Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৫ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৭ : ২৮ অপরাহ্ন
Home / আলোচিত / “সুশীল সমাজের একটি অংশ ক্ষমতা চায়”

“সুশীল সমাজের একটি অংশ ক্ষমতা চায়”

joyডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, সুশলী সমাজের একটি অংশ ক্ষমতায় যেতে চায়। তারা কখনো নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় যেতে পারবে না। তাই এরাই আসলে ক্ষমতায় যাওয়ার পথ তৈরি করতে সেনা অভ্যুত্থানের কথা বলছেন। তিনি বলেছেন, অভ্যুত্থানের জন্য প্রয়োজনীয় উপদানা এখন নেই। এই মুহূর্তে এমন কোনো জেনারেল বা সেনা কর্মকর্তা নেই যার অভ্যুত্থানের খায়েশ রয়েছে। এ ধরণের ব্যবস্থা বাংলার জনগন মেনেও নেবে না।

কলকাতার ইংরেজি দৈনিক টেলিগ্রাফকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ৪২ বছর বয়সী আইটি বিশেষজ্ঞ জয় এ কথা বলেছেন।

আগামী নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা, সেনা হস্তক্ষেপের শঙ্কা থেকে শুর করে দীর্ঘ সময় ধরে সেনাশাসন এবং ২০০৭ ও ২০০৮ সালেও একটি সেনাসমর্থিত অনির্বাচিত সরকার নিয়ে এক প্রশ্নে জবাবে জয় বলেছেন,  আমাদের দেশের সুশলী সমাজের একটি অংশ ক্ষমতায় যেতে চায়, কেননা সেনা সমর্থনেই তাদের ক্ষমতায় আসার পথ তৈরি হওয়া সম্ভব। এবং এরাই সামরিক হস্তক্ষেপের কথা বলছে। তবে বাংলাদেশের মানুষ এটা কখনো মানবে না। আওয়ামী লীগ সরকার গত প্রায় পাঁচ বছর সাফল্যেও সঙ্গে দেশ পরিচালনা করছে। ফলে একটি নির্বাচিত ও বৈধ সরকারের ওপরে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ সহ্য করবে না।  একটি অভ্যুত্থান সফল করতে হলে ক্ষমতা কেড়ে নেয়ার জন্য আগে শেখ হাসিনার নাগাল পেতে হবে। তিনি বলেন, যারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন- গণভবনের নিরাপত্তার দায়িত্বে আছেন তারা সবাই শেখ হাসিনার অত্যন্ত বিশ্বস্ত। তারা কাউকে সুযোগ দেবে না।

বাংলাদেশে টানা হরতাল, রাজপথে ব্যাপক সহিংসতা, কোনো সমঝোতা না হওয়ায় আগামীতে আরো হরতালের আশঙ্কা নিয়ে অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীপুত্র জয় বলেন,  হরতালের কোনো যৌক্তিক কারণই নেই। গত পাঁচ বছরে ছয় হাজার নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে হয়েছে। বিএনপির এটা সম্ভব হয়নি। এখন আমাদের হাতে একটি ডিজিটাল ভোটারলিস্ট আছে। বিএনপির সময়ে অসংখ্যা ভুয়া ভোটারের নাম তালিকায় হয়েছিল। মানুষ এখন আর হরতাল সমর্থন করে না। মানুষ এখন আর হরতাল করতে রাস্তায় নামে না। হরতালে তারা যা করছে তা ঠা-া মাথায় খুন ছাড়া আর কিছু নয়।

বিএনপির শীর্ষ পাঁচ নেতাকে গ্রেপ্তারসহ কার ভিন্নমত দমাতে বিরোধী দল ও সুশীল সমাজের একটা অংশের ওপর দমন পীড়ন নিয়ে এক প্রশ্নে জবাবে জয় বলেন, নির্বাচন বানচাল করার জন্য আওয়ামী লীগকে ভয় ও জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের পর গত হরতালে আমরা সহিংসতা অনেকটা কমিয়ে আনতে পেরেছি। যারা এই সহিংসতায় ইন্ধন দিচ্ছে, তাদের ধরতে আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। বিস্ফোরক দ্রব্য খুবই ব্যয়বহুল। এজন্য টাকা লাগে। আমরা তথ্য পেয়েছি বিএনপির সিনিয়র নেতারা এই সহিংসতার নির্দেশ দিচ্ছেন এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ অর্থ জোগাচ্ছেন।

হরতালে  হাজার হাজার হাতবোমা বিস্ফোরণ ঘটানো, মানুষকে পুড়িতে হত্যা, নির্বাচনী প্রচাওে সরকারের সাফল্যের তুলে ধরা সংক্রান্ত অপর এক প্রশ্নের জবাবে জয় বলেন, গত সাড়ে চার বছরে আমরা তেমন কোনো প্রচার চালাইনি। কিন্তু আমাদের বিরুদ্ধে অনেক নেতিবাচক প্রচারণা হয়েছে, যা আমাদের ক্ষতিও করেছে। কয়েক মাস আগেও জনমত জরিপে আওয়ামী লীগ-বিএনপির জনপ্রিয়তা প্রায় সমান সমান হয়ে গিয়েছিল। তারপর আমি পেশাদার গণসংযোগকারীদের নিয়ে প্রচার শুরু করলাম, যা পরিস্থিতি পাল্টে দিল। ইতিবাচক প্রচারণা আমাদের কাজে এসেছে। দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান, জরিপ সংস্থা ও আমাদের নিজস্ব জরিপে দেখা গেছে, আমরা বিএনপির চেয়ে নিরাপদ দূরত্বেই এগিয়ে আছি।

দেশের  অর্থনীতি,আইশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জয় বলেছেন, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভালোর দিকেই যাচ্ছে । গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি গড়ে ৫ দশমিক ৫ থেক ৬ শতাংশ শহারে বাড়ছে। অবকাঠামোগত বেশ কিছু সমস্যার সমাধান আমরা করেছি। ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতায় পৌঁছানোর দিনটিও আমরা উদযাপন করলাম, অথচ পাঁচ বছর আগেও আমাদের উৎপাদন ছিল মাত্র ৩ হাজার ৫০০ মোগাওয়াট।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful