Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট, ২০১৯ :: ৫ ভাদ্র ১৪২৬ :: সময়- ৮ : ৪৮ পুর্বাহ্ন
Home / ক্যাম্পাস / নিয়ম-কানুন ছাড়াই নিজের মতো করে অর্থ ব্যয় করেন ভিসি

নিয়ম-কানুন ছাড়াই নিজের মতো করে অর্থ ব্যয় করেন ভিসি

স্টাফ রিপোর্টার: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) লোকপ্রশাসন বিভাগে জার্নাল প্রকাশের অর্থের হিসাব না দিয়ে নিজের খেয়াল-খুশি মত খরচ করাসহ তিন দফা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ঐ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মন্ডল।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আবু হেনা মোস্তফা কামাল বরাবর তিন দফা লিখিত অভিযোগে তুলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন তিনি।

লিখিত অভিযোগে জানানো হয়, ২০১৭ সালের ১৪ জুন থেকে ২০১৮ ১৪ জানুয়ারী পর্যন্ত লোকপ্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ। এই সময়ে বিভাগে জার্নাল প্রকাশের নামে কী পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং জার্নাল বিক্রয় করে কী পরিমাণ আয় হয়েছে তা বিভাগের একজন শিক্ষক হয়ে এখনো জানানো হয়নি। প্রকৃতপক্ষে আয় ব্যয়ের কোন হিসাব তিনি দেন নি। শুধু তাই নয়, বিভাগের গচ্ছিত টাকা নিয়ম-কানুন ছাড়াই নিজের মতো করে তিনি ব্যয় করেছেন। ফলে বিভাগের ফান্ড এখন প্রায় শুন্য। তিনি বিভাগের দায়িত্ব থেকে চলে গেলেও এখনো কোন হিসাব না দেওয়ায় বিভাগের আর্থিক বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। বিভাগের আর্থিক শৃঙ্খলা আনয়নের লক্ষ্যে ওই সময়ের আয়-ব্যয়ের হিসাব সম্পন্ন করতে আমরা (বিভাগের অন্যান্য সহকর্মীসহ) বিভাগীয় প্রধানকে মৌখিকভাবে একাধিকবার অনুরোধ করলেও কোন হিসাব প্রকাশ করা হয়নি। এমনকি বিভাগীয় একাডেমিক কমিটিতে এ বিষয়টি আলোচনা করা হলেও এর সমাধান আসেনি।
গত ৭ জানুয়ারী লোক প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আসাদুজ্জামান মন্ডলকে লোকপ্রশাসন বিভাগের ৩য় ব্যাচের (২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষ) ৪র্থ বর্ষ-এর পরীক্ষা কমিটির সভাপতি মনোনীত করা হয়। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো সেই পরীক্ষা কমিটির অনুমোদন হয়নি। প্রশাসন থেকে প্রায় চার মাসেও এ সংক্রান্ত কোন চিঠি আমি পাইনি। ফলে উক্ত ব্যাচের পরীক্ষা গ্রহণ সম্ভব হচ্ছে না।
এছাড়াও লোকপ্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্ল্যানিং কমিটি গঠনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৯ এর ২৯ এর ১১(৮) ধারা সুষ্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে। আইনে বলা হয়েছে “বিভাগের মোট শিক্ষক সংখ্যার এক তৃতীয়াংশ শিক্ষক সমন্বয়ে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে বিভাগীয় প্ল্যানিং কমিটি গঠিত হইবে।” জাতীয় সংসদ কর্তৃক পাশ হওয়া এই আইন অনুযায়ী উক্ত প্ল্যানিং কমিটি পুন:গঠন করার জন্য গত বছরের ২০ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর আবেদন করেছিলাম। প্ল্যানিং কমিটি পুন:গঠন বিষয়ে পরবর্তী সময়ে লিগ্যাল নোটিশও দেওয়া হয়েছিল । অদ্যাবধি উক্ত প্ল্যানিং কমিটি পুন:গঠন করা হয় নি। এমতাবস্থায়, উক্ত প্ল্যানিং কমিটি পুন:গঠন করার দাবি জানাই।

এ বিষয়ে আসাদুজ্জামান মন্ডল আসাদ জানান বিভিন্ন সময় এই তিন দাবী নিয়ে লিখিত ও মৌখিকভাবে জানালেও উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোন পদক্ষেপ নেয়নি। চার মাস ধরে একটি ব্যাচের পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছেনা আশা করি প্রশাসন এ বিষয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ নিবেন।

বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহ কে বেশ কয়েকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এ ছাড়াও তার দপ্তরে গেলেও তিনি ক্যাম্পাসের বাইরে রয়েছেন বলে পাওয়া যায়নি।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful