Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০১৯ :: ২ শ্রাবণ ১৪২৬ :: সময়- ৮ : ২৯ পুর্বাহ্ন
Home / কুড়িগ্রাম / উলিপুর খাদ্যগুদামে দূর্নীতি: জেলা প্রশাসকের জটিকা পরিদর্শনে এক মিল মালিক আটক

উলিপুর খাদ্যগুদামে দূর্নীতি: জেলা প্রশাসকের জটিকা পরিদর্শনে এক মিল মালিক আটক

তৈয়বুর রহমান, কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামের উলিপুরে ধান-চাল ও গম ক্রয়ে খাদ্য কর্মকর্তাদের অনিয়ম ও দূর্নীতির খবর উত্তরবাংলা ডটকম এ প্রকাশের পর নড়ে-চড়ে বসেছে খাদ্য বিভাগ। উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত হওয়ার খবর পেয়ে খাদ্য বিভাগের অসাদু কর্মকর্তারা গত রবিবার ও সোমবার গভীররাত পর্যন্ত তাদের এসব অপকর্ম আড়াল করতে গুদামে মহাযজ্ঞ চালিয়েছেন। খাদ্য গুদামে পরিমাণে কম গম ও পুরাতন চাল সরিয়ে নতুন চালের বস্তা ঢোঁকানোর কাজ চলছিল এ মহাযজ্ঞে। এছাড়াও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে পরিত্যক্ত ও অচল মিল মালিকদের উপস্থিত করে ধান ছাঁটাইয়ের জন্য চুক্তি করা ভূয়া কাগজপত্র পরিবর্তন করে নতুন চুক্তি পত্র তৈরি করা হয়েছে বলে একটি বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এদিকে, এমন সীমাহীন দূর্নীতির খবরে জেলা প্রশাসনে তোলপাড় শুরু হয়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসক তাৎক্ষনিক ঘটনা উৎঘাটনে তার কার্যালয়ে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও মিল মালিকদের নিয়ে জরুরী বৈঠকে বসেন। পরে তাৎক্ষনিক জেলা প্রশাসক মোছাঃ সুলতানা পারভীন উলিপুর উপজেলা খাদ্য গুদাম ও ছাঁটাইয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ মিল পরিদর্শন করেন। এসময় মিথ্যা তথ্য দেয়ার অপরাধে পরিত্যক্ত ‘আজাদ চাল কল’র মালিক আবুল কালাম আজাদ কে গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দেন।

অপরদিকে, দূর্নীতি তদন্তে খাদ্য বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক (সংগ্রহ) আব্দুস সালামকে প্রধান করে খাদ্য বিভাগের মহা-পরিচালক একটি তদন্ত টিম গঠন করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। খাদ্য বিভাগের গঠিত তদন্ত টীম এখনও সরেজমিন তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেননি।

অতিরিক্ত পরিচালক (সংগ্রহ) আব্দুস সালামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না।

এদিকে, জেলা প্রশাসকের পরিদর্শনকালে গুদামটির মজুদ মালামালের সাথে স্টক রেজিষ্টারের গড়মিল দেখা গেছে।এ কারনে গুদামের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে মজুদ পরীক্ষার জন্য তিনজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এর সমন্বয়ে গঠিত একটি টিমকে দায়িত্ব দেন জেলা প্রশাসক। ছাঁটাইয়ের জন্য খাদ্য বিভাগের সাথে চুক্তিবদ্ধ মিল পরিদর্শনে গিয়ে জেলা প্রশাসক অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এসব মিলের বয়লার, হাউজ, চাতাল, চিমনি দীর্ঘদিন বন্ধ দেখতে পান।

জেলা প্রশাসক মোছাঃ সুলতানা পারভীন এ প্রতিবেদককে জানান, যেকোন মূল্যে চাল,ধান ও গম ক্রয়ে দূর্নীতি বন্ধ করে কৃষকদের বাঁচাতে হবে। সরকারের ভাল উদ্যোগ মুষ্ঠিমেয় কিছু ব্যক্তির জন্য নষ্ট হতে দেয়া হবে না।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful