Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ, ২০১৯ :: ৭ চৈত্র ১৪২৫ :: সময়- ৭ : ৫০ পুর্বাহ্ন
Home / ক্যাম্পাস / যেসব কারণে হারলেন শোভন

যেসব কারণে হারলেন শোভন

ডেস্ক: কিছুটা বিদ্রোহ ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রলীগ থেকে ভিপি প্রার্থী রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের কপাল পুড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে সিঙ্গেল ভোটের প্রত্যাশা এবং জনপ্রিয়তার বিচারে প্রতিপক্ষের তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে থাকায় প্রত্যাশিত জয় পাননি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি। শোভনের পরাজয়ের ঘটনায় ছাত্রলীগে এক ধরনের টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। নেতাকর্মীদের অনেকেই অস্বস্তিতে পড়েছেন।
সুনির্দিষ্ট এই চারটি কারণই ছাত্রলীগ সভাপতি শোভনের জয়ের পথে বাধা হয়ে ছিল বলে মনে করছেন ডাকসু নির্বাচনকেন্দ্রিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ছাত্রলীগের কয়েকজন নীতিনির্ধারক নেতা। তারা বলেছেন, ২৫ সদস্যের ডাকসুতে জিএস পদে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ও এজিএস হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইনসহ ২৩ জনই নির্বাচিত হয়েছেন। এ অবস্থায় রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের পরাজয়ের বিষয়টি নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখা হবে।
ছাত্রলীগ অবশ্য এ নিয়ে এখনও সাংগঠনিকভাবে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। কেন্দ্রীয় নেতারা গতকাল সারাদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ব্যস্ত সময় পার করেন। পরাজিত হওয়ার পরও শোভনের ইতিবাচক ভূমিকা বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে। তিনি নবনির্বাচিত ভিপি নুরুল হক নুরের সঙ্গে কোলাকুলি করে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। জিএস গোলাম রাব্বানী ও এজিএস সাদ্দাম হোসাইনও ক্যাম্পাসে গিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
গণভবনে যাওয়ার আগে ছাত্রলীগ নেতারা প্রধানমন্ত্রীর ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে গিয়ে ডাকসু নির্বাচন-সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড দেখভালের দায়িত্বে থাকা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, দুই সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক এবং আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে নির্বাচন-পরবর্তী কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।
ডাকসু নির্বাচনে কখনই সরকার সমর্থক ছাত্র সংগঠনের প্যানেল জয় পায়নি। এবার ব্যতিক্রম হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থী সংসদের ব্যানারে ছাত্রলীগের প্যানেল বিপুল জয় পেয়েছে। কিন্তু ভিপি পদে জয় না পাওয়ায় হতাশ হয়েছেন নেতাকর্মীরা। তাদের অনেকেই এই পরাজয়ের কারণ খুঁজছেন। কেউ কেউ সংগঠনের কয়েকজন নেতার বিদ্রোহকে দুষছেন। বিশেষ করে ভিপি পদে বিদ্রোহী প্রার্থী সোহানুর রহমান খানের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী প্যানেলের দিকে সন্দেহের আঙুল তুলেছেন তারা। প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও এই প্যানেলের সমর্থক নেতাদের বিরুদ্ধে নিষ্ফ্ক্রিয়তার অভিযোগও তোলা হচ্ছে।
গত বছরের ১১-১২ জুন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন হলেও আজ পর্যন্ত কেন্দ্রের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখাসহ ১৮টি আবাসিক হলে নতুন সাংগঠনিক কমিটি গঠন করা হয়নি। এ নিয়ে সংগঠনে এক ধরনের দ্বন্দ্ব-বিবাদ রয়েছে। আবার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর সঙ্গে কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের দূরত্ব রয়েছে বলে নেতাকর্মীদের মধ্যে গুঞ্জন রয়েছে। এসবের নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় নেতাকর্মীদের কেউ কেউ ভিপি পদে রেজওয়ানুল হক শোভনকে ভোট দেননি বলে সাংগঠনিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর ক্যাম্পাসের প্রিয় মুখ। তার তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে ছিলেন শোভন। এর নেতিবাচক প্রভাবও পড়েছে নির্বাচনে। বাইরে থেকে খুব একটা স্পষ্ট না হলেও আঞ্চলিকতার প্রভাব ছিল ডাকসু নির্বাচনে। কিন্তু উত্তর জনপদের রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এ ক্ষেত্রে দক্ষিণ জনপদের নুরুল হক নুরের সঙ্গে কুলিয়ে উঠতে পারেননি বলেও অনেকেই মনে করছেন।
ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রলীগের প্রধান তিন প্রার্থীর মধ্যে সমন্বয়হীনতাও দেখা গেছে। এ কারণে নির্বাচনের কমপক্ষে দু’দিন আগ থেকে ছাত্রলীগ প্যানেলের ভিপি, জিএস এবং এজিএস প্রার্থীকে একসঙ্গে প্রচার কার্যক্রম চালাতে দেখা যায়নি।
এ সব বিষয়ে জানতে চাইলে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেছেন, সাংগঠনিক কার্যক্রমে কিছুটা দুর্বলতা ছিল বলেই প্রত্যাশিত ফলাফল পাওয়া যায়নি। সেইসঙ্গে নির্বাচন চলাকালে একটি মহলের নাটক সৃষ্টির ঘটনায়ও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful