Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ :: ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ :: সময়- ২ : ৪৮ পুর্বাহ্ন
Home / উত্তরবাংলা স্পেশাল / কুড়িগ্রাম টোগরাইহাট রেল সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ; দূর্ঘটনার আশঙ্কা

কুড়িগ্রাম টোগরাইহাট রেল সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ; দূর্ঘটনার আশঙ্কা

প্রহলাদ মন্ডল সৈকত, রাজারহাট(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম রেল স্টেশন থেকে ২ কিলোমিটার পশ্চিমে ও টোগরাইহাট রেল স্টেশন থেকে ৫০০ মিটার পূর্বদিকে অবস্থিত বড়পুলেরপাড় নামক রেল সেতুটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। যেকোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটনার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

গত ২০১৭ সালের ১৩ আগস্ট গভীর রাতে আকস্মিক ভয়াবহ বন্যায় পানির প্রবল স্রোতে  শিয়ালডুবি নদীর উপর নির্মিত ১০০ ফুট দীর্ঘ রেল সেতুটির দুইটি পিলার ভেঙ্গে ডেবে যায়। ফলে কুড়িগ্রামের সাথে সারাদেশের ট্রেন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সেতুটি সাময়িক মেরামত করে প্রায় ২৫ দিন পর পূনরায় ট্রেন চলাচল শুরু হয়। তখন থেকে ২বছর হলেও সেতুটি স্থায়ী মেরামত বা নতুন সেতু নির্মাণ করা হয়নি। ফলে জোড়াতালি দিয়ে সাময়িক মেরামত জরাজীর্ণ সেতুটির অবস্থা দিন দিন লাজুক হয়ে পড়ে।

কুড়িগ্রাম রেলওয়ে ষ্টেশন মাস্টার মো. কাবিল উদ্দিন জানান, লালমনিরহাটের তিস্তা জংশন থেকে কুড়িগ্রামের রমনাবাজার সেকশনে ৫৪ কিলোমিটার রেলপথ রয়েছে। এই রেলপথে এ জেলার সিঙ্গারডাবড়ী, রাজারহাট, টোগরাইহাট, কুড়িগ্রাম, পাঁচপীর, উলিপুর, বালাবাড়ী ও রমনাবাজার-এই ৮টি ষ্টেশন দিয়ে নিয়মিত ট্রেন চলাচল করছে। এখানে দিনাজপুরের পার্বতীপুর জংশন থেকে একটি মিক্সড ট্রেন সকাল বেলা তিস্তাা জংশন হয়ে রমনাবাজার পর্যন্ত চলাচল করে। এটি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তিস্তা জংশনে ফিরে গিয়ে আবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে রমনাবাজার আসে। এরপর ট্রেনটি দুপুর ২ টার দিকে পার্বতীপুরের উদ্দেশ্যে চলে যায়। এছাড়া সন্ধ্যার দিকে রংপুর এক্সপ্রেসের যাত্রী আনা-নেয়ার জন্য একটি শাটল ট্রেন কাউনিয়া জংশন থেকে কুড়িগ্রাম ষ্টেশন পর্যন্ত যাতায়াত করে। সাধারণ যাত্রীরা এসব ট্রেনে স্বল্প ব্যয়ে বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করছেন।

জেলা রেল-নৌ যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটির সভাপতি মো: তাজুল ইসলাম তাজ জানান, টোগরাইহাট রেলওয়ে সেতুটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় যে কোন মুহূর্তে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এজন্য গণকমিটির পক্ষ থেকে একাধিকবার লিখিত এবং মৌখিকভাবে রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সেতুটি স্থায়ীভাবে মেরামত কিংবা নতুন সেতু নির্মাণের অনুরোধ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি।

২৯ জুন শনিবার লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগের বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন জানান, সেতুটি পার হওয়ার সময় গতি কমিয়ে ট্রেন চলাচল করছে। পাশাপাশি, ওই স্থানে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন একটি সেতু নির্মাণের জন্য ঠিকদার নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। এই প্রক্রিয়া শেষ হলে দ্রæত নির্মাণ কাজ শুরু হবে। আর নতুন সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হলে এই সেকশনে ট্রেন চলাচল নিরাপদ এবং ট্রেনগুলো সেকশনাল গতিতে পুনরায় চলাচল করতে পারবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful