Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ২০ জুলাই, ২০১৯ :: ৫ শ্রাবণ ১৪২৬ :: সময়- ১ : ১২ অপরাহ্ন
Home / ইতিহাস ও ঐতিহ্য / রংপুরে বধ্যভূমি রক্ষার দাবি

রংপুরে বধ্যভূমি রক্ষার দাবি

ডেস্ক: একাত্তরে বাঙালি জাতিকে নিশ্চিহ্ণ করতে পরিকল্পিতভাবে হত্যাযজ্ঞ চালায় পাকিস্তানি সেনারা। মুক্তিকামী মানুষের ওপর তাদের অবর্ণনীয় বর্বরতার অনেক চিহ্নই আজ মুছে গেছে।

রংপুরে জাতিবিদ্বেষী গণহত্যার প্রমাণবাহী বধ্যভূমিগুলো রক্ষার পাশাপাশি রাজাকার-আল বদরদের তালিকা প্রকাশের দাবি সচেতন মহলের। রংপুরের দমদমা বধ্যভূমি। মুক্তিযুদ্ধের সময় কারমাইকেল কলেজের অধ্যাপক কালাচাঁদ রায়, তার স্ত্রী মঞ্জুশ্রী রায়সহ আরো তিন অধ্যাপককে হত্যার করে এখানে ফেলে যায় পাকিস্তানি বাহিনী। স্থানীয়রা মরদেহ মাটিচাপা দেয়। এরপর বধ্যভূমিটির দিকে ফিরেও তাকায়নি কেউ।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পেরিয়েছে ৪৮ বছর। রংপুরের দমদমার মতো মুক্তিযুদ্ধের শোক ও গৌরবের স্বাক্ষী এই বধ্যভূমিগুলো নতুন প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণের দাবী সচেতন মহলের।

২০১৫ সালে রংপুর বিভাগের ৫ জেলার ৫ হাজার ৬শ’ ৬৬ জন রাজাকারের তালিকা করা হলেও তা প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি আজও।পাকিস্তানিদের দোসর রাজাকার আলবদরদের চিহ্নিত করে চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশের জোর দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্টজনদের।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষণে উদ্যোগ নিয়েছে দাবি করে রাজাকারদের চূড়ান্ত তালিকা করার আশ্বাস জেলা প্রশাসকের।

রংপুরের নিসবেতগঞ্জ, জাফরগঞ্জ, দখিগঞ্জ, বালার খাইল, নব্দীগঞ্জ, সাহেবগঞ্জ, লাহিড়ীর হাটসহ বেশ কিছু বধ্যভূমিতে হত্যাযজ্ঞ চলে ১৯৭১ সালে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful