Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০ :: ১০ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১০ : ৫৩ পুর্বাহ্ন
Home / স্পোর্টস / বাংলাদেশ দলে অলরাউন্ডারের ছড়াছড়ি

বাংলাদেশ দলে অলরাউন্ডারের ছড়াছড়ি

b c b bcbডেস্ক: হাঁটি হাঁটি পা পা করে বাংলাদেশের ক্রিকেট বিশ্ব ক্রিকেটের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিখরে আরোহণ করছে। আর এ কঠিন শিখরে আরোহণ করতে বাংলাদেশকে বহু বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। বাংলাদেশের ক্রিকেটের সময়ের পাল্লা বাড়ার সাথে সাথে যেন সফলতাও সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে খানিকটা ধরা দিয়েছে মাঝেমধ্যে।

সে সফলতা এখন বলতে গেলে বাংলাদেশ প্রায় প্রতি সিরিজে বেশি আর কমে পায়। তবে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের সফলতা এখনো তেমন একটা চোখে পড়ার মতো না হলেও ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ দল ঠিকই আশা জাগানিয়া একটি দল।

এক সময় বাংলাদেশকে নিয়ে ক্রিকেট বিশ্বের পরাশক্তি দলগুলো ছেলেখেলা করত। কিন্তু সময়ের পাল এখন অনেক পরিবর্তন হয়েছে। বাংলাদেশের ক্রিকেট সে সময়কে এখন পেছনে ফেলে রাখার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

এখন বাংলাদেশের সাথে ক্রিকেট ম্যাচ মানে প্রতিপক্ষ দলের ম্যাচের আগের দিন সাকিব, তামিম, নাসির, মুশফিক, মাহমুদুল্লা, সোহাগ ও মুমিনুলদের  ব্যাটিং, বোলিংয়ের ভিডিও ফুটেজ দেখে অনুশীলন করা।

এর মধ্য দিয়ে এটাই বোঝা যায় যে, এদেশের ক্রিকেটের পালা বদল হয়েছে। এখন এদেশের ক্রিকেটকে নিয়ে হাসি তামাশা করার দিন শেষ হয়ে গেছে।

বাংলাদেশের ক্রিকেটে এখন ব্যাটিং, বোলিংয়ের আর ফিল্ডিংয়ের দল নয়। এখন এদেশের ক্রিকেট মানে দলে অলরাউন্ডের ছড়াছড়ি! যারা ব্যাট বলের লড়াইয়ে দু’দিকেই দুর্দান্ত খেলার যোগ্যতা রাখে।

বর্তমানে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডার সাকিবের সাথে নাসির,  মাহমুদুল্লা, সোহাগ, মাশরাফি ও মুমিনুলদের পেয়ে মোটামুটি একটা অলরাউন্ডার বেসড দল তৈরী করতে পেরেছে। যারা ক্রিকেট মাঠে প্রতিপক্ষের শত্রু হিসেবে আর্বিভূত হচ্ছেন প্রতিনিয়ত।

আর একটু বাড়িয়ে না বললে বলা যায় যে, বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশ দলেই অলরাউন্ডারের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি!

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার, ব্যাটসম্যান, বোলার ও ফিল্ডারদের দলীয় প্রচেষ্টায় ২০১০ সনের পর আবারও ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডকে পর পর দু’বার (বাংলাওয়াশ) করে দেখিয়েছে যে বাংলার দামাল ছেলেরা ব্যাট বলের লড়াইয়ে কতটা বিধ্বংসী! বিশেষ করে সদ্য সমাপ্ত বাংলাদেশের কাছে বাংলাওয়াশ হওয়া নিউজিল্যান্ড সিরিজে নাসির,  মাহমুদুল্লাহ, সোহাগ, মাশরাফি ও মুমিনুলদের অলরাউন্ড পারফরমেন্স ছিল দেখার মত। যদিও ২০১০ সালে বলতে গেলে সাকিব তো প্রায় একাই হারিয়ে দিয়েছিলেন এদেশের মাটিতে দু’বার বাংলাওয়াশের স্বাদ পাওয়া এই নিউজিল্যান্ডকে।

এবার একটা কথা না বললেই নয় যে, বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের কৃতিত্বকে খাটো করে দেখা হবে। আর সেটা হল ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপের প্রথম প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছিল নিউজিল্যান্ডকে।

সে ম্যাচের শুরুতেই তখনকার বাংলাদেশের অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল   নিউজিল্যান্ড দলের অধিনায়ক স্টিফেন ফ্লেমিংকে একটা বিশেষ অনুরোধ করেছিলেন  বিশ্বকাপের স্মৃতিকে স্মরণ করে রাখতে নিউজিল্যান্ড দলের সাথে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের একটা ফটোসেশন করার জন্য। কিন্তু ফ্লেমিং বুলবুলের সে অনুরোধ সেদিন হেসে উড়িয়ে দিয়েছিলেন এ কারণেই যে, হয়তো সেদিন বাংলাদেশ ক্রিকেট দল তার দৃষ্টিতে ছোট দল ছিল বলে।

বেছারা ফ্লেমিং এখন হয়তো আফসোস করে পাঁয়তারা করে বলতে থাকবেন, ইস! সেদিন যদি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাথে গ্রুপ ছবিটা তুলে রাখতাম…।

সাবাস বাংলাদেশ ! তোমরা এগিয়ে যাও সামনের দিকে।

ক্রেডিট:  এম এ রাশেদ, ঢাকারিপোর্ট

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful