Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০ :: ৯ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৯ : ২৮ পুর্বাহ্ন
Home / আলোচিত / ১৮ দলের শরিকরা যাচ্ছেন নির্বাচনকালীন সরকারে! বেকায়দায় বিএনপি

১৮ দলের শরিকরা যাচ্ছেন নির্বাচনকালীন সরকারে! বেকায়দায় বিএনপি

18 dolডেস্ক: মন্ত্রিত্বসহ বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়ে ১৮-দলীয় জোটের সংসদীয় দলগুলোকে নির্বাচনকালীন সরকারে নেওয়ার জোর চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

এছাড়া বিএনপির নেতৃত্ব থেকে জোটের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে বেরিয়ে আসারও অনুরোধ জানানো হচ্ছে। এসব দলগুলোকে নির্বাচনে বিএনপির চেয়ে বেশি আসন দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। বিএনপিকে বাইরে রেখে সব রাজনৈতিক দলের অংশ গ্রহনে নির্বাচন করে দেশ-বিদেশে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন। এ ছাড়া ১৮-দলীয় জোটে ভাঙন ধরিয়ে বিএনপিকে দুর্বল করতে চায় সরকার ও ক্ষমতাসীন দল।

এদিকে প্রধান বিরোধী দল বিএনপিও বসে নেই। মহাজোটের শরির দল জাতীয় পার্টির নাখোশ নেতা ও সাবেক এমপিদের সমন্বয়ে একটি অংশকে জোটে নিয়ে আসার চেষ্টা চালাচ্ছে দলটি। এরই মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সর্বদলীয় সরকারের বিরুদ্ধে থাকা জাতীয় পার্টির শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতার সঙ্গে বিএনপির নীতিনির্ধারক ফোরামের কথা হয়েছে। জাতীয় পার্টির ওইসব নেতা আরও কয়েক দিন পরিস্তিতি পর্যবেক্ষণ করতে চান।

পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদের সিদ্ধান্তে নাখোশ হয়ে দলের বড় একটি অংশকে নিয়ে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮-দলীয় জোটে চলে আসার ব্যাপারেও চিন্তাভাবনা চলছে। অন্যদিকে জোটের বাইরে বিকল্পধারা, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি,গণফোরাম ছাড়াও অন্য দলগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছে বিএনপি। নির্দলীয় সরকারের দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনে যেতে চায় দলটি। নির্বাচনে গেলে সবাইকে যার যার প্রাপ্য অনুযায়ী আসন দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছে বিএনপি। ১৮-দলীয় জোট ভাঙার ষড়যন্ত্র চলছে এমন আভাস দিয়েছেন খোদ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পর রাতে গুলশান কার্যালয়ে শরিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের জোটের অনেকের সঙ্গেই যোগাযোগ করছে সরকার। লোভনীয় অফার দিয়ে তারা জোটে ভাঙন ধরাতে চায়। কিন্ত আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না। সবাইকে যার যার প্রাপ্য অনুযায়ী আসন দিয়ে নির্বাচনে যাব। কাউকে ঠকানো হবে না। আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকুন।’

জানা যায়, প্রধান বিরোধী দল বিএনপি নির্বাচনে না এলে অন্তত ৩০টি রাজনৈতিক দল নিয়ে নির্বাচন করতে চায় সরকার ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। সে ক্ষেত্রে ১৮-দলীয় জোটের মধ্যে অন্তত ৮টি নিবন্ধিত দলকে সর্বদলীয় সরকারে নিতে চায় ক্ষমতাসীনরা। এ নিয়ে প্রতিদিনই কোনো না কোনোভাবে যোগাযোগ করা হচ্ছে। নির্বাচনকালীন সরকারে অংশ নেয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রস্তাব পাওয়ার কথা স্বীকার করে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ  জানিয়েছেন, ওই প্রস্তাব তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

তিনি বলেন, ‘একই ধরনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল এলডিপি’র সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদকেও। তিনিও একইভাবে সরকারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। আন্দালিব রহমান পার্থ দাবি করেন, সরকার নির্বাচনকালীন সরকারকে ‘সর্বদলীয়’ নামকরণ করে কিছু দলকে টানার চেষ্টা চালায়। কিন্ত তারা সফল হয়নি। এটি তাদের সর্বশেষ রাজনৈতিক পরাজয়। তারা অনেক চেষ্টা করেও সর্বদলীয় সরকার বানাতে পারেনি। তাদের নেতৃত্বে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করাটা অসম্ভব। তারা সফল হয়নি। আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। সর্বদলীয় সরকার দিয়ে তা হবে না।’

এ ছাড়া জোটের বাইরে বিকল্পধারা, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি, গণফোরাম, বাসদ, তরীকত ফেডারেশনসহ জামায়াতবিরোধী কয়েকটি ধর্মভিত্তিক দলের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে সরকার। বাইরে এসব দলের বক্তৃতা-বিবৃতিতে সর্বদলীয় সরকারের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিলেও ভেতরে ভেতরে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে নির্বাচনে সর্বোচ্চ আসনে মনোনয়ন পাওয়া নিয়েও দরকষাকষি চলছে বলে জানা গেছে।

সূত্র মতে, সরকারের রাজনৈতিক উইং ছাড়াও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে লোভনীয় অফার দেওয়া হচ্ছে। বিএনপি যা দেবে তার চেয়ে বেশিসংখ্যক এমপি-মন্ত্রী দেওয়ারও আশ্বাস আসছে সরকারের পক্ষ থেকে। ১৮ দলের নিবন্ধিত ১১টি দলের মধ্যে দু-একটি বাদে প্রায় সব দলের কাছেই নানা প্রলোভন দেখানো হচ্ছে।

বিশ্বাস্ত সূত্রে জানা যায়, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপিকে ১০টি আসনে নির্বাচনের সুযোগ, একজন মন্ত্রী ও একজন উপদেষ্টা নিয়োগের অফার দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ ও বন মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ নিজেই এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের সঙ্গে দেখা করে সর্বদলীয় সরকারে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

সর্বশেষ গত মঙ্গলবারও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা সদ্য নিয়োগ পাওয়া দুই মন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী এ দায়িত্ব দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এদিকে মহাজোটে যাওয়ার প্রস্তাবের বিষয়টি মঙ্গলবার রাতে বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়াকে জানিয়েছেন কর্নেল অলি আহমদ।

বেগম জিয়া তাদের বলেন, এখন নির্বাচন নিয়ে আমরা কিছু ভাবছি না, আন্দোলন করে নির্দলীয় সরকার প্রতিষ্ঠা হলে সবাইকে যার যার প্রাপ্য অনুযায়ী আসন দেওয়া হবে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে তালিকা দিয়ে বেরিয়ে আসেন এলডিপি নেতারা। জানা গেছে, শুধু এলডিপিই নয়, জামায়াত, বিজেপি, ইসলামী ঐক্যজোট, খেলাফত মজলিস, কল্যাণ পার্টি, জাগপা, এনপিপি এবং এনডিপির সঙ্গেও যোগাযোগ করছে সরকার।  এ ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের নেতারা ছাড়াও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থর লোকদের কাজে লাগানো হচ্ছে। জামায়াতের সঙ্গে যোগাযোগ হচ্ছে দেশি-বিদেশি কূটনীতিকদের মাধ্যমে। তবে দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনো দলই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য জানান, সরকার শুধু জোটেই নয় বিএনপিতেও ভাঙন ধরাতে নানা চেষ্টা চালাচ্ছে। জোটের অনেক নেতাকেই নানা প্রলোভন দেখিয়ে সর্বদলীয় সরকারে নেওয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আমরা আশা করি, জোট নেতারা সরকারের পাতা ফাঁদে পা দেবেন না। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে জোটের শরিকদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই আসন ভাগাভাগি হবে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই।

এলডিপির যুগ্ম-মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম জানান, তার দলকে সর্বদলীয় সরকারে যোগদানে নানা প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। তবে আমরা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ১৮-দলীয় জোটের ওপর আস্থাশীল। আশা করি, বিরোধীদলীয় নেতা যথাসময়ে এই আস্থার মর্যাদা দেবেন। ঢাকারিপোর্ট

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful