Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৯ :: ৩ কার্তিক ১৪২৬ :: সময়- ১০ : ৩৬ অপরাহ্ন
Home / জাতীয় / কখন খাবেন কোন আম

কখন খাবেন কোন আম

ডেস্ক: মধুমাস জ্যৈষ্ঠের প্রথম দিনে গতকাল রাজশাহীতে আম পাড়া শুরু হয়েছে। আগাম গুটি জাতের এ আমের মধ্য দিয়ে এ মৌসুমে প্রথম আম বাজারে এলো। বাংলাদেশের মাটিতে ফলা নির্দিষ্ট ধরনের আমের রয়েছে সুনির্দিষ্ট জীবনচক্র। ক্যালেন্ডারের নিয়ম মেনেই আম পরিপক্ব হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে মে মাসের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয় আমের এ মওসুম চলে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। গুটি আম দিয়ে শুরু হলেও গোবিন্দভোগ, গোপালভোগসহ ভালো জাতের আমের জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও ১০দিন। আমে যাতে ক্ষতিকর রাসায়নিক মেশানো না হয় সে জন্য হাইকোর্ট থেকে আগেভাগেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট তদারকি সংস্থাগুলোকে বাগানগুলো নজরদারি করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর মধ্যেই গতকাল রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলায় আম পাড়া হয়েছে।

রাজশাহীর পবা উপজেলার মথুরা গ্রামে গিয়ে দেখতে পান সেখানে বেশ কিছু গাছ থেকে গুটি আম পাড়া হচ্ছে। তিনি জানান, এগুলো সবই আগাম জাতের। পরে প্লাস্টিকের ক্যারেটে করে সেই আম তোলা হচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশাভ্যানে। এরপর তা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নির্দিষ্ট মোকামে।

আম চাষি নূরুল আমিন বলেন, পরিপক্ব এই আম কাঁচা অবস্থাতেই বিক্রি করা হবে। সাধারণত এই সবুজ (কাঁচা) আমই বিক্রি করা হয়। এগুলো বাড়ি নিয়ে সনাতন পদ্ধতিতে রেখেই পাকিয়ে সবাই খেতে পারেন। যে কারণে কোনো বিষাক্ত কেমিক্যালের ভয় থাকে না। আর অল্পকিছু আম পেকে যায় গাছেই। সেগুলো খুচরা বাজারে বিক্রি করা হয়। ফলে আমের রাজধানী রাজশাহীতে বিষমুক্ত আমই কেনাবেচা হয়। তিনি বলেন, বাজারে গিয়ে যারা পুরোপুরি পাকা রঙের আম কিনতে চান তারাই প্রতারণার শিকার হন। কারণ এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী এ ধরনের ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সবুজ আম নিয়ে গিয়ে ক্ষতিকারক কেমিক্যাল স্প্রে করে হলুদ রঙ ধারণ করান।

আম চাষি খন্দকার মিনারুল ইসলাম বলেন, নির্ধারিত দিন থাকলেও তিনি ২২ মের পর থেকে গুটি আম পাড়বেন। তিনি জানান, এর আগে তার গাছের আমে পরিপক্বতা আসবে না। আর স্বাদও হবে অনেক কম।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি) এস এম আবদুল কাদের বলেন, ‘আম পাড়ার বিষয়টি মনিটরিংয়ের জন্য সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যান ও কৃষি কর্মকর্তাদের এরই মধ্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘রাজশাহীর আমে কখনো ফরমালিন মেশানো হয় না। কৃত্রিমভাবেও আম পাকানোও হয় না। যখন বাজারে অনেক আগে কিংবা পরে আম পাওয়া যায়, তখন অনেকেই মনে করেন যে আমে কেমিক্যাল দেওয়া আছে। ক্রেতাদের এই ভীতি দূর করতেই আম পাড়ার একটা নির্দিষ্ট সময় ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।’

কোন আম কখন পাকে

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগাম জাত, মধ্য মৌসুমি জাত ও নাবি জাত- এই তিন ভাগে বিভক্ত বাংলাদেশের আম। মধ্য মে থেকে জুনের মাঝামাঝি সময়ে পাকে আগাম জাতের আম। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ, রানীপছন্দ, গুলাবখাশ ও বারি-১। মধ্য জুন থেকে পাকতে শুরু করে মধ্য মৌসুমি আম। এগুলোর মধ্যে প্রধান হলো ল্যাংড়া। পাশাপাশি আসে লক্ষ্মণভোগ, হিমসাগর, ক্ষীরশাপাত, খুদিক্ষীরশা, হাঁড়িভাঙ্গা, বোম্বাই, সূর্যপুরি, বারি-২ প্রজাতির আম। আর জুলাইয়ের শুরু থেকে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত পাকে এবং পাওয়া যায় নাবি জাতের আম। এর মধ্যে ফজলি, আম্রপালি, মোহনভোগ, গৌড়মতি, বারি-৪, আশ্বিনা অন্যতম।

বাংলাদেশে উৎপাদিত আমগুলো প্রাকৃতিক শৃঙ্খলা মেনে নির্দিষ্ট সময়ে পাকে। আমচাষি ও ব্যবসায়ীরা যদি এটা জেনে এবং মেনে গাছ থেকে আম পাড়েন, তাহলে ভোক্তারা নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful