Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ :: ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ :: সময়- ২ : ৫৮ পুর্বাহ্ন
Home / জাতীয় / ধর্ষণের পর যেভাবে শিশু সায়মাকে খুন করেন হারুন

ধর্ষণের পর যেভাবে শিশু সায়মাকে খুন করেন হারুন

ডেস্ক: রাজধানীর ওয়ারীর বনগ্রাম এলাকার একটি স্কুলে পড়াশোনা করত সামিয়া আফরিন সায়মা (৭)। বাবা মায়ের সঙ্গে নবনির্মিত এক ভবনের বসাবাস করতো সে। মাকে বলে ওই ভবনের অষ্টম তলায় তার বয়সী এক শিশুর বাসায় খেলতে গিয়েছিল। তবে সেই বাসায় গিয়ে দেখে তার সেই খেলার সাথী তখন ঘুমাচ্ছে।

তাই নিজের বাসায় ফিরে আসার জন্য অষ্টম তলার লিফটে উঠেছিল সায়মা। এমন সময় তার হত্যাকারী হারুনও ওই লিফটে ওঠে। এরপর তিনি সায়মাকে ছাদ ঘুরে দেখানোর লোভ দেখান। ছোট সায়মা হারুনের কথায় রাজি হয়ে তার সঙ্গেই ভবনের ছাদে যায়। আর সেই ছাদেই সায়মাকে ধর্ষণ করেন হারুন। এরপর নিস্তেজ অবস্থায় পড়ে ছিলো শিশু সায়মা। তখন মৃত ভেবে সায়মার গলায় রশি দিয়ে টেনে রান্নাঘরের সিঙ্কের নিচে রেখে পালিয়ে যান হারুন।

সায়মা হত্যার ঘটনার বর্ণনা দিয়ে এসব কথা জানিয়েছেন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার আবদুল বাতেন। আজ রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান তিনি।

ডিবির এ কর্মকতা বলেন, ‘শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। ওই দিন মাকে বলে শিশু সায়মা আটতলায় যায়। সেখানে ফ্ল্যাট মালিক পারভেজের একটি বাচ্চা আছে তার সঙ্গে খেলা করতে। সেখানে গেলে পারভেজের স্ত্রী জানান, তার মেয়ে ঘুমাচ্ছে। সেখান থেকে বাসায় ফেরার উদ্দেশে লিফটে ওঠে সায়মা। লিফটেই সায়মার সঙ্গে দেখা হয় পারভেজের খালাতো ভাই হারুনের। হারুন সায়মাকে লিফট থেকে ছাদ দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ছাদে নিয়ে যায়। সেখানে অত্যন্ত পাশবিকভাবে সায়মাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে।’

আবদুল বাতেন বলেন, ‘এ সময় সায়মা চিৎকার করলে মুখ চেপে ধর্ষণ করে। সায়মাকে নিস্তেজ দেখে গলায় রশি লাগিয়ে টেনে নিয়ে যায় রান্নাঘরে। সেখানে সিঙ্কের নিচে রাখে। এরপর পারভেজের বাসায় না ফিরে গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার তিতাস থানার ডাবরডাঙ্গা এলাকায় পালিয়ে যায় হারুন।’

ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, ‘হারুন পারভেজের খালাতো ভাই। পারভেজের বাসায় সে গত দুইমাস ধরে থাকে। আর তার রঙয়ের দোকানে কাজ করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত কুরুচির পরিচায়ক ও মানবতাবিরোধী অপরাধ। হারুনকে আজই আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ড চাওয়া হবে।’

গত শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে সায়মার খোঁজ পাচ্ছিল না তার পরিবার। পরে সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে নবনির্মিত ভবনের ৯ তলার ফাঁকা ফ্ল্যাটের ভেতরে সায়মার মরদেহ দেখতে পায় পরিবারের সদস্যরা। রাত ৮টার দিকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful