Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৯ :: ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ :: সময়- ১২ : ০৫ অপরাহ্ন
Home / ক্যাম্পাস / রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েও অর্থাভাবে বন্ধের পথে প্রতিবন্ধী এরশাদের পড়াশুনা

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েও অর্থাভাবে বন্ধের পথে প্রতিবন্ধী এরশাদের পড়াশুনা

মহানগর প্রতিনিধি: বাম হাতটি নেই তবুও একটি হাতের সাহায্যে অনেক কষ্টে পড়াশুনা চালিয়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবিতে) ভর্তি হয়েছেন শারীরিক প্রতিবন্ধী এরশাদ হোসেন। দিনমজুর পিতা ধার-দেনা করে অনেক কষ্টে ভর্তি ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি করালেও অর্থের অভাবেপড়াশুনা বন্ধ হওয়ার পথে প্রতিবন্ধী অদম্য মেধাবী এরশাদ হোসেনের। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি চার মাস পেরিয়ে গেলেও অর্থের অভাবে বই, খাতা ও আনুসাঙ্গিক জিনিসপত্র কিনতে পারেনি সে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মুখতার এলাহী হলের ২য় তলায় কোনরকমে মাথা গোঁজার ঠাই করে নিয়েছেন।

এ বছর মানবিক বিভাগ থেকে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সি ইউনিটে প্রথম শিফটে পরীক্ষা দিয়ে প্রতিবন্ধী কোটায় ২য় তম হয়ে উত্তীর্ণ হয় সে। এরশাদ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের চর নিজ গড্ডিমারী গ্রামের দিনমজুর ইয়াদ আলী ও মা ফিরোজা খাতুনের ছেলে। এক বোন পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে সে দ্বিতীয়।

সে হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী দ্বি-মুখি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৩.৭৮ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার হোসেন কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৩.৯২ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছিল। তার পরিবারে অভাব অনটন ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতার মাঝে এমন সাফল্যে সকলেই অভিভূত।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছোটবেলায় তিস্তা নদীর পাড়ে খেলতে গিয়ে বাম হাত ভেঙ্গে ফেলে এরশাদ হোসেন। অনেক চিকিৎসা করেও হাতটি ভাল হয়নি তার। এক সময় হাতটিতে পচন ধরে যায়। পরে তার পরিবার সাহায্য নিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এনে হাতটি কেটে নেন। দরিদ্র বাবা-মা চিকিৎসার ব্যায়ভার বহন করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত বাম হাতটি হারাতে হয় এরশাদকে।

দিনমজুরী করে সংসারের খরচ চালান ইয়াদ আলী। পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৮ জন। বাড়ি ভিটে ৫ শতক জমি ছাড়া কিছুই নেই তাদের। ছেলের পড়াশুনায় আগ্রহ থাকায় অনেক কষ্টে খেয়ে না খেয়ে পড়াশুনা করিয়ে তাকে বিশ্ববিদ্যলয়ে ভর্তি করান। কিন্তু ছেলের পড়াশুনা খরচ চালাতে না পেরে হতাশায় ভুগছেন ইয়াদ আলী।

এরশাদ হোসেন বলেন, শারীরিক প্রতিবন্ধকতার চেয়েও সংসারের অভাব-অনাটনই পড়ালেখায় সবচেয়ে বেশি বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে । কেউ আমার পড়াশুনার খরচ বহন করলে হয়তো আমার স্বপ্নটা পূরণ হত। ভবিষ্যতে আমি বিসিএস ক্যাডার হতে চাই।

বাবা ইয়াদ আলী বলেন, সাত সদস্যের অভাব-অনাটনের সংসারে চাহিদা মেটাতে গিয়ে ছেলের সেই স্বপ্ন শেষ পর্যন্ত ভেঙ্গে যেতে বসেছে। তাই সবার কাছে ছেলের পড়াশুনা জন্য অর্থ সাহায্যের অনুরোধ করছি।

এরশাদের বিষয়ে স্থানীয় গড্ডিমারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আতাউর রহমান বলেন, শারীরিক আর সাংসারিক প্রতিবন্ধকার সাথে যুদ্ধ করেই সে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। সমাজের বিত্তবানরা তার পাশে দাঁড়ালে ভবিষ্যতে তার স্বপ্নটা পূরণ হবে।

সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয়বান শারীরিক প্রতিবন্ধী এরশাদ হোসেনকে সহযোগিতা করতে পারেন। যোগাযোগঃ এরশাদ হোসেন -০১৭৯৭-৬৪৯০৮৬ (বিকাশ), -০১৭৯৭-৬৪৯০৮৬৬ (ডাচবাংলা, রকেট) অথবা উক্ত নাম্বারের তার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful