Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২০ :: ১২ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৪ : ০২ পুর্বাহ্ন
Home / নীলফামারী / চিকিৎসকদের অবহেলায় সাংবাদিক পত্নীর মৃত্যু

চিকিৎসকদের অবহেলায় সাংবাদিক পত্নীর মৃত্যু

JALDHAKA PICনজিত রায়, জলঢাকা (নীলফামারী) সংবাদদাতা: নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকদের অবহেলায় সাংবাদিক পত্নীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে আবাসিক মেডিকেল অফিসার জুলফিকার সিদ্দিকী তার কিছুসংখ্যক পোষ্য দালাল ও স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতার ক্যাডারদের দিয়ে সাংবাদিকদের ২ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখে।

জানা গেছে, নয়াদিগন্ত জলঢাকা প্রতিনিধি শেফাউল আলম তার সন্তান সম্ভবা স্ত্রী আলেমা বেগম (৩০) কে গত মঙ্গলবার ভোর ৫.৩০টায় জলঢাকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালে কোন চিকিৎসক না থাকায় প্রসূতির স্বজনরা নিরুপায় হয়ে কর্তব্যরত আয়ার সাহায্যে বাচ্চা প্রসব করান। কিন্তু অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরন শুরু হওয়ায় প্রসূতির শারিরীক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। এক পর্যায়ে সকাল ৭.৩০টায় প্রসুতির মৃত্যু ঘটে। ঘটনাটি জানাজানি হলে নীলফামারী সদর ও স্থানীয় সাংবাদিক, পৌর মেয়র ইলিয়াস হোসেন বাবলু, উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান গোলাম পাশা এলিচ দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে কোন ডাক্তার দেখতে না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সকাল সোয়া ১০টায় আবাসিক চিকিৎসক জুলফিকার সিদ্দিকী হাসপাতালে আসলে মৃতের স্বজন ও ক্ষুব্ধ জনতার তোপের মুখে পরে। ওই চিকিৎসক স্থানীয় হওয়ায় তার দলবল ও এক রাজনৈতিক নেতার ক্যাডারবাহিনী দিয়ে সাংবাদিকদের হাসপাতাল চত্ত্বরে প্রায় ২ঘন্টা অবরুদ্ধ করে অশালীন ভাষায় গালি-গালাজ করে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে।

এ বিষয়ে মৃতের স্বামী সাংবাদিক শেফাউল আলম বলেন, ‘রোগী ভর্তি হওয়া থেকে মারা যাওয়া পর্যন্ত কোন ডাক্তার হাসপাতালে আসেনি। এমনকি মেডিকেল অফিসার ডা: নার্গিস পারভীনের বাসায় গিয়ে তার পা ধরে কান্না-কাটি করলে ওই ডাক্তারের স্বামী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোকন-উল-হাসান অসৌজন্যমূলক আচরণ করে আমাদের তাড়িয়ে দেয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাহবুব হাসান লেলিনকে একাধিকবার ফোন করলে তিনি বিষয়টি দেখছি বলে জানালেও পরবর্তীতে আর কোন সাড়া পাইনি।’ সাংবাদিকদের অবরুদ্ধ করার বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ডাক্তার জুলফিকার সিদ্দিকী বলেন, আমি স্থানীয় হওয়ায় আমার এলাকার লোকজন এ ঘটনা শুনে হাসপাতাল চত্ত্বরে জড়ো হয়।’

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাহবুব হাসান লেলিন বলেন, ‘ঘটনার দিন আমি রংপুরে ছিলাম, সাংবাদিক শেফাউল মোবাইল ফোনে ডাক্তার না থাকার বিষয়টি আমাকে জানালে আমি তাৎক্ষনিক দায়িত্বরত ডা: কাশিথ ওমরকে হাসপাতালে যেতে বলি।’

এদিকে লাঞ্চিত ও অবরুদ্ধ করার প্রতিবাদে স্থানীয় সাংবাদিকরা মঙ্গলবার রাতে প্রেসক্লাবে জরুরী সভায় ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অভিযুক্ত ডাক্তারের শাস্তির দাবীতে ৩ দিনের কর্মসূচী ঘোষণা করেন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful