Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২১ মে, ২০১৯ :: ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ :: সময়- ১ : ৪১ অপরাহ্ন
Home / রংপুর / রংপুরে ভিক্ষুক সেজে অন্ধভিক্ষুক দম্পত্তির শিশু চুরি; আটক -১

রংপুরে ভিক্ষুক সেজে অন্ধভিক্ষুক দম্পত্তির শিশু চুরি; আটক -১

মমিনুল ইসলাম রিপন: রায়হান মিয়া (৩৫) ও তার স্ত্রী নিলুফা বেগম (২৮) দুজনেই অন্ধ। রংপুর নগরীর এরশাদ নগর এলাকায় থাকেন। দুজনেরই পেশা ভিক্ষা করা। ভিক্ষা করে যে আয় হয় তা দিয়ে তাদের সংসার চলে। তাদের ঘরে দুই মেয়ে। প্রথম মেয়ে রেহেনার বয়স ৫ বছর। ছোট মেয়ে আর্জিনার বয়স সাড়ে ৩ বছর। গত শুক্রবার বিকেলে সাড়ে ৩ বছরের এই অর্জিনা চুরি হয়ে যায়। চুরি যে করেছিল সেও পেশায় একজন ভিক্ষুক। রোববার দুপুরে মিঠাপুকুর উপজেলার ভাংনি ইউনিয়নে জগনান্দপুর এলাকা থেকে শিশু চুরির অভিযোগে সুরভি বেগমকে স্থানীয় লোকজন আটক করে পুলিশে দেয়। শিশুটিকে তার বাবা মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ সুরভি বেগম এর আগেও একাধিক শিশুকে চুরি করেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানাগেছে, অপরহণের কদিন আগে ভিক্ষুক রায়হানের সাথে ধর্ম ভাইয়ের সম্পর্ক গড়ে তোলে সুরভি বেগম। ঘটনার দিন শুক্রবার বিকেলে সুযোগ বুঝে সুরভি বেগম রায়হান মিয়ার সাড়ে ৩ বছরের মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যায়। অন্ধ দম্পত্তি তাদের মেয়েকে অনেকস্থানে খোজাখুজি করেও সন্ধান পাননি। রোববার দুপুরে মিঠাপুকুর উপজেলার ভাংনি ইউনিয়নে স্থানীয়রা সুরভি বেগমকে বাচ্চাসহ আটক করে। সুরভি বেগম ওই ইউনিয়নের জগনান্দ গ্রামের বাসিন্দা। তার পেশাও ভিক্ষাবৃত্তি। সে রংপুর শহরের বিভিন্নস্থানে ভিক্ষা করত। ভিক্ষার করার সূত্র ধরেই রায়হানের সাথে ধর্মভাই সম্পর্ক করে তার সন্তান চুরি করে নিয়ে যায়।
শিশুটির পিতা রায়হান মিয়া বলেন, আমারা স্বামী-স্ত্রী দুজনেই অন্ধ ভিক্ষা করে খাই। ভিক্ষা করার সুবাদের সুরভি আমাকে ভাই ডাকে। আমিও তাকে বোন বলি। আমাদের দুর্বলতার সুযোগে শুক্রবার বিকেলে আমার মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যায় সুরভি।
ওই এলাকার আশরাফুল ইসলাম বলেন, সুরভি বেগমের পেশা ভিক্ষাবৃত্তি হলেও এর আগে তার বিরুদ্ধে শিশু চুরির অভিযোগ রয়েছে।
ওই এলাকার জনপ্রতিনিধি ৯ নং ওয়ার্ড সদস্য রবিউল ইসলাম জানান, আমরা জানি সুরভির একটি বড় ছেলে রয়েছে । কিন্তু রোববার সকালে তার ঘর থেকে বাচ্চার কান্নার আওয়াজ পেয়ে লোকজন আমাকে খবর দেয়। আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করি এবং শিশুটির বাবা মাকে খবর দেই। পরে পুলিশ এসে তাদের থানায় নিয়ে যায়।
মিঠাপুকুর থানার ওসি জাফর আলী বিশ্বাস বলেন আমরা,শিশু ও সুরভি বেগমকে থানায় নিয়ে এসেছি। বিষয়টি তাজহাট থানার। তাই তাদের তাজহাট থানায় প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে ।
তাজহাট থানার ওসি শেখ রোকোনুজ্জামান বলেন, শিশু চুরির ঘটনাটি সত্য। কি উদ্দ্যেশে শিশুটিকে চুরি করা হয়েছিল তা জিজ্ঞাসাবাদ না করলে বলা যাবেনা। মিঠাপুকুর থানায় লোক পাঠিয়েছি ওদের আনার জন্য। এখানে আনা হলে জিজ্ঞাসাবাস শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful