাগপত্র কার্যকর করা হয়নি। তার জন্য বেতন পাঠানো হয়েছে।

‘শান্তি চাই, প্রধানমন্ত্রিত্ব চাই না’ প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের ব্যাপারে এক দর্শকের প্রশ্নের জবাবে ড. শাহদীন মালিক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্য বিভ্রান্তি তৈরি করেছে। উনি পদত্যাগ করলেই ৯০ শতাংশ সমস্যা দূর হয়ে যাবে। আর এটা তো দীর্ঘ সময়ের জন্য নয়। প্রধানমন্ত্রী তো বড় জোর ৬ সপ্তাহের জন্য পদ ছাড়বেন। এসময় তার দলের অন্য কেউ প্রধানমন্ত্রী হলেও হয়তো বিএনপি তা মেনে নেবে। আমি মনে করি প্রধানমন্ত্রীর কথা বিশ্বাস করা উচিত। উনি যেন উনার কথা রাখেন।

অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, বাস্তবতা হচ্ছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বহাল থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে এটা দেশের কেউ বিশ্বাস করেন না। তিনি বলেন, আমরা সবাই হরতালের সহিংসতার কথা বলছি। কিন্তু কেন এই সহিংসতা তা কেউ বলছি না। সহিংসতা অবশ্যই নিন্দাযোগ্য। আমরা তা বন্ধেরও দাবি জানাই। কিন্তু বিরোধী দলকে অন্য কোন কর্মসূচি পালনের সুযোগ দেয়ার দাবিও আমাদের জানাতে দিতে হবে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ তার অধীনেও বিএনপি নির্বাচনে যাক তা চায় না। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পিয়াস করিমের বাসায় সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানান দুই আলোচক। বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিদেশী এবং ভারতীয় হস্তক্ষেপের সমালোচনা করেন অধ্যাপক আসিফ নজরুল। মতিউর রহমান চৌধুরী টকশো শেষ করেন এই বলে, আমাদের আত্মসমালোচনাও করতে হবে। এই সমাজের বিবেকবান কিছু মানুষ কথা বলেন কিছু প্রাপ্তির আশায়, মনোজগতের তাগিদে নয়।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful