Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৯ :: ১২ বৈশাখ ১৪২৬ :: সময়- ৯ : ৫৫ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / “ভারত, নেপাল ও ভুটানের ব্যবসা বাণিজ্যে বুড়িমারী স্থলবন্দরটি খুবই গুরুত্বপুর্ন”

“ভারত, নেপাল ও ভুটানের ব্যবসা বাণিজ্যে বুড়িমারী স্থলবন্দরটি খুবই গুরুত্বপুর্ন”

 লালমনিরহাট প্রতিনিধি: রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, ভারত, নেপাল ও ভুটানের ব্যবসা বাণিজ্যে বুড়িমারী স্থলবন্দরটি খুবই গুরুত্বপুর্ন। তাই
লালমনিরহাটের বুড়িমারী থেকে যমুনা সেতুর সংযোগ পর্যন্ত ব্রোডগেজ নির্মানে কয়েকটি প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেই ভারতের সাথে রেল যোগাযোগ সাথে কথা বলেই বুড়িমারী চ্যাংরাবান্ধ স্থলবন্দ হয়ে ভারত বাংলাদেশ রেল যোগাযোগ চালু করা হবে।

দু’দিনের সফরে শুক্রবার (২২ মার্চ) দুপুরে লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর ও জিরো লাইনের রেলপথ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

রেলমন্ত্রী বলেন,প্রধানমন্ত্রীর দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এ বছরেই চালু করা হবে আন্তঃনগর ট্রেন ‘তিনবিঘা করিডোর এক্সপ্রেস’। যাতে তিন দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীরা দ্রুত ঢাকার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। সেই সাথে ব্যবসায়ীরাও তাদের পন্য পরিবহন করতে পারবেন। জাইকার সাথে চুক্তি হয়েছে খুব দ্রুত যমুনা সেতুতে পৃথক রেল সেতু নির্মানের কাজ শুরু করা হবে। এটা হলে রেলপথে পন্য বা যাত্রী পরিবহনে ঝুঁকি থাকবে না।
ভারতের চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দরের রেলপথ ব্রোডগেজ। অপর দিকে বুড়িমারী স্থলবন্দরের রেলপথ মিটারগেজ। আমাদের পথ ব্রোডগেজ হলে ভারতের সাথে কথা বলে কানেক্টিভিটি করা হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে বেশ কিছু স্থলবন্দরে কানেক্টিভিটি চালু করা হয়েছে।

দেশে ট্রাকের যে আধিপত্ত। তাতে ব্যবসায়ীরা রেলপথে পন্য পরিবহন না করায় ওয়াগান(মালবাহি) গুলো ব্যবহার করা হচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা চাইলেই ওয়াগারগুলো ব্যবহার করা হবে। ব্যবসায়ীদের প্রতি আমাদের আহবান আপনারা পন্য পরিবহনে রেলপথ ব্যবহার করুন। সড়ক পথের চেয়ে বেশি সুবিধা দেয়া হবে।
এ সময় মন্ত্রীর সাথে ছিলেন লালমনিরহাট ১ আসনের সংসদ সদস্য মোতাহার হোসেন, সাবেক সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সফুরা বেগম রুমী, রেলপথের মহাপরিচালক খন্দকার শহিদুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক শফিউল আরিফ, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান, পুলিশ সুপার এসএম রশিদুল হক।

রেলমন্ত্রী দু’দিনের সফরে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় ‘লালমনি এক্সপ্রেস’ ট্রেনে করে লালমনিরহাট রেল স্টেশনে পৌঁছেন। এরপর লালমনিরহাট সার্কিট হাউজে দুই ঘণ্টা বিশ্রাম শেষে একটি শাটল ট্রেনে করে বুড়িমারী স্থলবন্দর রেল স্টেশনে পৌছেন। এরপর বুড়িমারী জিরোলাইন পরিদর্শন করে পুনরায় শার্টল ট্রেনে লালমনিরহাটের উদ্দেশ্য রহনা দেন মন্ত্রী।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful