Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২০ :: ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ১২ : ১৭ অপরাহ্ন
Home / আলোচিত / ‘শেখ হাসিনাই দুর্নীতিবাজ’

‘শেখ হাসিনাই দুর্নীতিবাজ’

ershadডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘দুর্নীতিবাজ’ বলে উল্লেখ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনে জাতীয় যুব সংহতির কেন্দ্রীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এরশাদ বলেন, ‘শেখ হাসিনা আমাকে দুর্নীতিবাজ বলেন। অথচ তিনি নিজেই  দুর্নীতিবাজ। তার আমলেই দুর্নীতি হয়েছে। পদ্মাসেতু, হলমার্ক, ডেসটিনিতে দুর্নীতি হয়েছে। আপনি (প্রধানমন্ত্রী) এখন দুর্নীতিতে আচ্ছন্ন।’

‘দেশে এখন গণতন্ত্রের নামে স্বৈরতন্ত্র চলছে’ উল্লেখ করে এরশাদ বলেন, ‘আমাকে দুই নেত্রী স্বৈরাচার বলেন। অথচ এই দুই নেত্রীই গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। জাতি এ থেকে মুক্তি চায়। সেই মুক্তির লক্ষ্যে জাতীয় পার্টি তৃতীয় শক্তি হিসেবে জনগণের সামনে আসবে।’

জাতীয় পার্টির শাসনামলে মানুষ হত্যা করা হয়নি দাবি করে এরশাদ বলেন, ‘তারা আমাকে অভিযোগ করে ড. মিলন ও নূর হোসেনকে হত্যা করেছি। তারা নিজেদের স্বার্থেই তাদের হত্যা করেছে।’

রাজধানীতে গত ৫ মে রাতে বাতি নিভিয়ে হেফাজতের সমাবেশে শত শত ধর্মপ্রাণ মোসলমানকে হত্যা করে রাস্তা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘মানুষের মন থেকে রক্তের দাগ ধুয়ে ফেলা যাবে না। সরকার এই রক্তের খেলা বন্ধ না করলে আগামীতে দেশের মানুষ তার জবাব দেবে।’

এরশাদ বলেন, ‘জাতীয় পার্টি ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে মাথা উঁচু করে দাড়িয়েছে। তাই সামনে এখন সুদিন আসছে। সরকার বিরোধী দলকে দোষারপ করছে। অন্যদিকে বিরোধী দল সরকারকে দোষারপ করছে। তারা দুই দলই মানুষ হত্যা করছে।’

তিনি বলেন, ‘এখন আর কোনো জোট নয়, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের বাইরে তৃতীয় শক্তি দরকার। আর সেই তৃতীয় শক্তিই হবে জাতীয় পার্টি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির রাজনীতি এখন অস্ত্রের রাজনীতি। জাতীয় পার্টি ও দেশের মানুষ এই অস্ত্রের রাজনীতি চায় না।’

সাবেক এই রাষ্ট্রপতি মহাজোটে থাকা না থাকার বিষয়ে বলেন, ‘মহাজোটে থাকলে দেশের মানুষ বলবে আওয়ামী লীগের দালাল। আর মহাজোট থেকে বেরিয়ে গেলে বলবে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় নেয়ার জন্য এই ষড়যন্ত্র। কিন্তু আমি বেঈমান নই। তাই যা করবো ভেবে চিন্তেই করব। দেশের মানুষ আজ দিশেহারা। সেই দিশেহারা থেকে আমরাই মানুষকে সঠিক পথ দেখাবো।’

তিনি আগামী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে বলেন, ‘সব দলের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন হলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ। এমনকি সেই সরকার কত দিন থাকবে তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে।’

এসময় এরশাদ নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থা চালু না হলে নির্বাচনে যাবেন না বলেও ঘোষণা দেন।

তিনি বিরোধী দলের বিভিন্ন সময় দেয়া হরতাল সম্পর্কে বলেন, ‘ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলে যেতে পারে না। পণ্য কিনতে পারে না। জ্বালাও-পোড়াও ও ভাঙচুর করে, পুড়িয়ে মানুষ মারে। দেশের মানুষ তাদের আর চায় না। তাই এখন সময় এসেছে ভোট যুদ্ধের। এই ভোটের মাধ্যমে দুই নেত্রীকে বাদ দিয়ে সরকার গঠন করতে হবে।’

যুবসংহতির আহ্বায়ক আলমগীর শিকদার লোটনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন, বাণিজ্যমন্ত্রী জিএম কাদের এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ, অধ্যাপক দেলওয়ার হোসেন খান, এ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি,  জিয়াউদ্দিন বাবলু, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সংগঠনের সদস্য সচিব রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া প্রমুখ।

সম্মেলন শেষে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ যুবসংহতির নতুন কমিটিতে রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়াকে সভাপতি  ও বেলাল হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করেন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful