Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৯ :: ৩ কার্তিক ১৪২৬ :: সময়- ৩ : ০৭ অপরাহ্ন
Home / ক্যাম্পাস / রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারীদের আন্দোলনে শিক্ষার্থী দিয়ে হামলা

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারীদের আন্দোলনে শিক্ষার্থী দিয়ে হামলা

বেরোবি প্রতিনিধি: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক তাবিউর রহমানের নেতৃত্বে আন্দোলনরত কর্মচারীদের উপর হামলা চালিয়েছে ওই বিভাগের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার বিকেল তিনটার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার পর সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ তুলে ধরেন কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আপগ্রেডেশন নীতিমালা বাস্তবায়ন ও ৪৪ মাসের বকেয়া পরিষদের দাবিতে কর্মচারীদের ডাকে চলমান ৩য় দিনের কর্মবিরতির মাঝপথে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে কমপক্ষে ১০ জন কর্মচারী আহত হয়েছেন। হামলার সময় প্রশাসনিক ভবনে কর্মচারীদের লাগানো তালা ভেঙ্গে ফেলে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন, তাবিউর রহমান প্রধান, গণিত বিভাগের অধ্যাপক হাফিজুর রহমান সেলিম, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক রাফিউল আযম, সহকারী প্রক্টর আতিউর রহমান, সদরুল ইসলাম সরকার, সোহেলা মোস্তারী, উপাচার্যের পিএস আমিনুর রহমান, উপ রেজিস্ট্রার গোলাম মোস্তফা, জনসংযোগ দপ্তরের কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, বাংলা বিভাগের প্রভাষক সিরাজুম মুনিরা প্রমুখ।

কর্মচারীদের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিক্ষক ও কর্মকর্তারা এ হামলার পরিকল্পনা করেন। তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী তাবিউর রহমান তার বিভাগের দুই ব্যাচের শিক্ষার্থীকে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসেন এবং হামলা করার হুকুম দেন। পরে তার আদেশক্রমে ওই বিভাগের দ্বিতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী মাহফুজ আহমেদ, তৃতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী জসিম উদ্দীন, সাজ্জাদ, পঞ্চম ব্যাচের আব্দুল্লাহ আল তোফায়েল, পঙ্কজ কুমার ঘোষ, ষষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষার্থী মশুফিক, অর্পন, ফয়সাল, সাব্বির, রবীন্দ্রনাথ, হাসান সৃজন, মৃত্যুঞ্জয়, আহসানসহ আর ৩০/৪০ জন মিলে একযোগে কর্মচারীদের উপর হামলা চালায়। এসময় রবীন্দ্রনাথ নামের ওই শিক্ষার্থী হাতুরি দিয়ে তালা ভেঙ্গে ফেলে। পরে তারা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কর্মচারীদের উপর হামলে পড়ে। এসময় কর্মচারীদের মধ্যে আব্দুল মালেক ও সফিকুল ইসলামসহ কমপক্ষে ১০ জন গুরুতর আহত হয়।

কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নুর আলম বলেন, কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মকর্তা পরিকল্পিতভাবে কর্মচারীদের উপর হামলা চালান। এতে, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা হয়। যা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। আমরা এ হামলার তীব্র নিন্দা জানাই এবং হামলার পরিকল্পনাকারী, হুকুমদাতা ও হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। তিনি আরও বলেন, হামলার বিষয়টি আমি ওই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান তাসনীম হুমাইদাকে জানিয়েছি। তিনি হামলার বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান তাসনীম হুমাইদা বলেন, আমি হামলার ঘটনা সমন্ধে কিছুই জানিনা। হামলার অনেক পরে আমি শুনেছি দুটি ব্যাচের শতাধিক শিক্ষার্থী হামলাস্থলে উপস্থিত ছিল। আমি তাদের কাছে ঘটনার সাথে জড়িত হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। তবে, তারা জানায় তাদেরকে ক্লাসের কথা বলে ডেকে আনা হয়। পরে তাদের ক্লাস না হওয়ায় কোনো একজন তাদের সিআরকে ফোন দিয়ে ঘটনাস্থলে যেতে বলে। তার কথামতোই তারা প্রশাসনিক ভবনে জড়ো হয়। আমি জানতে চাই তারা কার স্বার্থে কোন শিক্ষার্থী বান্ধব কাজে এধরনের কাজে জড়িত হয়েছে। কে বা কারা তাদের ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে একটি বিষয়কে কলুষিত করল। বিভাগীয় প্রধানকে না জানিয়ে শিক্ষার্থীদের এ ধরনের কাজে জড়ানো শোভনীয় নয়। আমি এঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিচার দাবি করেন।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ওই বিভাগের শিক্ষক তাবিউর রহমান প্রধানের নির্দেশে দ্বিতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী মাহফুজ আহমেদ ও পঞ্চম ব্যাচের শিক্ষার্থী তোফায়েল তাদের ডেকে নিয়ে যায়।

হামলার ঘটনার হুকুমদাতা ও পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাবিউর রহমান প্রধান বলেন, প্রশাসনিক ভবনে তালা লাগানোর কারণে শিক্ষার্থীরা সনদ উত্তোলন করতে পারছিল না। তাই তারা ক্ষুব্ধ হয়ে তালা ভেঙ্গে ভেলেছে। এসময় প্রশাসন তাদের পক্ষে ছিল। তবে, শুধুমাত্র সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা কেন তালা ভাংতে আসলো এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখানে বিভাগ বলে কোনো কথা নেই। তবে, শিক্ষার্থীরা তালা ভেঙ্গেছে।

তবে কর্মচারীদের অভিযোগ, হামলা করার সময় ওই স্থানে সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা ছাড়া আর কোনো বিভাগের শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল না। আর, যে দুই ব্যাচের শিক্ষার্থী হামলা চালিয়েছে তারা কেউই অনার্স পাশ করেননি। আর, আজ তাদের ভর্তি বা ফরম পূরণের বিষয়ও ছিল না।

সার্বিক বিষয়ে জানতে উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর মুঠোফোনে কল দেয়া হলে তিনি রিসিভ করেননি।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful