Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০ :: ১০ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৪ : ৪৫ পুর্বাহ্ন
Home / ক্যাম্পাস / কারমাইকেল কলেজে কে বৈধ ? অধ্যক্ষ না ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ!

কারমাইকেল কলেজে কে বৈধ ? অধ্যক্ষ না ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ!

carmical collegeস্টাফ রিপোর্টার: রংপুর কারমাইকেল কলেজের অধ্যক্ষ হিসাবে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ এস এম মোকসেদ আলী না ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাহফুজা আনোয়ার বৈধ এ নিয়ে রশিটানাটানী চলছে। সাময়িক বরখান্ত হওয়া অধ্যক্ষ দাবী করছেন, তিনিই স্বপদে বহাল রয়েছেন। এ জন্য তিনি গত শুক্রকার কলেজে গিয়ে অধ্যক্ষের চেয়ারে বসেন। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয় বলছে, ওই কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে উপাধ্যাক্ষকে। এ নিয়ে কলেজের প্রশাসনিক কাজের জটিলতা বাড়ছে, সাংবাদিকদের এমন অভিযোগ করেছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাহফুজা আনোয়ার।

জানা গেছে, অন্যের বই নকল করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়ার মামলায় অভিযুক্ত হলে অধ্যক্ষ মোকসেদ আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক চিঠিতে গত ২২ অক্টোবর তাঁকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয়।

জানা গেছে, খুলনা বিএল কলেজের সাবেক শিক্ষক সুনীল কুমার গোলদার, পরিসাংখিক বলবিদ্যা নামের একটি বই ১৯৯৯ সালে প্রকাশ করেন। বইটি ২০০৮ সালে নকল করে বর্তমানে কারমাইকেল কলেজের অধ্যক্ষ মোকসেদ আলী তা নিজের নামে প্রকাশ করেন। এ ঘটনায় সুনীল কুমার গোলদার বাদী হয়ে ২০১১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর খুলনার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে কপিরাইট আইনে মামলা করেন।

মামলার বাদী সুনীল কুমার গোলদার বলেন, আমার বইটির ৯৫ভাগ নকল করে তিনি (অধ্যক্ষ, কারমাইকেল কলেজ) নিজের নামে ২০০৮ সালে প্রকাশ করেন। মামলা ছাড়াও পরে শিক্ষাসচিব ও শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর বিষয়টি জানানো হয়।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাহফুজা অনোয়ার সাংবাদিকদের বলেন, গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার কেন্দ্র ছিল এই কলেজে। এ জন্য সাপ্তাহিক ছুটি সত্ত্বেও কলেজ খোলা হয়। এ দিন অধ্যক্ষ মোকসেদ আলী হঠাৎ কলেজে এসে অধ্যক্ষের চেয়ারে বসেন। তিনি হাইকোর্টের একটি আদেশ দেখিয়ে বলেন, আদালত বরখাস্ত হওয়ার বিষয়টি স্থগিত করেছেন। ৪ দিন ধরে তিনি একইভাবে অফিস করছেন। এ অবস্থায় প্রশাসনিক বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণে সমস্যা হচ্ছে। তিনি বলেন, বিপদে পড়ার আশঙ্কায় গত কয়েক দিন তিনি কোনো কাগজপত্রে স্বাক্ষর দেননি।

কলেজ সূত্র জানায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়র অধিশাখা বিভাগ থেকে এই বিষয়ে কলেজে কোনো নির্দেশনামা পাঠানো হয়নি। তাই কলেজে কোনো কিছু ঘটলে এর দায়দায়িত্বে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকেই বহন করতে হবে। এ পরিস্থিতিতে শনিবার কলেজের এ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধিশাখা বিভাগে মৌখিকভাবে জানানো হয়।

মাহফুজা আনোয়ার বলেন, আমি কয়েক দিন ধরে কলেজের দাপ্তরিক কাজে কোনো স্বাক্ষর করছি না। আর আমি চেয়ারেও বসতে পারছি না। ফলে আমি বিব্রতকর অবস্থায় আছি। জরুরি ভিত্তিতে এ সমস্যার সমাধান প্রয়োজন।

অধ্যক্ষ মোকসেদ আলী সাংবাদিকদের বলেন, আমি হাইকোর্টে রিট করায় আদালত বরখাস্তের বিষয়টি স্থগিতের আদেশ দেন। এ বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে ৭ নভেম্বর চিঠি দিয়ে জানিয়েছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত কোনো চিঠি কলেজে পাঠানোর আগেই অধ্যক্ষের চেয়ারে বসার কারণ জানতে চাইলে তিনি কোনো জবাব দেননি।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful