Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ২০ জুলাই, ২০১৯ :: ৫ শ্রাবণ ১৪২৬ :: সময়- ২ : ৩৬ পুর্বাহ্ন
Home / নীলফামারী / বসুন্ধরা ২-০ হারাল টিম বিজেএমসিকে

বসুন্ধরা ২-০ হারাল টিম বিজেএমসিকে

ইনজামাম-উল-হক নির্ণয়,নীলফামারী ৭ জুলাই॥ টিম বিজেএমসির হোম ভেন্যু ছিল নোয়াখালীর শহীদ ভুলু স্টেডিয়াম। বাফুফে ঘরোয়া প্রফেশনাল ফুটবল লীগের শীর্ষ আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের (বিপিএল) প্রথম পর্বের ম্যাচের ২০ ফেব্রুয়ারী বিজেএমসির মুখোমুখি হয়েছিল বসুন্ধরা কিংস। স্বাধীনতা কাপের চ্যাম্পিয়ানদের ওই খেলায় রুখে দিয়েছিল টিম বিজেএমসি। এই দুর্ভাগ্যের কবলে পড়ে অপরাজিত বসুন্ধরা কিংস ষষ্ঠ ম্যাচে বিজেএমসির সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে প্রথম পয়েন্ট খুইয়েছিল। সেদিন চোট খেয়ে পয়েন্ট খোয়ানোর কথা ভুলতে পারেনি কিংস।
তাই এবার দ্বিতীয় পর্বে এসে হোম ভেন্যু নীলফামারীর শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আজ রবিবার (৭ জুলাই) দুর্দান্ত ম্যাচে টিম বিজেএমসিকে ২-০ গোলে হারিয়েছে অস্কার ব্রুজোনের শিষ্যরা। এর সাথে তাদের জয় রথ বহাল রাখলো কিংসরা। তারা প্রমান করে দিলো নিজেদের হোম ভেন্যু হোক বা যেকোন মাঠ অস্কার ব্রুজোনের শিষ্যরা জয় নিয়েই মাঠ ছাড়বে।
গোল দুটি করেন যথাক্রমে নুরুল ফায়সাল ও ব্রাজিলের মার্কোস। বিপিএলের নবাগত বসুন্ধরা কিংস এই জয়ের ফলে শিরোপার পথে এগিয়ে নিজেদের আরো মজবুত করলো ১৮ ম্যাচে ৫২ পয়েন্ট পেয়ে। নিজেদের মাঠে বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে এখনো কেউ সেভাবে লড়াই করতে পারেনি। দেশি কিংবা বিদেশি সব দলই নীলফামারীতে গিয়ে হেরে ফিরেছে। এই মাঠে যেমন কিংস অপরাজেয় তেমনি দেশের অন্য মাঠেও অপরাজেয় ধরে রেখেছে। এই ম্যাচের পারফরম্যান্সে দারুণ খুশি কিংস কোচ অস্কার ব্রুজোন। তবে গোল সংখ্যা আরো বেশী হতে পারতো। স্প্যানিশ কোচের খুশির কারণ খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের কোনো হেরফের হয়নি। পুরো মনঃসংযোগ ধরে রেখে একই তালে পুরো ম্যাচে দাপট দেখিয়েছে খেলোয়াড়রা।
তবে ম্যাচের শুরুতে এমন গোল উৎসব কল্পনা করা কঠিন ছিল। শুরু থেকে আক্রমন করে খেললেও গোলের মুখ দেখছিলনা কিংসরা। একের পর এক আক্রমন আর কয়েক দফায় কর্নার কিক তাদের গোলের সুযোগ নস্ট করার দৃশ্য ছিল দেখার মতো। ২৮ মিনিটে কিংসরা গোলের মুখ দেখতে পায় নুরুল ফায়সালের অসাধারন কিকে। বল ঠেকাতে পরাস্ত হয় বিজেএমসির গোলরক্ষক আবুল কাশেম মিলন।এগিয়ে যায় কিংস ১-০। এর পরপরেই বিজেএমই আক্রমন চালালেও কাজে লাগাতে পারেনি।
৩৮ মিনিটে গোল পরিশোধের সুযোগ হাত ছাড়া করে বিজেএমসি আব্দুল হালিম টুটুল। ৪০ মিনিটে বিজেএমসির নাইজেরিয়ান ইলিতা কিংসস্লিপ গোলের সুযোগ পেলেও কিংসের গোলরক্ষক জিকো বল লাফিয়ে হাতে লুফে নেয়।
দ্বিতীয় হাফের শুরুতে গোল পরিশোধের জন্য মরিয়া হলেও বিজেএমসি বার বার ব্যর্থ হতে থাকে। অপর দিকে গোল সংখ্যা বাড়াতে কিংস একের পর এক আক্রমন চালালেও তারাও ব্যর্থ হয়।
বিজিএমসির ডি বক্সে ৫০ মিনিটের সময় কোস্টারিকার ড্যানিয়েল কলিন্দ্রেসের কাছ থেকে বল পায় কিরগিজস্তানের বখতিয়ার। তিনি বল এগিয়ে দেন ব্রাজিলের মার্কোসকে। কিন্তু না বল চলে যায় মাঠের বাহিরে। এখানেও কিংস গোলের হাত ছাড়া করে। ৫৪ মিনিটে আরেকটি গোলের সুযোগ হারায় কিংসরা। ডি বক্সের অদুর হতে সরাসরি গোলপোষ্টে কিক নেয় কোস্টারিকার ড্যানিয়েল কলিন্দ্রেস। এবারো বল চলে যায় বিজেএমসির গোলবারের সাইড দিয়ে মাঠের বাহিরে। ৫২ মিনিটে কিংসরা বল দিয়ে বিজেএমসির ডি বক্সে প্রবেশ করলেও জটলা বেধে যায়। কিক নিলেও গোল মিস করে বসে বখতিয়ার।
৫৬ মিনিটেও কিংসের আক্রমন ছিল। কর্নার মাধ্যমে গোল রক্ষা করে বিজেএমসি। এখানে দুই দুইবার কর্নারের সুযোগ পেলেও গোলের মুখ দেখতে পায়না কিংসরা। ১৮ মিনিটে কিংসের আক্রমনে ডি বক্স এর একটু বাহিরে কোস্টারিকার ড্যানিয়েল কলিন্দ্রেস ফাউলের কারনে ফ্রি কিক পায় কিংসরা। এবারো তারা গোল মিস করে বসে। ৬০ মিনিটে বিজেএমসির ডি বক্সে আরেকটি ফ্রি কিক পেলেও কিংসরা এটিও কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়।
৬৬ মিনিটে কিংসরা গোল মিস করে। কিংসের খেলোয়ার পরিবর্তনে ইমনকে উঠিয়ে নিয়ে আলমগীর রানাকে মাঠে নামায়।
৬৮ মিনিটে কিংসের আক্রমন প্রতিহত করতে গিয়ে বিজেএমসির ক্যামরুনের ডিফেন্ডার বেবেক ফমবেগনে চোখে আঘাত পেলেও ব্যান্ডেজ নিয়ে থাকে খেলতে দেখা যায়। ৭৬ মিনিটে কিংসের আরেকটি আক্রমনে বিজেএমসির গোলরক্ষক প্রতিহত করে দিতে সক্ষম হয়।
তবে ৮১ মিনিটে জোড়ালো আক্রমনে কিংসরা দ্বিতীয় গোলের মুখ দেখতে পায়। গোলের নায়ক ছিলেন ব্রাজিলের মার্কোস। এগিয়ে যায় কিংস ২-০।
৮৫ মিনিটে বিজিএমসি আক্রমন চালালেও গোল করতে ব্যর্থ হয়। ৮৭ মিনিটে কিংসের ইব্রাহিম মধ্য মাঠ থেকে বল নিয়ে একাই ঢুকে পড়েছিল বিজেএমসির ডি বক্সে। নির্ঘাত একটি সহজ গোল করতে ব্যর্থ হয় ইব্রাহিম। এর পরেই বিজেএমসির আরেকটি জোড়ালো আক্রমন চালায়। মিন্টু দাস ডি বক্সের সামনে থেকে কিংসের গোলবারে কিক নিয়ে তা গোলবারে লেগে ফিরে আসে। পুনরায় বল পেয়ে কিক মিন্টু দাস কিক নিলে সেই বল ধরে ফেলে কিংসের জিকো। অতিরিক্ত সময়ের ৪ মিনিটে কিংসরা দুই দফায় গোলের সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি।ফলে একাধিক গোলের সুযোগ নস্ট করে কিংসকে ২-০ গোলের জয় নিয়ে খেলা শেষ করতে হয়।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful