Templates by BIGtheme NET
আজ- সোমবার, ২০ মে, ২০১৯ :: ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ :: সময়- ৮ : ২৩ অপরাহ্ন
Home / ক্যাম্পাস / রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাইনিং বয়কে মারধর করে ডাইনিংয়ে তালা

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাইনিং বয়কে মারধর করে ডাইনিংয়ে তালা

স্টাফ রিপোর্টার: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ডাইনিং কর্মচারীকে মারধর করে হলের ডাইনিংয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে ছাত্রলীগের সাবেক সাংগাঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান জয়।

গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় শহীদ মুখতার ইলাহী হলের ডাইনিং বয় জাকির হোসেনকে মারধর করার পর তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার দুইদিন পেরিয়ে গেলেও এখনো হল প্রশাসন ডাইনিং খুলে দেওয়া ও এ ঘটনায় কোন ব্যবস্থা নেয় নাই।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ডাইনিং কর্মচারী সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও হলে শিক্ষার্থীদের খাবার সরবরাহের আগেই জয়ের কক্ষে খাবার পৌছে দেয় ডাইনিং কর্তৃপক্ষ। আগে থেকেই হলে অবৈধভাবে অবস্থান করে ডাইনিং এর খাবার ফ্রি তে খান তিনি। কিন্তু কোন কারণ ছাড়াই বৃহস্পতিবার রাতে ডাইনিং বন্ধের সময় জয় ডাইনিং ক্যাশিয়ার কমলকে খোঁজ করে চাঁদা দাবী করেন। তা না পাওয়ায় ডাইনিং বয় জাকিরকে বেধড়ক মারধর করেন। পরে জয় নিজেই ডাইনিং কক্ষের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দিয়ে চলে যান। পরে কর্মচারীরাও বিচার দাবীতে হলের ডাইনিং ছেড়ে চলে যান। এদিকে ডাইনিং বন্ধ থাকার কারণে বিপাকে পড়েছে প্রায় পাঁচশত শিক্ষার্থী।

ডাইনিং সূত্রে জানা যায়, শহীদ মুখতার ইলাহী হলে ডাইনিং কর্মচারীদের কাছ থেকে ছাত্রলীগ নেতা জয়ের নেতৃত্বে প্রতিদিন পঞ্চাশেরও অধিক খাবার ফাউ খাবার খায় ছাত্রলীগের হেডাম নেতাকর্মীরা। হলের ডাইনিং কর্মচারীদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত চাঁদা আদায় করে জয়। চাঁদা দিতে দেরি হলে বা চাঁদা কম দেওয়া হলে লাঞ্চিত করা হয়।

এদিকে নিজে অবৈধভাবেই হলে অবস্থান করলেও অবৈধভাবে শিক্ষার্থী উঠানো, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে চাপ দিয়ে চাঁদা উঠানো, হলের বিভিন্ন কাজে চাঁদা দাবি, হলে মাদকের রমরমা ব্যবসা ও হলের কক্ষে বহিরাগতদের নিয়ে মাদক সেবনের অভিযোগ রয়েছে এই জয়ের বিরুদ্ধে। এছাড়াও জয়ের কক্ষে নতুন শিক্ষার্থীদের আচরণ শেখানোর নাম করে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে মাদক দিয়ে ফাঁসানো এবং উলঙ্গ করে মারধরের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও ঐ হলের বৈধ সিটে উঠতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সাংবাদিককে মারধর করেন এই জয় । বর্তমানে তার নামে মামলার তদন্ত চলছে। তার আগে গত বছর এক শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল আসামী তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন কর্মী জানান, মানুষের যেমন তিনবেলা ভাত না খেলে চলতে পারে না তেমনি জয় তিন বেলা হলের শিক্ষার্থীদের মারধর না করলে থাকতে পারেনা। তাঁরা বলেন, হল প্রশাসন জয়ের ব্যাপারে সবই জানেন কিন্তু কোন ব্যবস্থা নেন না। হল প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে মাদকের রমরমা ব্যবসা, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, অবৈধভাবে সিটদখল করে বৈধ শিক্ষার্থীদের উঠতে না দেওয়া, প্রতিনিয়ত হল কর্মচারী, ডাইনিং কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের মারধর করে। জয়ের এমন কর্মকান্ডে ক্ষুব্ধ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের অনেক পরিচ্ছন্ন নেতাকর্মীরাও।
অতিদ্রুত তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে হল থেকে বের করে দেওয়ার অনুরোধ করেন অনেক শিক্ষার্থী ও নেতাকর্মীরা।

এদিকে জয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে ডাইনিং কর্মচারীদের চাকরি হারানোর ভয়ে তারা হল ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ না দিতে পারলেও মৌখিকভাবে অবগত করেছেন। এর আগেই বিভিন্ন সময়ে মারধরের ঘটনায় হল প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেন না বলে অভিযোগ করেছে হলের কর্মচারীরা।

ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল ইসলাম জয় ডায়নিং এ তালা মারার বিষয় স্বিকার করে বলেন, ডায়নিং এ পরযাপ্ত প্লেট না থাকার কারণে এ বিষয়ে কথা বলতে আমি ডাইনিং এর ম্যানেজারকে দেখা করতে বলি কিন্তু তিন দিনেও তিনি আমার সাথে দেখা করেননি। এছাড়া তিনি আমার রুমে খবার না দিয়ে যাওয়ায় আমি ম্যানেজারের সাথে কথা বলতে যাই। এ সময় ম্যানেজার না থাকায় আমি ডায়নিং কর্মচারীকে বলি ম্যানেজারকে ফোন দিতে। ডায়নিং কর্মচারী ফোন না দেওয়ায় আমি তাকে একটা চড় মেরেছি।

হল প্রভোস্ট (চলতি দায়িত্ব) ফেরদৌস রহমান এবং প্রক্টর একেএম ফরিদ-উল ইসলামকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful