Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০ :: ৯ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১১ : ০১ অপরাহ্ন
Home / আলোচিত / একাই সিদ্ধান্ত নেবেন খালেদা!

একাই সিদ্ধান্ত নেবেন খালেদা!

khaledaডেস্ক: গ্রেফতার আতঙ্কে দলের শীর্ষ নেতারা আত্মগোপনে থাকলেও প্রয়োজনে নির্দলীয় সরকারের দাবিতে আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি একাই নির্ধারণ করবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দলের পক্ষ থেকে নতুন কর্মসূচি নির্ধারণে তাকে এই ক্ষমতা দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তাই বিরোধী দলের আন্দোলন বন্ধে সরকারের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকলে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে দলের শীর্ষ পর্যায়ের একটি সূত্রে জানা গেছে।

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের পর থেকেই এ ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন করছে বিএনপি। যা পরবর্তীতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের আন্দোলনে রূপান্তরিত হয়।

দাবি আদায়ে ১৮ দল কয়েক দফা আলটিমেটাম, হরতালসহ বেশ কিছু কর্মসূচি পালন হলেও তাতে সাড়া দেয়নি বর্তমান মহাজোট সরকার। সে কারণে সরকারের শেষ সময়ে এসে কঠোর অবস্থান নেয়ার কথা বলে তিন দফায় ৬০+৬০+৮৪=২০৪ ঘণ্টার হরতালের ঘোষণা দেয় প্রধান বিরোধী জোট। কিন্তু প্রথম দফায় হরতালে কিছুটা চাঙ্গাভাব দেখা দেখা গেলেও দ্বিতীয় দফায় তা ‘ঢিলেঢালায়’ পরিণত হয়।

তবে গত শুক্রবার রাতে হঠাৎ করে বিএনপির শীর্ষ তিন নেতার গ্রেফতার, বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের বাসায় বাসায় পুলিশের তল্লাশি, কারো বাসার সামনে পুলিশের অবস্থানে দারুণ চাপে পড়ে বিএনপি। শেষ পর্যন্ত দলের চেয়ারপারসনের বাসার সামনে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন, বাসা থেকে বের হওয়ার পর খালেদা জিয়ার এক উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারীর গ্রেফতারে এই আতঙ্ক সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে দলটির প্রায় সব শীর্ষ নেতাই আত্মগোপনে চলে যান।

একপর্যায়ে খালেদা জিয়াও গ্রেফতার হতে পারেন বলে ‘গুজব’ শুরু হয়। সে কারণে দলের চেয়ারপারসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ বন্ধও হয়ে যায় শীর্ষ নেতাদের। টেলিফোনে কারো কারো সঙ্গে দলীয় প্রধানের কথা হলেও এখনো কেউ তার সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করতে পারছেন না। তাই ঘোষিত হরতাল কর্মসূচি শেষ হলে পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ নিয়ে বেশ সমস্যায় আছে দলটি। সে কারণে খালেদা জিয়াকে এককভাবেই কর্মসূচির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সর্বদলীয় সরকার গঠনের লক্ষ্যে মন্ত্রীদের পদত্যাগ, মনোনয়নপত্র বিক্রিসহ নির্বাচনের সবধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে আওয়ামী লীগ। কিন্তু এসব দিক দিয়ে বেশ পিছিয়ে আছে বিএনপি। এছাড়া আন্দোলনের ক্ষেত্রেও সরকারকে তেমন একটা চাপ সৃষ্টি করা এখনো সম্ভব হয়নি। আর শীর্ষ নেতারা আত্মগোপনে থাকায় নতুন কর্মসূচি ঠিক করা নিয়েও বিপাকে রয়েছে দলটি। তবে শেষ সময়ে সঠিক কর্মসূচি না নিতে পারলে আরো বেশি সমস্যায় পড়তে হবে। তাই স্থায়ী কমিটির একটি বৈঠক জরুরি হয়ে পড়েছে। কিন্তু সরকার বর্তমান অবস্থানে থাকলে তা অনেকটা অসম্ভব হবে।

দলীয় সূত্রে আরো জানা গেছে, স্থায়ী কমিটির সবশেষ বৈঠকে আগামী সপ্তাহেও হরতালের কর্মসূচি দেয়ার বিষয়ে নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে এরমধ্যে নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করলে অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে। এরমধ্যে সরকার অবস্থান পরিবর্তন না করলে কর্মসূচির বিষয়ে খালেদা জিয়া এককভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন।

তবে বিকল্পধারার প্রেসিডেন্ট বি. চৌধুরী ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল ১৮ দলের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে গেলে কর্মসূচিতে পরিবর্তন হতে পারে বলেও জানা গেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার রাতে তারা বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে বৈঠক করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য  বলেন, “দলের চেয়ারপারসনকে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে একক সিদ্ধান্ত নেয়ার ব্যাপারে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। তাই সরকার হার্ডলাইনে থাকলে প্রয়োজনে তিনি তাই করবেন।” সরকারের অবস্থান যাই হোক দাবি না মানলে আরো কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

জোটের এক শীর্ষ নেতা  বলেন, “হরতালের কর্মসূচি চললেও আওয়ামী লীগ যেখানেই নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করবে সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। এটা আমাদের সিদ্ধান্ত। আর একদলীয় নির্বাচনের চেষ্টা প্রতিহত করতে স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সংগ্রাম কমিটি কাজ করবে। একই সঙ্গে নতুন করে কঠোর কর্মসূচি তো থাকবেই।”

আগামী দিনের আন্দোলন কর্মসূচির বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির একজন শীর্ষ নেতা বলেন, “সরকার এখন ইনসেন্টিভ কেয়ারে। মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের পর তাদের দাম্ভিকতার বেলুন চুপসে যাচ্ছে। দলীয় র্যা ব, পুলিশ ও বিজিবির নিরাপত্তা বেষ্টনীতে তারা এখন ঢাকায় অবরুদ্ধ। সামনের কর্মসূচিতে তাদের ঘরে অবরুদ্ধ করা হবে।”

আর বিএনপির প্রকাশ্যে থাকা একমাত্র নেতা যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী  বলেন, “সরকার নীলনকশার অংশ হিসেবে সর্বদলীয় সরকারের কথা বলে নিজেদের অধীনে নির্বাচন করতে চায়। তারা জনমতকে তোয়াক্কা না করে এসব করছে। তাই জনগণকে সঙ্গে নিয়েই এসব অপতৎপরতা বন্ধ করা হবে। নিশ্চয়ই আগামী দিনে কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।”

সূত্র: নতুন বার্তা ডটকম

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful